১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

2020 সাল এক ভয়নক সাল হিসেবে মানছে সকলে, আতঙ্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না

2020 সাল এক ভয়নক সাল হিসেবে মানছে সকলে

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: আতঙ্কযেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ২০২০-তে। যতই সময় যাচ্ছে, ততই বিপদ বাড়ছে এই বছর। করোনা, আমফান, পঙ্গপালের হানার পর এবার আবার নতুন আতঙ্ক। আরও বড় বিপদের আশঙ্কা বাড়ছে। ভারত মহাসাগরের নীচের বিশাল পাতে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। শুধু ফাটল নয়, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মাঝে থাকা পাতটি সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

পাতের এই দু টুকরো হয়ে হয়ে যাওয়ার কারণে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করেছেন বিজ্ঞানীরা। লাইভ সায়েন্স-এর এখ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, ভারত মহাসাগরের নীচে আট বছর আগে হওয়া বেশ কয়েকটি ভূমিকম্পের ফর থেকেই এই পাতের চলনে পরিবর্তন আসে। যার ফলেই এই ফাটল সৃষ্টি হয়েছে পাতে। পুরো ব্যাপারটা সমুদ্রের নীচে হওয়ায় বিজ্ঞানীদের নজর এড়িয়ে গেছে তা,

প্রতি বছর ০.০৬ মিলিমিটার করে সরে যাচ্ছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মকরাঞ্চলে থাকা এই পাতটি। পাতের এই সরে যাওয়ার কারণেই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে, এখনই তেমন বিপদের আশঙ্কা নেই। পাতের ফাটল যে হারে বাড়ছে, তাতে ১ মাইল ফাটল তৈরি হতে ১০ লক্ষ বছর সময় লাগবে বলে বিজ্ঞানীদের অনুমান। এই হারে ফাটল বাড়লে ২০ হাজার বছর পর ভয়ংকর বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে বিশ্ববাসীকে। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে সমুদ্রের নীচে পাতের সংঘর্ষের কারণেই ভয়ংকর সুনামীর সৃষ্টি হয়েছিল।

ডিভিসিতে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু মৎসজীবির

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

2020 সাল এক ভয়নক সাল হিসেবে মানছে সকলে, আতঙ্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না

আপডেট : ২৭ মে ২০২০, বুধবার

2020 সাল এক ভয়নক সাল হিসেবে মানছে সকলে

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: আতঙ্কযেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ২০২০-তে। যতই সময় যাচ্ছে, ততই বিপদ বাড়ছে এই বছর। করোনা, আমফান, পঙ্গপালের হানার পর এবার আবার নতুন আতঙ্ক। আরও বড় বিপদের আশঙ্কা বাড়ছে। ভারত মহাসাগরের নীচের বিশাল পাতে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। শুধু ফাটল নয়, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মাঝে থাকা পাতটি সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

পাতের এই দু টুকরো হয়ে হয়ে যাওয়ার কারণে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করেছেন বিজ্ঞানীরা। লাইভ সায়েন্স-এর এখ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, ভারত মহাসাগরের নীচে আট বছর আগে হওয়া বেশ কয়েকটি ভূমিকম্পের ফর থেকেই এই পাতের চলনে পরিবর্তন আসে। যার ফলেই এই ফাটল সৃষ্টি হয়েছে পাতে। পুরো ব্যাপারটা সমুদ্রের নীচে হওয়ায় বিজ্ঞানীদের নজর এড়িয়ে গেছে তা,

প্রতি বছর ০.০৬ মিলিমিটার করে সরে যাচ্ছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মকরাঞ্চলে থাকা এই পাতটি। পাতের এই সরে যাওয়ার কারণেই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে, এখনই তেমন বিপদের আশঙ্কা নেই। পাতের ফাটল যে হারে বাড়ছে, তাতে ১ মাইল ফাটল তৈরি হতে ১০ লক্ষ বছর সময় লাগবে বলে বিজ্ঞানীদের অনুমান। এই হারে ফাটল বাড়লে ২০ হাজার বছর পর ভয়ংকর বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে বিশ্ববাসীকে। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে সমুদ্রের নীচে পাতের সংঘর্ষের কারণেই ভয়ংকর সুনামীর সৃষ্টি হয়েছিল।