৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আম্ফান ঘূর্ণি ঝরে মুর্শিদাবাদ জেলার চাষীদের মাথায় হাত

আম্ফান ঘূর্ণি ঝরে মুর্শিদাবাদ জেলার চাষীদের মাথায় হাত

সজিবুল ইসলাম,নতুন গতি, মুর্শিদাবাদ:
আমফান ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে,ধান,পাট, ওল,পটলের বাহান,কলার বাগান, কাঠাল ও আম গাছ অনেক ক্ষতি হয়েছে।
গত কাল যে ঝড় হয়েছে তাতে করে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হলো চাষীদের । বর্তমানে দেশে চতুর্থ লক ডাউন চলছে সেই সময় সবজির কোনো দাম মিলছে না,তার উপর আবার এই ঝড়ের পুরো পুরী সব শেষ করে দিলো বলে জানালেন। ডোম কলের ওল চাষী শামিম ইসলাম বলেন আমি পাট ও ওলের চাষ করি এবার অনেক কষ্ট করে এক বিঘা ওল চাষ করতে শুরু করেছিলাম অনেক কষ্টকরে টাকা ধার করে ,এবার কি করে কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা ধারের টাকাই বা কিভাবে শোধ করবো।অন্য দিকে পেটের অবস্থা খুব খারাপ।যদি সরকার আমাদের কে কোনো সাহায্য করেন সেই আর্জি করছি।
জলঙ্গীর ধান চাষী বলেন আমাদের এমনি সংসার চলা দাই হয়ে পড়েছে তাই উপর সামনে ঈদ পরিবারের কোনো কিছু কেনা কাটা করে উঠতে পারিনি। পেটে ভাত জুটাতেই হিমসিম খাচ্ছি।এই অবস্থায় আবার ঘূর্ণি ঝরে আমার সব পাকা ধান জমিতে সুয়ে পড়েছে জল জমেও আছে জমিতে,এবার তো না খেতে পেয়ে মরতে হবে আমাদের।কোথাও কোনো কাজ নেই সবজির কোনো দাম নেই আমরা চাষী আমাদের চাষে সব আর সেটায় নষ্ট হয়ে গেছে।এবার সরকারের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে যদি কোনো সাহায্য করেন।

ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আম্ফান ঘূর্ণি ঝরে মুর্শিদাবাদ জেলার চাষীদের মাথায় হাত

আপডেট : ২২ মে ২০২০, শুক্রবার

আম্ফান ঘূর্ণি ঝরে মুর্শিদাবাদ জেলার চাষীদের মাথায় হাত

সজিবুল ইসলাম,নতুন গতি, মুর্শিদাবাদ:
আমফান ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে,ধান,পাট, ওল,পটলের বাহান,কলার বাগান, কাঠাল ও আম গাছ অনেক ক্ষতি হয়েছে।
গত কাল যে ঝড় হয়েছে তাতে করে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হলো চাষীদের । বর্তমানে দেশে চতুর্থ লক ডাউন চলছে সেই সময় সবজির কোনো দাম মিলছে না,তার উপর আবার এই ঝড়ের পুরো পুরী সব শেষ করে দিলো বলে জানালেন। ডোম কলের ওল চাষী শামিম ইসলাম বলেন আমি পাট ও ওলের চাষ করি এবার অনেক কষ্ট করে এক বিঘা ওল চাষ করতে শুরু করেছিলাম অনেক কষ্টকরে টাকা ধার করে ,এবার কি করে কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা ধারের টাকাই বা কিভাবে শোধ করবো।অন্য দিকে পেটের অবস্থা খুব খারাপ।যদি সরকার আমাদের কে কোনো সাহায্য করেন সেই আর্জি করছি।
জলঙ্গীর ধান চাষী বলেন আমাদের এমনি সংসার চলা দাই হয়ে পড়েছে তাই উপর সামনে ঈদ পরিবারের কোনো কিছু কেনা কাটা করে উঠতে পারিনি। পেটে ভাত জুটাতেই হিমসিম খাচ্ছি।এই অবস্থায় আবার ঘূর্ণি ঝরে আমার সব পাকা ধান জমিতে সুয়ে পড়েছে জল জমেও আছে জমিতে,এবার তো না খেতে পেয়ে মরতে হবে আমাদের।কোথাও কোনো কাজ নেই সবজির কোনো দাম নেই আমরা চাষী আমাদের চাষে সব আর সেটায় নষ্ট হয়ে গেছে।এবার সরকারের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে যদি কোনো সাহায্য করেন।