১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

বন্ধুরবিয়ের নতুনবউ এনে বাড়ি ফেরার পথে, মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু ইঞ্জিনিয়ার ছাত্রের

 

পবিত্র সরকার, নতুন গতি নদীয়া;আজ বৌভাত! থমথমে নদীয়ার শান্তিপুর বাবলা গোবিন্দপুর অঞ্চলের মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাসের বিয়েবাড়ি ‌। গত 1 তারিখ সোমবার বিবাহ হয়েছিলো তার, গতকাল নতুন বউকে গোবিন্দপুর এর বাড়িতে রেখে, রাতের খাওয়া-দাওয়া সেরে এগারোটা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলো পাশের এলাকার পূর্বদাস পাড়ার বাসিন্দা তাপস দাসের দুই পুত্র সাগর এবং তমাল। সাগরের বয়স 21 বছর কৃষ্ণনগর গ্লোবাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাঠরত, দাদা তমাল অবশ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে একটি বেসরকারী সংস্থায় চাকরি করে। মৃত্যুঞ্জয় বাবুর ওই পাড়ারই এক বন্ধু নয়ন সরকার, বিএসএফের চাকরি করেন! তিনি মোটরসাইকেল চালিয়ে সাগর এবং তমালকে বাড়ি পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন, গতকাল রাতে। গোবিন্দপুর রেললাইন পার হওয়ার পর, তাদের বাড়ির কিছুটা আগে রাস্তার পাশে স্তূপীকৃত বালির কিছুটা অংশ রাস্তার উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে, ঘটনাস্থলে সে সময় লোডশেডিংও থাকে বলে জানান পরিবারের পক্ষ থেকে। সেখানেই মোটরসাইকেল স্লিপ কেটে পড়ে তিনজন। এলাকাবাসীর তৎপরতায় তাদের তিনজনকে শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সাগরকে মৃত বলে ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, তমাল কে শক্তিনগর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। এবং ওই মোটরসাইকেল চালক নয়ন সরকার, আজ শান্তিপুর হাসপাতাল থেকে, বাড়ি ফেরে। এই ঘটনার জেরে, যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। থমথমে বৌভাতের অনুষ্ঠান।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বন্ধুরবিয়ের নতুনবউ এনে বাড়ি ফেরার পথে, মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু ইঞ্জিনিয়ার ছাত্রের

আপডেট : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১, বুধবার

 

পবিত্র সরকার, নতুন গতি নদীয়া;আজ বৌভাত! থমথমে নদীয়ার শান্তিপুর বাবলা গোবিন্দপুর অঞ্চলের মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাসের বিয়েবাড়ি ‌। গত 1 তারিখ সোমবার বিবাহ হয়েছিলো তার, গতকাল নতুন বউকে গোবিন্দপুর এর বাড়িতে রেখে, রাতের খাওয়া-দাওয়া সেরে এগারোটা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলো পাশের এলাকার পূর্বদাস পাড়ার বাসিন্দা তাপস দাসের দুই পুত্র সাগর এবং তমাল। সাগরের বয়স 21 বছর কৃষ্ণনগর গ্লোবাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাঠরত, দাদা তমাল অবশ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে একটি বেসরকারী সংস্থায় চাকরি করে। মৃত্যুঞ্জয় বাবুর ওই পাড়ারই এক বন্ধু নয়ন সরকার, বিএসএফের চাকরি করেন! তিনি মোটরসাইকেল চালিয়ে সাগর এবং তমালকে বাড়ি পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন, গতকাল রাতে। গোবিন্দপুর রেললাইন পার হওয়ার পর, তাদের বাড়ির কিছুটা আগে রাস্তার পাশে স্তূপীকৃত বালির কিছুটা অংশ রাস্তার উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে, ঘটনাস্থলে সে সময় লোডশেডিংও থাকে বলে জানান পরিবারের পক্ষ থেকে। সেখানেই মোটরসাইকেল স্লিপ কেটে পড়ে তিনজন। এলাকাবাসীর তৎপরতায় তাদের তিনজনকে শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সাগরকে মৃত বলে ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, তমাল কে শক্তিনগর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। এবং ওই মোটরসাইকেল চালক নয়ন সরকার, আজ শান্তিপুর হাসপাতাল থেকে, বাড়ি ফেরে। এই ঘটনার জেরে, যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। থমথমে বৌভাতের অনুষ্ঠান।