১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

বন্যা প্রতিরোধে আগাম ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সেচমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ

নাতুন গতি: পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বন্যা প্রতিরোধে সেচ দপ্তরের তৈরি ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’ অন্তর্ভুক্ত এলাকায় আসন্ন বর্ষার পূর্বে বন্যা প্রতিরোধের ছয় দফা দাবিতে আজ ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ন সংগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে রাজ্যের সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো (১)সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া স্কিমগুলি (যেমন- নিউ কাসাইয়ের নিম্নাংশ,ক্ষীরাই-বাক্সী,চন্দ্রেশ্বর প্রভৃতি) সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করা, খননকার্য চলতে থাকা গোমরাই-পায়রাশি খালের কাজ দ্রুত শেষ (২)পরবর্তী ক্ষেত্রে দুর্বাচটী নদী সংস্কার সহ বিভিন্ন প্রকল্পগুলির ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়ার বন্দোবস্ত (৩)বর্ষার পূর্বে সমস্ত লকগেট/ স্লুইসগেটগুলির ফ্ল্যাপ ও ড্র সাটার মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করা (৪) শিলাবতী-নিউ কাসাই-দূর্বাচটি-কাটান-কেটিয়া-পারাং-কাকি-দোনাই- রূপনারায়ন নদীবাঁধগুলির দুর্বল অংশ শক্তপোক্ত করে বর্ষার পূর্বে মেরামত (৫) বিভিন্ন নদী ও নিকাশী খালগুলিতে জমে থাকার জঞ্জাল ও আবর্জনা পরিষ্কার (৬) সমস্ত নিকাশি শাখা ও নাসা খালগুলিকে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প (এম.জি.নারেগা)তে অন্তর্ভুক্ত করে বর্ষার পূর্বে সংস্কার প্রভৃতি।
কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র নায়ক ও দেবাশীষ মাইতি জানান, আগামী বর্ষার আগেই উপরোক্ত কাজগুলো দ্রুত রূপায়ণ যাতে হয় সে ব্যাপারে সেচমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। নারায়নবাবু বলেন, অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে লকডাউন পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হবে।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বন্যা প্রতিরোধে আগাম ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সেচমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ

আপডেট : ১৮ মে ২০২০, সোমবার

নাতুন গতি: পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বন্যা প্রতিরোধে সেচ দপ্তরের তৈরি ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’ অন্তর্ভুক্ত এলাকায় আসন্ন বর্ষার পূর্বে বন্যা প্রতিরোধের ছয় দফা দাবিতে আজ ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ন সংগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে রাজ্যের সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো (১)সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া স্কিমগুলি (যেমন- নিউ কাসাইয়ের নিম্নাংশ,ক্ষীরাই-বাক্সী,চন্দ্রেশ্বর প্রভৃতি) সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করা, খননকার্য চলতে থাকা গোমরাই-পায়রাশি খালের কাজ দ্রুত শেষ (২)পরবর্তী ক্ষেত্রে দুর্বাচটী নদী সংস্কার সহ বিভিন্ন প্রকল্পগুলির ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়ার বন্দোবস্ত (৩)বর্ষার পূর্বে সমস্ত লকগেট/ স্লুইসগেটগুলির ফ্ল্যাপ ও ড্র সাটার মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করা (৪) শিলাবতী-নিউ কাসাই-দূর্বাচটি-কাটান-কেটিয়া-পারাং-কাকি-দোনাই- রূপনারায়ন নদীবাঁধগুলির দুর্বল অংশ শক্তপোক্ত করে বর্ষার পূর্বে মেরামত (৫) বিভিন্ন নদী ও নিকাশী খালগুলিতে জমে থাকার জঞ্জাল ও আবর্জনা পরিষ্কার (৬) সমস্ত নিকাশি শাখা ও নাসা খালগুলিকে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প (এম.জি.নারেগা)তে অন্তর্ভুক্ত করে বর্ষার পূর্বে সংস্কার প্রভৃতি।
কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র নায়ক ও দেবাশীষ মাইতি জানান, আগামী বর্ষার আগেই উপরোক্ত কাজগুলো দ্রুত রূপায়ণ যাতে হয় সে ব্যাপারে সেচমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। নারায়নবাবু বলেন, অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে লকডাউন পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হবে।