১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

বামেদের আইন অমান্য আন্দোলন: সিউড়িতে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, গ্রেপ্তার প্রায় ২০

খান আরশাদ, সিউড়ি:

২০০ দিনের কাজ, দৈনিক ৭০০ টাকা মজুরি এবং ফসলের আইনি ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের দাবিতে সিউড়িতে বীরভূম জেলা বামফ্রন্টের উদ্যোগে এক বিশাল আইন অমান্য ও জেলভরো কর্মসূচি পালিত হয়। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা সংকটে পড়েছে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।
সিউড়ির রেডক্রশ এলাকা থেকে লালঝান্ডা হাতে হাজার হাজার বাম কর্মী সমর্থকেরা একটি মিছিল করেন। মিছিলটি শহরের মূল সড়কে প্রবেশ করলে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পুলিশ নির্দিষ্ট পয়েন্টে ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে। সিআইটিইউ জেলা সম্পাদক দীপঙ্কর চক্রবর্তী এবং মহিলা নেত্রী কেনিজ রবিউল ফতেমা সহ প্রায় কুড়িজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে বামফ্রন্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পরও আন্দোলন থামেনি; বরং পুলিশি ব্যারিকেডের সামনে রাস্তায় বসে পড়ে তীব্র স্লোগান ও প্রতিবাদ চালান বাকি কর্মীরা।
উল্লেখ্য: এদিনের কর্মসূচিতে পলিট ব্যুরোর সদস্য ডক্টর রামচন্দ্র ডোম ও সিপিআইএম জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষের মতো প্রবীণ গণআন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাম নেতৃত্বের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—সাধারণ মানুষের মৌলিক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন জারি থাকবে।

বামেদের আইন অমান্য আন্দোলন: সিউড়িতে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, গ্রেপ্তার প্রায় ২০

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বামেদের আইন অমান্য আন্দোলন: সিউড়িতে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, গ্রেপ্তার প্রায় ২০

আপডেট : ১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার

খান আরশাদ, সিউড়ি:

২০০ দিনের কাজ, দৈনিক ৭০০ টাকা মজুরি এবং ফসলের আইনি ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের দাবিতে সিউড়িতে বীরভূম জেলা বামফ্রন্টের উদ্যোগে এক বিশাল আইন অমান্য ও জেলভরো কর্মসূচি পালিত হয়। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের জনবিরোধী নীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা সংকটে পড়েছে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।
সিউড়ির রেডক্রশ এলাকা থেকে লালঝান্ডা হাতে হাজার হাজার বাম কর্মী সমর্থকেরা একটি মিছিল করেন। মিছিলটি শহরের মূল সড়কে প্রবেশ করলে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পুলিশ নির্দিষ্ট পয়েন্টে ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে। সিআইটিইউ জেলা সম্পাদক দীপঙ্কর চক্রবর্তী এবং মহিলা নেত্রী কেনিজ রবিউল ফতেমা সহ প্রায় কুড়িজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে বামফ্রন্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পরও আন্দোলন থামেনি; বরং পুলিশি ব্যারিকেডের সামনে রাস্তায় বসে পড়ে তীব্র স্লোগান ও প্রতিবাদ চালান বাকি কর্মীরা।
উল্লেখ্য: এদিনের কর্মসূচিতে পলিট ব্যুরোর সদস্য ডক্টর রামচন্দ্র ডোম ও সিপিআইএম জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষের মতো প্রবীণ গণআন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাম নেতৃত্বের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—সাধারণ মানুষের মৌলিক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন জারি থাকবে।