০২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
০২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

পথচলতি মানুষদের হাতে রাখি পরিয়ে মিষ্টিমুখ করালো সরিষা অঞ্চলের অবজারভার শামীম আহমেদ মোল্লা

বাইজিদ মন্ডল, ডায়মন্ড হারবার-: আজ পবিত্র রাখি বন্ধন উৎসব গোটা দেশজুড়ে এই উৎসবে মেতে উঠেছেন সকল মানুষ । সকলেই একে অপরের হাতে রাখি পরিয়ে এই দিনটিকে পালন করছেন । ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখী বন্ধন উৎসব পালন করেছিলেন। তিনি কলকাতা,ঢাকা ও সিলেট থেকে হাজার হাজার হিন্দু ও মুসলিম ভাই ও বোনকে আহ্বান করেছিলেন একতার প্রতীক হিসাবে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করার জন্য । আজও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেখানো সেই পথেই গোটা দেশের মানুষ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এই পবিত্র রাখি বন্ধন উৎসবে মেতে ওঠেন ।এই উৎসবের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হয় । আমরাও আগামী দিনে সকল মানুষের শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি এবং সকলেই এই ভাবেই জাতি ধর্ম নির্বিশেষে একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠুক। উপস্থিত ছিলেন ডা:হা:বিধায়ক পান্নালাল হালদার,সরিষা অঞ্চলের অবজারভার শামীম আহমেদ মোল্লা ডা:হা:২নম্বর ব্লক সভাপতি অরুময় গায়েন, সরিষা অঞ্চলের কৃষাণ সেলের সভাপতি নীতিশ মোদক, মৎসের কর্মাদক্ষ মনিরুল মোল্লা,কালীদাস প্রামাণিক,সদস্য আজিম সহ ব্লকের একাধিক নেতৃত্ব বৃন্দ ।
সরিষা অঞ্চলের অবজারভার শামীম আহমেদ জানান,এই রাখি বন্ধন উৎসব ভাতৃত্বের বন্ধন এবং কোভিড প্রটোকল মেনে রাস্তার হাজারেরও অধিক পথ চারিদের সকল মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে দিয়ে তাদের কে মিষ্টিমুখ করানো হয়, এমন ভূমিকায় খুশি সকলেই। অতি মারির কারণে অনুষ্ঠানের পরিধি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে জানান। আপামর বাঙালি কে কবি শ্রেষ্ঠ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহৎ রাখি বন্ধন ও সম্প্রীতির ঐতিহ্য গর্বের সাথে টিকিয়ে রাখতে অনুরোধ করেন। সব ভেদাভেদ জ্ঞান ভুলে মহামিলনের মন্ত্রে সাম্যের আদর্শ দীক্ষিত হতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং একে অপরের সাথে যাতে আরো আন্তরিকতায় জড়িয়ে যেতে পারি তাই রাখি বন্ধন উৎসব পালন করলাম।

মুরারইয়ের বাঁশলই নদীতে স্নান করতে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পথচলতি মানুষদের হাতে রাখি পরিয়ে মিষ্টিমুখ করালো সরিষা অঞ্চলের অবজারভার শামীম আহমেদ মোল্লা

আপডেট : ২২ অগাস্ট ২০২১, রবিবার

বাইজিদ মন্ডল, ডায়মন্ড হারবার-: আজ পবিত্র রাখি বন্ধন উৎসব গোটা দেশজুড়ে এই উৎসবে মেতে উঠেছেন সকল মানুষ । সকলেই একে অপরের হাতে রাখি পরিয়ে এই দিনটিকে পালন করছেন । ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখী বন্ধন উৎসব পালন করেছিলেন। তিনি কলকাতা,ঢাকা ও সিলেট থেকে হাজার হাজার হিন্দু ও মুসলিম ভাই ও বোনকে আহ্বান করেছিলেন একতার প্রতীক হিসাবে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করার জন্য । আজও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেখানো সেই পথেই গোটা দেশের মানুষ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এই পবিত্র রাখি বন্ধন উৎসবে মেতে ওঠেন ।এই উৎসবের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হয় । আমরাও আগামী দিনে সকল মানুষের শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি এবং সকলেই এই ভাবেই জাতি ধর্ম নির্বিশেষে একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠুক। উপস্থিত ছিলেন ডা:হা:বিধায়ক পান্নালাল হালদার,সরিষা অঞ্চলের অবজারভার শামীম আহমেদ মোল্লা ডা:হা:২নম্বর ব্লক সভাপতি অরুময় গায়েন, সরিষা অঞ্চলের কৃষাণ সেলের সভাপতি নীতিশ মোদক, মৎসের কর্মাদক্ষ মনিরুল মোল্লা,কালীদাস প্রামাণিক,সদস্য আজিম সহ ব্লকের একাধিক নেতৃত্ব বৃন্দ ।
সরিষা অঞ্চলের অবজারভার শামীম আহমেদ জানান,এই রাখি বন্ধন উৎসব ভাতৃত্বের বন্ধন এবং কোভিড প্রটোকল মেনে রাস্তার হাজারেরও অধিক পথ চারিদের সকল মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে দিয়ে তাদের কে মিষ্টিমুখ করানো হয়, এমন ভূমিকায় খুশি সকলেই। অতি মারির কারণে অনুষ্ঠানের পরিধি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে জানান। আপামর বাঙালি কে কবি শ্রেষ্ঠ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহৎ রাখি বন্ধন ও সম্প্রীতির ঐতিহ্য গর্বের সাথে টিকিয়ে রাখতে অনুরোধ করেন। সব ভেদাভেদ জ্ঞান ভুলে মহামিলনের মন্ত্রে সাম্যের আদর্শ দীক্ষিত হতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং একে অপরের সাথে যাতে আরো আন্তরিকতায় জড়িয়ে যেতে পারি তাই রাখি বন্ধন উৎসব পালন করলাম।