৩০ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
৩০ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

নাগপুরে পরাজয়ের নেপথ্যে শিব সেনার ষড়যন্ত্র? তদন্তে নামবে বিজেপি

দেবজিৎ মুখার্জি: আপাত দৃষ্টিতে বিধান পরিষদ নির্বাচন গুরুত্বহীন হলেও সঙ্ঘ পরিবারের শক্তঘাঁটি নাগপুরে কংগ্রেসের জয় হইচই ফেলে দিয়েছে সমগ্র জাতীয় রাজনৈতিক মহলে। এদিকে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে গোটা গেরুয়া শিবির। এই পরাজয়ের নেপথ্যে কী? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবার তদন্তে নামবে বিজেপি। শিব সেনার ষড়যন্ত্রও কাজ করেছে কিনা, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে।

বুধবার, ৪ রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদের আসনে ভোটগণনা চলাকালীন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপির অন্য নেতারা খোঁচা দিয়েছিলেন কংগ্রেসকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হাত শিবিরকে খোঁচা দিয়ে সমাজমাধ্যমে বলেন, “ভোট তো ব্যালটে হয়েছিল, কটা আসন জিতলেন?” তবে রাত পোহাতেই ঘুরে যায় খেলা। নাগপুরে ৩ হাজার ২৭১ ভোটে বিজেপির সুধাকর কোলেকে পরাজিত করেন কংগ্রেসের অভিজিৎ ওয়াঞ্জারি। ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই গেরুয়া শিবিরের মাথায় যে বাজ পড়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

কংগ্রেসকে খোঁচা দেওয়া পোস্ট মুছে ফেলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস। এরপর সেই রাজ্যের মন্ত্রী, তথা বিজেপি নেতা, চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে বলেছেন, “আমরা বহু চেষ্টা করেছি। দলীয় কর্মীরা ভোটারদের সঙ্গে দেখা করেছেন। কিন্তু নিশ্চয়ই কোথাও খামতি থেকে গিয়েছে। আমরা এই হার নিয়ে আত্মসমীক্ষা করব, খতিয়ে দেখব।” জোটসঙ্গী শিব সেনা আদৌ সমর্থন করেছিলেন কিনা, সেই অভিযোগ সরাসরি শিকার না করলেও উড়িয়েও দেননি চন্দ্রশেখর। তাঁর বক্তব্য, “কাউকে দোষ দেব না। কিন্তু দেখতে হবে মহাজুটির কোন শরিক জোটের প্রার্থীর হয়ে কাজ করেননি।”

প্রসঙ্গত, নাগপুরে ধাক্কা খাবার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের অন্যতম স্পর্শকাতর লোকসভা কেন্দ্র, তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বারানসীতেও ধাক্কা খেয়েছে পদ্ম শিবিরের। সেখানকার দুটি বিধান পরিষদ আসনেই জয় পেয়েছে সমাজবাদী পার্টি। বছর ঘুরলেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই পরাজয় যে যোগী আদিত্যনাথের সরকারকে বেশ ভাবাচ্ছে, তা বলাই যায়। শুধু তাই নয়, বিহারেও খুব একটা ভালো ফল করতে সফল হয়নি বিজেপি। এবার দেখার বিষয়, পরিস্থিতি সামাল দিতে কি পরিকল্পনা তাদের।

নাগপুরে পরাজয়ের নেপথ্যে শিব সেনার ষড়যন্ত্র? তদন্তে নামবে বিজেপি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নাগপুরে পরাজয়ের নেপথ্যে শিব সেনার ষড়যন্ত্র? তদন্তে নামবে বিজেপি

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার

দেবজিৎ মুখার্জি: আপাত দৃষ্টিতে বিধান পরিষদ নির্বাচন গুরুত্বহীন হলেও সঙ্ঘ পরিবারের শক্তঘাঁটি নাগপুরে কংগ্রেসের জয় হইচই ফেলে দিয়েছে সমগ্র জাতীয় রাজনৈতিক মহলে। এদিকে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে গোটা গেরুয়া শিবির। এই পরাজয়ের নেপথ্যে কী? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবার তদন্তে নামবে বিজেপি। শিব সেনার ষড়যন্ত্রও কাজ করেছে কিনা, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে।

বুধবার, ৪ রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদের আসনে ভোটগণনা চলাকালীন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপির অন্য নেতারা খোঁচা দিয়েছিলেন কংগ্রেসকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হাত শিবিরকে খোঁচা দিয়ে সমাজমাধ্যমে বলেন, “ভোট তো ব্যালটে হয়েছিল, কটা আসন জিতলেন?” তবে রাত পোহাতেই ঘুরে যায় খেলা। নাগপুরে ৩ হাজার ২৭১ ভোটে বিজেপির সুধাকর কোলেকে পরাজিত করেন কংগ্রেসের অভিজিৎ ওয়াঞ্জারি। ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই গেরুয়া শিবিরের মাথায় যে বাজ পড়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

কংগ্রেসকে খোঁচা দেওয়া পোস্ট মুছে ফেলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস। এরপর সেই রাজ্যের মন্ত্রী, তথা বিজেপি নেতা, চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে বলেছেন, “আমরা বহু চেষ্টা করেছি। দলীয় কর্মীরা ভোটারদের সঙ্গে দেখা করেছেন। কিন্তু নিশ্চয়ই কোথাও খামতি থেকে গিয়েছে। আমরা এই হার নিয়ে আত্মসমীক্ষা করব, খতিয়ে দেখব।” জোটসঙ্গী শিব সেনা আদৌ সমর্থন করেছিলেন কিনা, সেই অভিযোগ সরাসরি শিকার না করলেও উড়িয়েও দেননি চন্দ্রশেখর। তাঁর বক্তব্য, “কাউকে দোষ দেব না। কিন্তু দেখতে হবে মহাজুটির কোন শরিক জোটের প্রার্থীর হয়ে কাজ করেননি।”

প্রসঙ্গত, নাগপুরে ধাক্কা খাবার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের অন্যতম স্পর্শকাতর লোকসভা কেন্দ্র, তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বারানসীতেও ধাক্কা খেয়েছে পদ্ম শিবিরের। সেখানকার দুটি বিধান পরিষদ আসনেই জয় পেয়েছে সমাজবাদী পার্টি। বছর ঘুরলেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই পরাজয় যে যোগী আদিত্যনাথের সরকারকে বেশ ভাবাচ্ছে, তা বলাই যায়। শুধু তাই নয়, বিহারেও খুব একটা ভালো ফল করতে সফল হয়নি বিজেপি। এবার দেখার বিষয়, পরিস্থিতি সামাল দিতে কি পরিকল্পনা তাদের।