৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাঘে মানুষে লুকোচুরি চারদিন ধরে সুন্দরবনের কুলতলিতে

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা : রাতের পর দিন এমনি ভাবেই বাঘে মানুষে লুকোচুরি চলছে কুলতলির গায়েনের চক, পাঁচ নম্বর গরাণকাটী পিয়ালী-কেল্লা,ডোঙ্গাজোড়া এখন আবার বালাহারানিয়ায়। বাঘ দেখে জঙ্গলে ফেন্সিং নেট দিয়ে ঘিরে দেওয়ার পর সেই নেট থেকে পালিয়ে অন্য জঙ্গলে চলে যাচ্ছে, এমনিভাবে চারদিনে চারটি জায়গা থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। কিছুতেই খাঁচায় ধরা দিচ্ছে না।বনদপ্তর এর কর্মীদেরকে নাকানি-চুবানি খেতে হচ্ছে। বছরের শেষের দিনগুলোতে এই মুহুর্তে আনন্দে মাতছেন কচিকাঁচা থেকে পূর্ণবয়স্করা। বনদপ্তরের কয়েকশ কর্মীদের ঘুম কেড়েছে সুন্দরবনের গভীর অরণ্যো থেকে আসা, লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় থাকা রয়েল বেঙ্গল টাইগার। প্রতিনিয়ত কিলোমিটার পর কিলোমিটার বাঘ খুঁজতে খুঁজতে নাজেহাল বনদপ্তরের সাথে স্চ্ছোসেবী সংগঠন। বেশ কয়েকটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ একাধিক কর্মীরা। এমনিভাবে সপ্তাহের অধিকাংশ দিনে চলছে বাঘে মানুষে লুকোচুরি। গোপালগঞ্জ এলাকা থেকে আবার বাঘ চলে এসেছে পিয়ালীর জঙ্গলে বেশ কয়েক কিলোমিটার কুলতলিতে প্রতিনিয়ত বনদপ্তরের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক থেকে নিচু স্তরের কর্মীদের সাথে সাথে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের রাতের ঘুম কেড়েছে। এলাকার মানুষজন দক্ষিণ রায়ের দেখায় অস্বস্তিতে,যে কোন মুহূর্তে তাদের গৃহপালিত পশু কিংবা নিজেদের ঘাড়ে হালুম করে পড়তে পারে। সুন্দরবন থেকে আসা বিশাল আকারের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। ইতিপূর্বে কুলতলিীর বেশ কয়েক জন মৎস্যজীবী বাঘের আক্রমণে নিহত ও কয়েকজন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে তার পর বাঘের আতঙ্কে ঘুম কেড়েছে সুন্দরবন লাগোয়া এলাকাবাসির। দিনের পর দিন লোকালয়ে বাঘের আনাগোনা এ যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা। যে কোন মুহুর্তে বাঘের কবলে পড়তে হবে তার জন্য আতঙ্কে ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অপরদিকে আশে পাশের থানা গুলির প্রশাসক মণ্ডলীর ঘুম কেড়েছে বনবিবির বাহন। এক পলকের জন্য বাঘের দর্শন পেতে হাজার হাজার মানুষ কুলতলিতে আসছেন,আর তাদের কে নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রশাসন। বাঘের খবর এই মুহুর্তে বিভিন্ন মিডিয়ায় সম্প্রচারিত হওয়ায় আশে-পাশের গ্রামগুলোতে মানুষের ভিড় জমছে।আর এই ভিড় সামলাতে নাজেহাল কুলতলী থানা সহ বেশ কয়েকটি থানার আধিকারিক। বছরের শেষ মুহুর্তে পরিবার পরিজনদের নিয়ে ছুটিতে ব্যস্ত থাকলেও ঘুম নেই বনদপ্তরের কর্মীদের সাথে স্থানীয় প্রশাসনের। জাল দিয়ে ঘেরার পরেও এক জঙ্গল থেকে অন্য জঙ্গলে পালিয়ে যাচ্ছে বাঘ।

বিখ্যাত গায়ক আদনান সামি ভারতীয় না পাকিস্তানী সংসয় কাটছে না

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাঘে মানুষে লুকোচুরি চারদিন ধরে সুন্দরবনের কুলতলিতে

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২১, সোমবার

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা : রাতের পর দিন এমনি ভাবেই বাঘে মানুষে লুকোচুরি চলছে কুলতলির গায়েনের চক, পাঁচ নম্বর গরাণকাটী পিয়ালী-কেল্লা,ডোঙ্গাজোড়া এখন আবার বালাহারানিয়ায়। বাঘ দেখে জঙ্গলে ফেন্সিং নেট দিয়ে ঘিরে দেওয়ার পর সেই নেট থেকে পালিয়ে অন্য জঙ্গলে চলে যাচ্ছে, এমনিভাবে চারদিনে চারটি জায়গা থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। কিছুতেই খাঁচায় ধরা দিচ্ছে না।বনদপ্তর এর কর্মীদেরকে নাকানি-চুবানি খেতে হচ্ছে। বছরের শেষের দিনগুলোতে এই মুহুর্তে আনন্দে মাতছেন কচিকাঁচা থেকে পূর্ণবয়স্করা। বনদপ্তরের কয়েকশ কর্মীদের ঘুম কেড়েছে সুন্দরবনের গভীর অরণ্যো থেকে আসা, লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় থাকা রয়েল বেঙ্গল টাইগার। প্রতিনিয়ত কিলোমিটার পর কিলোমিটার বাঘ খুঁজতে খুঁজতে নাজেহাল বনদপ্তরের সাথে স্চ্ছোসেবী সংগঠন। বেশ কয়েকটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ একাধিক কর্মীরা। এমনিভাবে সপ্তাহের অধিকাংশ দিনে চলছে বাঘে মানুষে লুকোচুরি। গোপালগঞ্জ এলাকা থেকে আবার বাঘ চলে এসেছে পিয়ালীর জঙ্গলে বেশ কয়েক কিলোমিটার কুলতলিতে প্রতিনিয়ত বনদপ্তরের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক থেকে নিচু স্তরের কর্মীদের সাথে সাথে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের রাতের ঘুম কেড়েছে। এলাকার মানুষজন দক্ষিণ রায়ের দেখায় অস্বস্তিতে,যে কোন মুহূর্তে তাদের গৃহপালিত পশু কিংবা নিজেদের ঘাড়ে হালুম করে পড়তে পারে। সুন্দরবন থেকে আসা বিশাল আকারের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। ইতিপূর্বে কুলতলিীর বেশ কয়েক জন মৎস্যজীবী বাঘের আক্রমণে নিহত ও কয়েকজন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে তার পর বাঘের আতঙ্কে ঘুম কেড়েছে সুন্দরবন লাগোয়া এলাকাবাসির। দিনের পর দিন লোকালয়ে বাঘের আনাগোনা এ যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা। যে কোন মুহুর্তে বাঘের কবলে পড়তে হবে তার জন্য আতঙ্কে ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অপরদিকে আশে পাশের থানা গুলির প্রশাসক মণ্ডলীর ঘুম কেড়েছে বনবিবির বাহন। এক পলকের জন্য বাঘের দর্শন পেতে হাজার হাজার মানুষ কুলতলিতে আসছেন,আর তাদের কে নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রশাসন। বাঘের খবর এই মুহুর্তে বিভিন্ন মিডিয়ায় সম্প্রচারিত হওয়ায় আশে-পাশের গ্রামগুলোতে মানুষের ভিড় জমছে।আর এই ভিড় সামলাতে নাজেহাল কুলতলী থানা সহ বেশ কয়েকটি থানার আধিকারিক। বছরের শেষ মুহুর্তে পরিবার পরিজনদের নিয়ে ছুটিতে ব্যস্ত থাকলেও ঘুম নেই বনদপ্তরের কর্মীদের সাথে স্থানীয় প্রশাসনের। জাল দিয়ে ঘেরার পরেও এক জঙ্গল থেকে অন্য জঙ্গলে পালিয়ে যাচ্ছে বাঘ।