০২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
০২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

ভাসমান অবস্থায় সবজি চাষের নয়া কৌশল সুন্দরবন বাসির

সাকিব হাসান ও নাইমুল ইসলাম,কুলতলি:
প্রতিবছর বন্যায় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় প্রত্যন্ত সুন্দরবন গ্রামের কৃষকদের। বন্যায় বিঘে বিঘে জমির ফসল পানির তলায় তলিয়ে যায়। ঝড়-বন্যার ক্ষতির সম্মুখিন থেকে বাঁচতে এবার সুন্দরবন এলাকার মানুষের নয়া কৌশল ভাসমান অবস্থায় সবজি চাষ। জল যতই হোক গাছ আর জলের নিচে ডুববে না। তার বড় বড় ড্রাম জলে রেখে তার ওপর বাঁশের খুঁটি দিয়ে জলে ভাসমান অবস্থায় সবজি চাষের উদ্যোগ নিয়েছে। এমনই চিত্র দেখা গেল কুলতুলি দেউলবাড়ী। এক একটি ভাসমান মাচা তৈরি করতে কৃষকদের আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এর ফলে বন্যায় ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা। বাঘের হাত থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন তারা।

সুন্দরবন এলাকার সবজি চাষিরা জানিয়েছেন,প্রতি বছর বন্যার জল ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমাদের বিঘে বিঘে জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায় এবং চাষের জমিতে যাওয়ার সময় বাঘ আক্রমণের আশঙ্কা থাকে। তাই এবছর আমরা নতুন ভাবে চাষের উদ্যোগ নিয়েছি। এর ফলে বন্যার জলে ফসল ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না ও বাঘের হাত থেকে নিরাপদ থাকতে পারবো। এইভাবে চাষ করতে খরচ তিনগুণ তাই সরকারের কাছে আমাদের চাষের জন্য কিছু সাহায্যের আবেদন করবো।

মুরারইয়ের বাঁশলই নদীতে স্নান করতে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভাসমান অবস্থায় সবজি চাষের নয়া কৌশল সুন্দরবন বাসির

আপডেট : ২১ অগাস্ট ২০২১, শনিবার

সাকিব হাসান ও নাইমুল ইসলাম,কুলতলি:
প্রতিবছর বন্যায় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় প্রত্যন্ত সুন্দরবন গ্রামের কৃষকদের। বন্যায় বিঘে বিঘে জমির ফসল পানির তলায় তলিয়ে যায়। ঝড়-বন্যার ক্ষতির সম্মুখিন থেকে বাঁচতে এবার সুন্দরবন এলাকার মানুষের নয়া কৌশল ভাসমান অবস্থায় সবজি চাষ। জল যতই হোক গাছ আর জলের নিচে ডুববে না। তার বড় বড় ড্রাম জলে রেখে তার ওপর বাঁশের খুঁটি দিয়ে জলে ভাসমান অবস্থায় সবজি চাষের উদ্যোগ নিয়েছে। এমনই চিত্র দেখা গেল কুলতুলি দেউলবাড়ী। এক একটি ভাসমান মাচা তৈরি করতে কৃষকদের আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এর ফলে বন্যায় ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা। বাঘের হাত থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন তারা।

সুন্দরবন এলাকার সবজি চাষিরা জানিয়েছেন,প্রতি বছর বন্যার জল ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমাদের বিঘে বিঘে জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায় এবং চাষের জমিতে যাওয়ার সময় বাঘ আক্রমণের আশঙ্কা থাকে। তাই এবছর আমরা নতুন ভাবে চাষের উদ্যোগ নিয়েছি। এর ফলে বন্যার জলে ফসল ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না ও বাঘের হাত থেকে নিরাপদ থাকতে পারবো। এইভাবে চাষ করতে খরচ তিনগুণ তাই সরকারের কাছে আমাদের চাষের জন্য কিছু সাহায্যের আবেদন করবো।