নতুন গতি প্রতিবেদন, জলপাইগুড়ি: আলিপুরদুয়ারের মাদক কারবারিদের এখন অন্যতম নিশানা ধূপগুড়ি। মাসখানেক আগে একটি হোটেলে মাদক কারবারিদের খোঁজে হানা দেয় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ এবং ৫ জনকে গ্রেপ্তারও করে। তাঁরা সকলেই আলিপুরদুয়ার জেলার পশ্চিম ফালাকাটার বাসিন্দা এবং তাঁদের থেকে মিলেছে ব্রাউন সুগার। এখানেই শেষ নয়, পড়ে অভিযান চালিয়ে আলিপুরদুয়ারের নানা যোগ পেয়েছে পুলিশ। এরপর থেকেই শহর ও গ্রামীণ এলাকার হোটেলগুলিতে পুলিশের তরফ থেকে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং যাবতীয় সব বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
যদিও দেখা গিয়েছে, একাধিক গ্রামীণ এলাকাতেও লজ বা হোটেল গজিয়ে উঠলেও তাদের থেকে লাগাতার কোনও তথ্যই পুলিশ নিয়মিত পাচ্ছে না। জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেছেন, “সবকিছুর ওপরই নজরদারি চালানো হচ্ছে। নির্দিষ্ট তথ্য পেলেই অভিযান চালানো হবে। একইসঙ্গে কারা পেডলার, তা নিয়ে এখনই প্রকাশ্যে কিছু বলা যাবে না।”
সূত্রের খবর, ধূপগুড়ি শহর করিডর হিসেবেই ব্যবহৃত হচ্ছে ড্রাগ পেডলারদের দ্বারা। তারা নেশার জিনিসগুলি মালদা জেলা বা আশপাশের এলাকা থেকে জোগাড় করে ট্রেনে-বাসে নিয়ে আসে ধূপগুড়িতে। সেখানে হোটেলে এক-দু’দিন থেকে ঘুরে বেরিয়ে কোথায় কারা কী ধরনের নেশা করছে, সেই বিষয়ে খোঁজ নেয়। প্রথমদিকে বিনামূল্যে নেশার জিনিস দেওয়া হয় তরুণদের। পরে তাঁরা পুরোপুরি নেশাগ্রস্ত হয়ে গেলে তাঁদেরকেই পাঠানো হচ্ছে পেডলার হিসাবে। এখনও শহর ও লাগোয়া গ্রামীণ এলাকায় কয়েকজন ব্রাউন সুগারের রমরমা কারবার চালিয়ে যাচ্ছে বলে খবর।
নতুন গতি 



















