১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

বড়দিনেও রাস্তায় পড়ে আছে মেধাতালিকাভুক্ত অনশনরত এস এস সি বঞ্চিত শিক্ষকরা

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বড়দিনেও বিষাদের সুর মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত এস এস সি চাকরিপ্রার্থীদের অনশন মঞ্চে। ন্যায্য চাকরির দাবিতে ২৮২ দিন কেটেছে অনশন মঞ্চে।ফের মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবী করলেন ২০১৬ নবম-দ্বাদশ স্তরের ২৮২ দিন অনশনরত মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ২০১৯ সালে প্রেস ক্লাবের সামনে নবম-দ্বাদশ স্তরের বঞ্চিত মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুর্নীতি সম্পর্কে অবগত হয়ে। তিনি বলেছিলেন মেধাতালিকাভুক্ত সকল প্রার্থীর চাকরি তিনি সুনিশ্চিত করবেন।তার উপর ভরসা রাখতে। তিনি কথা দিলে কথা রাখেন।মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত সকল মেধাতালিকাভুক্ত চাকরী প্রার্থীর চাকরি সুনিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ ও কেনো ২৮২ দিন তাদের রাস্তায় কাটাতে হয়? কেনো আত্মঘাতী হয় মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থী? কেনো কৃষক মেহেনতি মজদুর সমাজের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষায় পাশ করেও দুর্নীতির শিকার হয়ে বঞ্চিত ই থেকে যায়? কেনো দুর্নীতির বলি হতে হয় শিক্ষিত মেধার?

বঞ্চিতদের সমস্যা সমাধানের জন্য ফের আরো একবার মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এর দাবী জানালেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির উপর ভরসা করে সম্পুর্ণ অরাজনৈতিকভাবে ২৮২ দিন অতিক্রান্ত আন্দোলনকারী মেধাতালিকায় প্রথম দফায় ডাক পেয়েও সুপরিকল্পিত ভাবে বঞ্চিত হবু শিক্ষকরা।

বঞ্চিত মেধাতালিকাভুক্ত আন্দোলনকারী এম ডি রাকিব হোসেন; মুদাসির হোসেন জানিয়েছেন;আজ স্কুল গুলো শিক্ষকের অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এদিকে মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা রাস্তায় বসে আছে তাদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে। শীত; ঝড়; মহামারীর প্রচণ্ডতাকে উপেক্ষা করে তাদের দিন কাটে রাস্তায়। ন্যায্য চাকরীর দাবীতে মেয়েদের রাত কাটে অনশন মঞ্চে। তাদের প্রশ্ন ; যে স্কুল সার্ভিস কমিশন আজ আইন দেখাচ্ছে তারা কোন আইনে নিজের গেজেট কে লঙ্ঘন করে নাম্বার প্রকাশ না করে মেধাতালিকা প্রকাশ করে? কোন আইনে নিজের গেজেটে উল্লেখিত ১:১.৪ নিয়ম না মেনে নিয়োগ করে? কোন আইনে মেধাতালিকায় পেছনের সারিতে থাকা প্রার্থীকে আগে নিয়োগ দেয়? কোন আইনে এস এম এসে অবৈধ নিয়োগ দেয় গেজেট কে লঙ্ঘন করে? কোন আইনে অকৃতকার্য প্রার্থীরা চাকরি পায় আর কোন আইনে মেধাতালিকাভুক্ত প্রথম দফায় ডাক পেয়েও বঞ্চনার শিকার হয়?

বঞ্চিত মেধাতালিকাভুক্তরা আরো জানিয়েছেন; স্কুল সার্ভিস কমিশন নিজের গেজেটকে মান্যতা দিয়েই রেশিও মেনে ১:১.৪ অনুপাতে নিয়োগ করে আইনি পথে মেধাতালিকাভুক্ত সকলের চাকরী সুনিশ্চিত করুক।তবেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির যথাযথ বাস্তবায়ণ হবে। তাদের এই অরাজনৈতিক আন্দোলন দুর্নীতির বিরুদ্ধে; ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন। তারা আশা রাখেন সোনার বাংলা গড়ার কান্ডারী মাননীয়া তার প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করে একদিকে যেমন বঞ্চিতদের সমস্যা সমাধান করবেন; একই সাথে স্কুলে শিক্ষক সংকটের ও সমাধান করবেন।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বড়দিনেও রাস্তায় পড়ে আছে মেধাতালিকাভুক্ত অনশনরত এস এস সি বঞ্চিত শিক্ষকরা

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২১, শনিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বড়দিনেও বিষাদের সুর মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত এস এস সি চাকরিপ্রার্থীদের অনশন মঞ্চে। ন্যায্য চাকরির দাবিতে ২৮২ দিন কেটেছে অনশন মঞ্চে।ফের মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবী করলেন ২০১৬ নবম-দ্বাদশ স্তরের ২৮২ দিন অনশনরত মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ২০১৯ সালে প্রেস ক্লাবের সামনে নবম-দ্বাদশ স্তরের বঞ্চিত মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুর্নীতি সম্পর্কে অবগত হয়ে। তিনি বলেছিলেন মেধাতালিকাভুক্ত সকল প্রার্থীর চাকরি তিনি সুনিশ্চিত করবেন।তার উপর ভরসা রাখতে। তিনি কথা দিলে কথা রাখেন।মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত সকল মেধাতালিকাভুক্ত চাকরী প্রার্থীর চাকরি সুনিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ ও কেনো ২৮২ দিন তাদের রাস্তায় কাটাতে হয়? কেনো আত্মঘাতী হয় মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থী? কেনো কৃষক মেহেনতি মজদুর সমাজের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষায় পাশ করেও দুর্নীতির শিকার হয়ে বঞ্চিত ই থেকে যায়? কেনো দুর্নীতির বলি হতে হয় শিক্ষিত মেধার?

বঞ্চিতদের সমস্যা সমাধানের জন্য ফের আরো একবার মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এর দাবী জানালেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির উপর ভরসা করে সম্পুর্ণ অরাজনৈতিকভাবে ২৮২ দিন অতিক্রান্ত আন্দোলনকারী মেধাতালিকায় প্রথম দফায় ডাক পেয়েও সুপরিকল্পিত ভাবে বঞ্চিত হবু শিক্ষকরা।

বঞ্চিত মেধাতালিকাভুক্ত আন্দোলনকারী এম ডি রাকিব হোসেন; মুদাসির হোসেন জানিয়েছেন;আজ স্কুল গুলো শিক্ষকের অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এদিকে মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা রাস্তায় বসে আছে তাদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে। শীত; ঝড়; মহামারীর প্রচণ্ডতাকে উপেক্ষা করে তাদের দিন কাটে রাস্তায়। ন্যায্য চাকরীর দাবীতে মেয়েদের রাত কাটে অনশন মঞ্চে। তাদের প্রশ্ন ; যে স্কুল সার্ভিস কমিশন আজ আইন দেখাচ্ছে তারা কোন আইনে নিজের গেজেট কে লঙ্ঘন করে নাম্বার প্রকাশ না করে মেধাতালিকা প্রকাশ করে? কোন আইনে নিজের গেজেটে উল্লেখিত ১:১.৪ নিয়ম না মেনে নিয়োগ করে? কোন আইনে মেধাতালিকায় পেছনের সারিতে থাকা প্রার্থীকে আগে নিয়োগ দেয়? কোন আইনে এস এম এসে অবৈধ নিয়োগ দেয় গেজেট কে লঙ্ঘন করে? কোন আইনে অকৃতকার্য প্রার্থীরা চাকরি পায় আর কোন আইনে মেধাতালিকাভুক্ত প্রথম দফায় ডাক পেয়েও বঞ্চনার শিকার হয়?

বঞ্চিত মেধাতালিকাভুক্তরা আরো জানিয়েছেন; স্কুল সার্ভিস কমিশন নিজের গেজেটকে মান্যতা দিয়েই রেশিও মেনে ১:১.৪ অনুপাতে নিয়োগ করে আইনি পথে মেধাতালিকাভুক্ত সকলের চাকরী সুনিশ্চিত করুক।তবেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির যথাযথ বাস্তবায়ণ হবে। তাদের এই অরাজনৈতিক আন্দোলন দুর্নীতির বিরুদ্ধে; ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন। তারা আশা রাখেন সোনার বাংলা গড়ার কান্ডারী মাননীয়া তার প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করে একদিকে যেমন বঞ্চিতদের সমস্যা সমাধান করবেন; একই সাথে স্কুলে শিক্ষক সংকটের ও সমাধান করবেন।