১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

আয়ুষ্মানে বিনামূল্যে গলব্লাডার অপারেশন, নতুন আশায় নগেন

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 21
ধূপগুড়ি: ২০২৩ সালে গলব্লাডারে পাথর ধরা পড়লেও অর্থাভাবে অস্ত্রোপচার করাতে পারেননি ধূপগুড়ির আদিবাসী যুবক নগেন ভগত। তাঁর দাবি, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে একাধিক জায়গায় যোগাযোগ করেও সে সময় চিকিৎসার সুযোগ পাননি। অবশেষে চলতি মাসে আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের আওতায় জলপাইগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাঁর গলব্লাডারের অস্ত্রোপচার হয়েছে।
ধূপগুড়ি ব্লকের ঝাড় আলতা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য খট্টিমারি এলাকার বাসিন্দা ৩৬ বছরের নগেন পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক। স্ত্রী ও চার বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে তাঁর সংসার। ২০২৩ সালে মুম্বইয়ে কাজ করার সময় তীব্র পেটের ব্যথা শুরু হলে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। খরচ প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা হওয়ায় তা জোগাড় করতে পারেননি তিনি। পরে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় কোনওরকমে ব্যথা সামলে ফের কাজে চলে যান।
সম্প্রতি স্থানীয় আশা কর্মীরা তাঁর শারীরিক সমস্যার কথা জানতে পেরে উদ্যোগী হন। আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের ব্যবস্থা করে জলপাইগুড়ির টাচ নার্সিংহোমে চিকিৎসার সুযোগ করে দেওয়া হয়। জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজের জেনারেল সার্জন চিকিৎসক সপ্তর্ষি মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগের পর অস্ত্রোপচার হয়।
বর্তমানে বাড়িতে রয়েছেন নগেন। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রায় এক মাস বিশ্রামে থাকতে হবে। তাঁর আশা, সুস্থ হয়ে ফের কাজে ফিরবেন। পাশাপাশি আবাস যোজনায় ঘর পাওয়ারও প্রত্যাশা করছেন তিনি।

ফুড ইন্সপেক্টরহীন ময়নাগুড়ি পুরসভা, খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আয়ুষ্মানে বিনামূল্যে গলব্লাডার অপারেশন, নতুন আশায় নগেন

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
ধূপগুড়ি: ২০২৩ সালে গলব্লাডারে পাথর ধরা পড়লেও অর্থাভাবে অস্ত্রোপচার করাতে পারেননি ধূপগুড়ির আদিবাসী যুবক নগেন ভগত। তাঁর দাবি, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে একাধিক জায়গায় যোগাযোগ করেও সে সময় চিকিৎসার সুযোগ পাননি। অবশেষে চলতি মাসে আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের আওতায় জলপাইগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাঁর গলব্লাডারের অস্ত্রোপচার হয়েছে।
ধূপগুড়ি ব্লকের ঝাড় আলতা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য খট্টিমারি এলাকার বাসিন্দা ৩৬ বছরের নগেন পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক। স্ত্রী ও চার বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে তাঁর সংসার। ২০২৩ সালে মুম্বইয়ে কাজ করার সময় তীব্র পেটের ব্যথা শুরু হলে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। খরচ প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা হওয়ায় তা জোগাড় করতে পারেননি তিনি। পরে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় কোনওরকমে ব্যথা সামলে ফের কাজে চলে যান।
সম্প্রতি স্থানীয় আশা কর্মীরা তাঁর শারীরিক সমস্যার কথা জানতে পেরে উদ্যোগী হন। আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের ব্যবস্থা করে জলপাইগুড়ির টাচ নার্সিংহোমে চিকিৎসার সুযোগ করে দেওয়া হয়। জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজের জেনারেল সার্জন চিকিৎসক সপ্তর্ষি মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগের পর অস্ত্রোপচার হয়।
বর্তমানে বাড়িতে রয়েছেন নগেন। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রায় এক মাস বিশ্রামে থাকতে হবে। তাঁর আশা, সুস্থ হয়ে ফের কাজে ফিরবেন। পাশাপাশি আবাস যোজনায় ঘর পাওয়ারও প্রত্যাশা করছেন তিনি।