০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জংশনে মাদক চক্রে পুলিশের হানা, ৭৯০ গ্রাম ব্রাউন শুগারসহ গ্রেফতার ৩

শিলিগুড়ি: মাদকবিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল শিলিগুড়ির প্রধাননগর থানার পুলিশ। জংশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭৯০ গ্রাম ব্রাউন শুগার উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে তিনজনকে। ধৃতরা হলেন অঞ্জলি কর্মকার (৩৫), সাধন রায় (৩৫) এবং কনক বর্মন (২৬)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অঞ্জলি কর্মকার ও সাধন রায় স্বামী-স্ত্রী। কনক বর্মন তাঁদের সহযোগী বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রধাননগর থানার সাদা পোশাকের পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, জংশন এলাকায় মাদক সরবরাহের উদ্দেশ্যে কয়েকজন আসতে চলেছে। সেই খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ৭৯০ গ্রাম ব্রাউন শুগার উদ্ধার হয়।
অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন প্রধাননগর থানার আইসি বাসুদেব সরকার এবং এসিপি সাজিদ ইকবাল। পুলিশের দাবি, ধৃত তিনজনই দক্ষিণ দিনাজপুরের বাসিন্দা এবং শিলিগুড়িতে মাদক সরবরাহের উদ্দেশ্যেই এসেছিল।
মাদকের উৎস এবং এর পিছনে কোনও বড় সরবরাহ চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রধাননগর থানার পুলিশ।

জগৎবল্লভপুরে কংগ্রেসের বিডিও অভিযান, জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুতুল দাহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জংশনে মাদক চক্রে পুলিশের হানা, ৭৯০ গ্রাম ব্রাউন শুগারসহ গ্রেফতার ৩

আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার
শিলিগুড়ি: মাদকবিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল শিলিগুড়ির প্রধাননগর থানার পুলিশ। জংশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭৯০ গ্রাম ব্রাউন শুগার উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে তিনজনকে। ধৃতরা হলেন অঞ্জলি কর্মকার (৩৫), সাধন রায় (৩৫) এবং কনক বর্মন (২৬)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অঞ্জলি কর্মকার ও সাধন রায় স্বামী-স্ত্রী। কনক বর্মন তাঁদের সহযোগী বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রধাননগর থানার সাদা পোশাকের পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, জংশন এলাকায় মাদক সরবরাহের উদ্দেশ্যে কয়েকজন আসতে চলেছে। সেই খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ৭৯০ গ্রাম ব্রাউন শুগার উদ্ধার হয়।
অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন প্রধাননগর থানার আইসি বাসুদেব সরকার এবং এসিপি সাজিদ ইকবাল। পুলিশের দাবি, ধৃত তিনজনই দক্ষিণ দিনাজপুরের বাসিন্দা এবং শিলিগুড়িতে মাদক সরবরাহের উদ্দেশ্যেই এসেছিল।
মাদকের উৎস এবং এর পিছনে কোনও বড় সরবরাহ চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রধাননগর থানার পুলিশ।