২৯ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
২৯ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাংলাদেশে ফলের রসের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫২ জনের মৃত্যু

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে মৃত্যু অন্তত ৫২ জনের। আহত আরও পঞ্চাশ জনের মতো। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হয় রাজধানী ঢাকা সংলগ্ন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায়। সেখানে একটি বহুতলে আগুন লাগে। ভয়াবহ রকম ক্ষতিগ্রস্ত হয় বহুতলটি।

দমকল সূত্রে খবর, রূপগঞ্জের শেজান ফলের রসের কারখানায় আগুন লাগে বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায়। মনে করা হচ্ছে, বহুতলের একতলা থেকে আগুন ছড়িয়েছে। প্রচুর রাসায়নিক দাহ্য পদার্থ ও প্লাস্টিক থাকার কারণে মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের অধিকাংশই কারখানার শ্রমিক। অন্তত পক্ষে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, বহু শ্রমিক আগুন আতঙ্কে বহুতল থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। তাতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়, আহত হন অনেকে।

আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে আসে ১৮টি দমকল ইঞ্জিন। হাশেম ফুড লিমিটেডের এই কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয় দমকলকর্মীদের। আগুনের জেরে প্রিয়জনের খোঁজ নিতে বহু মানুষ কারখানার সামনে জড়ো হন। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও অনেকে নিখোঁজ। ৪৪ জন মৃত শ্রমিককে শনাক্ত করা গিয়েছে।

আহত শ্রমিক এবং তাঁদের পরিজনদের অভিযোগ, আগুন লাগার সময় কারখানায় ঢোকার একমাত্র গেট এবং বেরনোর দরজা বন্ধ করা ছিল। বহুতলে কোনও পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই বলেও অভিযোগ তাঁদের।

নারায়ণগঞ্জ জেলা দমকল বিভাগের উপ অধিকর্তা আবদুল্লাহ আল-আরেফিন জানিয়েছেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসা না পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিসংখ্যান বলা সম্ভব নয়। জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্য়ের একটি কমিটি গঠন করেছে অগ্নিকাণ্ডের তদন্তের জন্য। এর আগেও বহুবার বাংলাদেশে একাধিক শিল্প-কলকারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবুও শিক্ষা হয়নি কারও।

বীরভূমে কাজল শেখকে ডিম নিক্ষেপ, শহীদ দিবসের অনুষ্ঠানে উত্তেজনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাংলাদেশে ফলের রসের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫২ জনের মৃত্যু

আপডেট : ৯ জুলাই ২০২১, শুক্রবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে মৃত্যু অন্তত ৫২ জনের। আহত আরও পঞ্চাশ জনের মতো। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হয় রাজধানী ঢাকা সংলগ্ন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায়। সেখানে একটি বহুতলে আগুন লাগে। ভয়াবহ রকম ক্ষতিগ্রস্ত হয় বহুতলটি।

দমকল সূত্রে খবর, রূপগঞ্জের শেজান ফলের রসের কারখানায় আগুন লাগে বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায়। মনে করা হচ্ছে, বহুতলের একতলা থেকে আগুন ছড়িয়েছে। প্রচুর রাসায়নিক দাহ্য পদার্থ ও প্লাস্টিক থাকার কারণে মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের অধিকাংশই কারখানার শ্রমিক। অন্তত পক্ষে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, বহু শ্রমিক আগুন আতঙ্কে বহুতল থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। তাতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়, আহত হন অনেকে।

আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে আসে ১৮টি দমকল ইঞ্জিন। হাশেম ফুড লিমিটেডের এই কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয় দমকলকর্মীদের। আগুনের জেরে প্রিয়জনের খোঁজ নিতে বহু মানুষ কারখানার সামনে জড়ো হন। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও অনেকে নিখোঁজ। ৪৪ জন মৃত শ্রমিককে শনাক্ত করা গিয়েছে।

আহত শ্রমিক এবং তাঁদের পরিজনদের অভিযোগ, আগুন লাগার সময় কারখানায় ঢোকার একমাত্র গেট এবং বেরনোর দরজা বন্ধ করা ছিল। বহুতলে কোনও পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই বলেও অভিযোগ তাঁদের।

নারায়ণগঞ্জ জেলা দমকল বিভাগের উপ অধিকর্তা আবদুল্লাহ আল-আরেফিন জানিয়েছেন, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসা না পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিসংখ্যান বলা সম্ভব নয়। জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্য়ের একটি কমিটি গঠন করেছে অগ্নিকাণ্ডের তদন্তের জন্য। এর আগেও বহুবার বাংলাদেশে একাধিক শিল্প-কলকারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবুও শিক্ষা হয়নি কারও।