১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

ভিন রাজ্যে গিয়ে জন্ডিস,বাড়িতে এসে মৃত্যু যুবকের

 

হরিশ্চন্দ্রপুর,৩১ মার্চ, মহ: নাজিম আক্তার : ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে অসুখে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে এসে মারা গেল এক যুবক।নাম রঞ্জন মিশর(১৮)। বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের গোলামোড় কুশডাঙ্গি গ্রামে।তার মৃত্যুতে পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়,লকডাউন জারি হওয়ার কয়েক দিন আগে সামসী এলাকার এক স্থানীয় দাফাদারের সঙ্গে বিহারের ছাপড়া এলাকায় রেললাইন ব্রিজ নির্মাণের কাজ করতে যায়। কয়েকদিন কাজ করার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরলে সহকর্মীররা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে বলে জানান।

ডাক্তারবাবুরা জানান সে জন্ডিস ও কলেরা রোগে আক্রান্ত ছিল।পাঁচদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর সুস্থতা হয়ে উঠলে দাফাদার তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। মঙ্গলবার রাত দু’টো নাগাদ বাড়িতে পৌঁছালে ঘন্টাখানেকের মধ্যে নিজ বাড়িতে মারা যায় বলে জানা যায়।

বাবা সাকরাতুন মিশর জানান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। অভাবের সংসার। পরিবারের মুখে দুমুঠো অন্ন জোগানোর উদ্দেশ্যে মেজো ছেলে রঞ্জন মিশর ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিল। কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরে। পাঁচ দিন চিকিৎসা করার পর মঙ্গলবার রাত দুটো নাগাদ বাড়িতে নিয়ে আসলে ঘন্টা খানেকের মধ্যে বাড়িতে মারা যায় বলে জানান।

মা তেতলী মিশর জানান, ছেলে বাড়িতে সুস্থই ছিল। হটাৎ জন্ডিস ও কলেরা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবে এটা ভাবতেই পারছে না।

যুবকের মৃত্যুর খবরটি হরিশ্চন্দ্রপুর থানা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মৃত্যুটির আসল রহস্য কি তার তাঁরা তদন্ত শুরু করেছে।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভিন রাজ্যে গিয়ে জন্ডিস,বাড়িতে এসে মৃত্যু যুবকের

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার

 

হরিশ্চন্দ্রপুর,৩১ মার্চ, মহ: নাজিম আক্তার : ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে অসুখে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে এসে মারা গেল এক যুবক।নাম রঞ্জন মিশর(১৮)। বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের গোলামোড় কুশডাঙ্গি গ্রামে।তার মৃত্যুতে পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়,লকডাউন জারি হওয়ার কয়েক দিন আগে সামসী এলাকার এক স্থানীয় দাফাদারের সঙ্গে বিহারের ছাপড়া এলাকায় রেললাইন ব্রিজ নির্মাণের কাজ করতে যায়। কয়েকদিন কাজ করার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরলে সহকর্মীররা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে বলে জানান।

ডাক্তারবাবুরা জানান সে জন্ডিস ও কলেরা রোগে আক্রান্ত ছিল।পাঁচদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর সুস্থতা হয়ে উঠলে দাফাদার তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। মঙ্গলবার রাত দু’টো নাগাদ বাড়িতে পৌঁছালে ঘন্টাখানেকের মধ্যে নিজ বাড়িতে মারা যায় বলে জানা যায়।

বাবা সাকরাতুন মিশর জানান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। অভাবের সংসার। পরিবারের মুখে দুমুঠো অন্ন জোগানোর উদ্দেশ্যে মেজো ছেলে রঞ্জন মিশর ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিল। কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরে। পাঁচ দিন চিকিৎসা করার পর মঙ্গলবার রাত দুটো নাগাদ বাড়িতে নিয়ে আসলে ঘন্টা খানেকের মধ্যে বাড়িতে মারা যায় বলে জানান।

মা তেতলী মিশর জানান, ছেলে বাড়িতে সুস্থই ছিল। হটাৎ জন্ডিস ও কলেরা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবে এটা ভাবতেই পারছে না।

যুবকের মৃত্যুর খবরটি হরিশ্চন্দ্রপুর থানা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মৃত্যুটির আসল রহস্য কি তার তাঁরা তদন্ত শুরু করেছে।