০২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
০২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

পূর্বঘোষিত সরকারী ট্যাব না পাওয়ায় হাই মাদ্রাসার সামনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোপ

সামসুর রহমান, উস্থি: ইতিপূর্বে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কর্তৃক ছাত্র ছাত্রীদের যে ট্যাব দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল তা বহু চেষ্টার পর আজও না পাওয়ায় কারনে “শেরপুর রহমানিয়া হাই মাদ্রাসা” সামনে ছাত্রীদের বিক্ষোপ লক্ষ্য করা যায় । এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলে যে,আমরা ৫৩ জন ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে আসমানি, সাহাজাদি, নাসিফা,সালমা, সাবেরা, হায়াতুন,রুবিনা, রেবেকা, ও দুই সাইনাজ সহ মোট ১০জন কাগজপত্র সব সঠিক থাকা সত্বেও ট্যাবের সুবিধা পায়নি।

বিগত দিনে আমরা তিনবার এই ফর্ম ফিলাপ করেছি,মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ কে চিঠি সহ বিকাশ ভবন পর্যন্ত গিয়েও কোনো সুরাহ মেলেনি এবং পরিচালন মণ্ডলীর কথা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে অবশেষে আমাদের নিজস্ব দ্বায় নিজেদের নিতে হবে, স্কুল এবিষয়ে আর সময় দেবে না বলে তুলে দেয় এবং বলেন যে আশেপাশের মাদ্রাসা গুলোতেও একই অবস্থা।ফলেই তোমরা যদি কোনো ভাবে উদ্ধার করতে পারো দেখ ,আমাদের কিছু করার নেয়।সে কারণে আমরা হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছি , যদিও ঐ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সভাপতি সামসুদ্দিন মল্লিক মহাশয় ও কিছু শিক্ষক প্রথম থেকেই তাদের সহযোগিতা করে আসছে বলে জানা যায় ।

তারা আরও বলে যে, আমরা সকলেই দরিদ্র পরিবারের থেকে উঠে এসেছি,ফলে এই সুবিধা না পাওয়ায় আমাদের পড়াশোনাতে যথেষ্ট ব্যাঘাত ঘটছে। তাই যদি এর সমাধান না হয় প্রয়োজনে আমরা ডোমা অফিস বা নবান্ন পর্যন্ত ধর্না দিতেও প্রস্তুত আছি ।

মুরারইয়ের বাঁশলই নদীতে স্নান করতে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পূর্বঘোষিত সরকারী ট্যাব না পাওয়ায় হাই মাদ্রাসার সামনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোপ

আপডেট : ৬ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার

সামসুর রহমান, উস্থি: ইতিপূর্বে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কর্তৃক ছাত্র ছাত্রীদের যে ট্যাব দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল তা বহু চেষ্টার পর আজও না পাওয়ায় কারনে “শেরপুর রহমানিয়া হাই মাদ্রাসা” সামনে ছাত্রীদের বিক্ষোপ লক্ষ্য করা যায় । এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলে যে,আমরা ৫৩ জন ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে আসমানি, সাহাজাদি, নাসিফা,সালমা, সাবেরা, হায়াতুন,রুবিনা, রেবেকা, ও দুই সাইনাজ সহ মোট ১০জন কাগজপত্র সব সঠিক থাকা সত্বেও ট্যাবের সুবিধা পায়নি।

বিগত দিনে আমরা তিনবার এই ফর্ম ফিলাপ করেছি,মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ কে চিঠি সহ বিকাশ ভবন পর্যন্ত গিয়েও কোনো সুরাহ মেলেনি এবং পরিচালন মণ্ডলীর কথা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে অবশেষে আমাদের নিজস্ব দ্বায় নিজেদের নিতে হবে, স্কুল এবিষয়ে আর সময় দেবে না বলে তুলে দেয় এবং বলেন যে আশেপাশের মাদ্রাসা গুলোতেও একই অবস্থা।ফলেই তোমরা যদি কোনো ভাবে উদ্ধার করতে পারো দেখ ,আমাদের কিছু করার নেয়।সে কারণে আমরা হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছি , যদিও ঐ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সভাপতি সামসুদ্দিন মল্লিক মহাশয় ও কিছু শিক্ষক প্রথম থেকেই তাদের সহযোগিতা করে আসছে বলে জানা যায় ।

তারা আরও বলে যে, আমরা সকলেই দরিদ্র পরিবারের থেকে উঠে এসেছি,ফলে এই সুবিধা না পাওয়ায় আমাদের পড়াশোনাতে যথেষ্ট ব্যাঘাত ঘটছে। তাই যদি এর সমাধান না হয় প্রয়োজনে আমরা ডোমা অফিস বা নবান্ন পর্যন্ত ধর্না দিতেও প্রস্তুত আছি ।