১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

জলঙ্গী B.D.O অফিস ভবনের এক কক্ষে রেলের টিকিট কাউন্টার

জলঙ্গী B.D.O অফিস ভবনের এক কক্ষে রেলের টিকিট কাউন্টার

সহিদুল ইসলাম, নতুন গতি, জলঙ্গী : মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী বাংলাদেশের সীমান্ত লাগুয়া প্রান্তিক এলাকা । এখানকার জলঙ্গী বিডিও অফিস ভবনের এক কক্ষে পূর্ব রেলের সংরক্ষিত আসনের টিকিট কাউন্টার খোলা হয়েছে ২৫শে জুন। এই কাউন্টার থেকে ভারতের সব রেলের টিকিট মানুষ কাটতে পারবে। জলঙ্গীর মানুষ যেখানে বিভিন্ন পেশার সাথে যুক্ত বিশেষ করে কৃষি কাজ ও শ্রমিক এর কাজ করে থাকে। তবে বেশির ভাগ মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে যেতে হয় কাজ করবার জন্য। এই ব্লকের প্রায় আড়াই লক্ষ্য মানুষের বসবাস। এখান থেকে রেলের টিকিট কাটতে যেতে হয় প্রায় পঞ্চাশ কিমি দূরে বহরমপুর রেলস্টেশনে।  যা মানুষের কাছে চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াত। এই টিকিট কাউন্টারের এক কর্মী জানায় – মানুষের মাঝে ভালো সাড়া পড়েছে। তবে এখনো বহু মানুষ জানে না এই টিকিট কাউন্টার সম্পর্কে। জলঙ্গীর সাদিখাঁনদেয়াড় এর বাসিন্দা সুদীপ দেবনাথ বলে – আমি শিয়ালদহ যাবার জন্য এখান থেকে রেলের টিকিট কাটলাম। বড় সুবিধা হলো। ঘোষপাড়ার রাহুল মণ্ডল জানান, বহরমপুর রেলস্টেশনে টিকিট কাটতে যাতায়াতে প্রায় দিন শেষ হয়ে যেত এখানে হওয়াতে খুব ভালো হয়েছে।  দীর্ঘদিনের চাওয়া এই টিকিট কাউন্টার হওয়াতে খুশি জলঙ্গী এলাকাবাসী।

সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহিলা ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলঙ্গী B.D.O অফিস ভবনের এক কক্ষে রেলের টিকিট কাউন্টার

আপডেট : ৫ জুলাই ২০২১, সোমবার

জলঙ্গী B.D.O অফিস ভবনের এক কক্ষে রেলের টিকিট কাউন্টার

সহিদুল ইসলাম, নতুন গতি, জলঙ্গী : মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী বাংলাদেশের সীমান্ত লাগুয়া প্রান্তিক এলাকা । এখানকার জলঙ্গী বিডিও অফিস ভবনের এক কক্ষে পূর্ব রেলের সংরক্ষিত আসনের টিকিট কাউন্টার খোলা হয়েছে ২৫শে জুন। এই কাউন্টার থেকে ভারতের সব রেলের টিকিট মানুষ কাটতে পারবে। জলঙ্গীর মানুষ যেখানে বিভিন্ন পেশার সাথে যুক্ত বিশেষ করে কৃষি কাজ ও শ্রমিক এর কাজ করে থাকে। তবে বেশির ভাগ মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে যেতে হয় কাজ করবার জন্য। এই ব্লকের প্রায় আড়াই লক্ষ্য মানুষের বসবাস। এখান থেকে রেলের টিকিট কাটতে যেতে হয় প্রায় পঞ্চাশ কিমি দূরে বহরমপুর রেলস্টেশনে।  যা মানুষের কাছে চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াত। এই টিকিট কাউন্টারের এক কর্মী জানায় – মানুষের মাঝে ভালো সাড়া পড়েছে। তবে এখনো বহু মানুষ জানে না এই টিকিট কাউন্টার সম্পর্কে। জলঙ্গীর সাদিখাঁনদেয়াড় এর বাসিন্দা সুদীপ দেবনাথ বলে – আমি শিয়ালদহ যাবার জন্য এখান থেকে রেলের টিকিট কাটলাম। বড় সুবিধা হলো। ঘোষপাড়ার রাহুল মণ্ডল জানান, বহরমপুর রেলস্টেশনে টিকিট কাটতে যাতায়াতে প্রায় দিন শেষ হয়ে যেত এখানে হওয়াতে খুব ভালো হয়েছে।  দীর্ঘদিনের চাওয়া এই টিকিট কাউন্টার হওয়াতে খুশি জলঙ্গী এলাকাবাসী।