নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস ঘিরে ফের প্রকাশ্যে দুই তৃণমূল শিবিরের টানাপোড়েন। আগামী ২৮ অগস্ট মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে একই দিনে এবং একই সময়ে প্রতিষ্ঠা দিবসের কর্মসূচি করতে চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবির। সোমবার বিষয়টি কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে উত্থাপন করেন মমতা-শিবিরের আইনজীবী। দ্রুত শুনানির আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।
প্রতি বছর মেয়ো রোডেই টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের মূল অনুষ্ঠান করে তৃণমূল। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ বদলে যাওয়ায় এ বার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির থেকে পৃথক হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আর একটি শিবির তৈরি হয়েছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূলের বৈধ রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী বলে দাবি করছে।
এই পরিস্থিতিতে মমতা-শিবির গত ২৭ জুলাই মেয়ো রোডে টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। পরে ঋতব্রত শিবিরও একই স্থান ও সময়ে কর্মসূচির অনুমতি চায়। ফলে একই জায়গায় দুই পক্ষের কর্মসূচি ঘিরে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালন নিয়েও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই সময় আদালত দুই শিবিরকে পৃথক জায়গায় কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছিল। ঋতব্রত শিবির মেয়ো রোডে এবং মমতা-শিবির ক্যাথিড্রাল রোডে কর্মসূচি করার অনুমতি পেয়েছিল। পাশাপাশি লোকসংখ্যা ও সময় নিয়েও একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছিল।
এবার টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসেও আদালত দুই শিবিরকে আলাদা জায়গায় কর্মসূচির অনুমতি দেয় কি না, নাকি একই জায়গায় অনুষ্ঠান নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা করে—সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। মঙ্গলবারের শুনানির পরই বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে।
নতুন গতি 























