১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

মেদিনীপুরে বামেদের আইন অমান্য, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

নতুন গতি প্রতিবেদন,মেদিনীপুর: কাজের অধিকার, গণতন্ত্র, সমতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মেদিনীপুর শহরে আইন অমান্য আন্দোলনে নামল বামপন্থী ছাত্র, যুব, মহিলা, শ্রমিক ও কৃষক সংগঠনগুলি। সোমবারের কর্মসূচিকে ঘিরে শহরে উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন বিদ্যাসাগর হল প্রাঙ্গণ থেকে বামেদের একটি বিশাল মিছিল বের হয়। ছাত্র, যুব, মহিলা, শ্রমিক ও কৃষক সংগঠনের বহু কর্মী-সমর্থক মিছিলে অংশ নেন। বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে দিতে মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে কালেক্টরেটের দিকে এগিয়ে যায়। কালেক্টরেটের মূল গেটে পৌঁছে আন্দোলনকারীরা ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে আগে থেকেই মোতায়েন পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি ও ঠেলাঠেলি চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আইন অমান্য করে এগোনোর অভিযোগে একাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। বামেদের দাবি, প্রায় ১০ হাজার আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁদের জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর বাম নেতৃত্বের একটি প্রতিনিধি দল জেলাশাসকের দপ্তরে গিয়ে লিখিত ডেপুটেশন জমা দেয়। কাজের অধিকার নিশ্চিত করা, গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়। দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাম নেতৃত্ব। কর্মসূচিকে ঘিরে শহরে যান চলাচলেও সাময়িক প্রভাব পড়ে।

মমতার উপর হামলার অভিযোগে সরব এসডিপিআই, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেদিনীপুরে বামেদের আইন অমান্য, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

আপডেট : ১১ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার
নতুন গতি প্রতিবেদন,মেদিনীপুর: কাজের অধিকার, গণতন্ত্র, সমতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মেদিনীপুর শহরে আইন অমান্য আন্দোলনে নামল বামপন্থী ছাত্র, যুব, মহিলা, শ্রমিক ও কৃষক সংগঠনগুলি। সোমবারের কর্মসূচিকে ঘিরে শহরে উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন বিদ্যাসাগর হল প্রাঙ্গণ থেকে বামেদের একটি বিশাল মিছিল বের হয়। ছাত্র, যুব, মহিলা, শ্রমিক ও কৃষক সংগঠনের বহু কর্মী-সমর্থক মিছিলে অংশ নেন। বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে দিতে মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে কালেক্টরেটের দিকে এগিয়ে যায়। কালেক্টরেটের মূল গেটে পৌঁছে আন্দোলনকারীরা ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে আগে থেকেই মোতায়েন পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি ও ঠেলাঠেলি চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আইন অমান্য করে এগোনোর অভিযোগে একাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। বামেদের দাবি, প্রায় ১০ হাজার আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁদের জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর বাম নেতৃত্বের একটি প্রতিনিধি দল জেলাশাসকের দপ্তরে গিয়ে লিখিত ডেপুটেশন জমা দেয়। কাজের অধিকার নিশ্চিত করা, গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়। দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাম নেতৃত্ব। কর্মসূচিকে ঘিরে শহরে যান চলাচলেও সাময়িক প্রভাব পড়ে।