১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

বুদ্ধিজীবীদের মাথায় ডিম মারার নিদান দিলেন দিলীপ ঘোষ

কলকাতা: বিজেপির নতুন সংস্কৃতির একটা অঙ্গ হলো ‘ডিম থেরাপি’- যা মোটেই শুভ কাজ নয়। আজ আবার সেই ডিম থেরাপির কথাই বললেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তবে বিরোধী রাজনৈতিক দলের মানুষদের নয়, বুদ্ধিজীবীদের। সকালে জমা বিকেলে খরচ’ ঠিক যা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বারুইপুরের ঘটনায় সেই কাজই করলেন। নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এক অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করে পুলিশ। আর এই খবর শোনার পরই খুশি নির্যাতিতার পরিবার। তবে, একই সঙ্গে নানাবিধ যুক্তি খাড়া করে এনকাউন্টারের বিরুদ্ধেও মুখ খুলেছেন অনেকে। বিশেষ করে সরব হতে দেখা গিয়েছিল সিপিএম আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা। এবার তাঁদেরই উদ্দেশে বার্তা দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ বলেন, “এরা সমাজ বিরোধী। এই যে অপরাধ বেড়েছে সমাজে এর পিছনে কমিউনিস্টরা বুদ্ধিজীবীরা চিরদিন দাঁড়িয়েছে। এরা নিজের ইমেজ আর নাম ছাড়া চায় না। যখন অপরাধ হয়েছে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন, আবার অপরাধী সাজা পেলে তার বিরুদ্ধেও আন্দোলন।” এখানে উল্লেখ্য, বিকাশ ভট্টাচার্য এই এনকাউন্টার নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তুলেছিলেন প্রশ্ন। এমনকী, ডিম ছোড়ার যে সংস্কৃতি বাংলায় তৈরি হয়েছে তার বিরুদ্ধেও সরব হন।

অপরদিকে এনকাউন্টার নিয়ে মুখ খোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তীব্র নিন্দা করেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁদের মাথায় ডিম ছুড়তে বললেন দিলীপ। এ দিন বিজেপি এই মন্ত্রীর নিদান, “ডিম এই সব বুদ্ধিজীবীদের মাথায় ভাঙুন। এদের বুঝিয়ে দিন। অপরাধী এবং অপরাধের পাশে দাঁড়ানো এইসব মানুষকে সমান ট্রিটমেন্ট দিন।” এখানে উল্লেখ্য, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বারেবারে ডিম ছোড়া নিয়ে দলের কর্মীদের সতর্ক করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই সংস্কৃতিকে সমর্থন করে না বিজেপি। তারপরও নিচু তলার বিজেপি কর্মীরা সেই কথা শুনছেন না তা একপ্রকার স্পষ্ট প্রতিদিনের ঘটনায়। কিন্তু দিলীপের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে শমীকের থেকে ভিন্ন মত পোষণ করছেন তিনি।

সর্বাধিক পাঠিত

বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথমবার হাফটাইম শো, মঞ্চ মাতাবেন যারা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বুদ্ধিজীবীদের মাথায় ডিম মারার নিদান দিলেন দিলীপ ঘোষ

আপডেট : ৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার

কলকাতা: বিজেপির নতুন সংস্কৃতির একটা অঙ্গ হলো ‘ডিম থেরাপি’- যা মোটেই শুভ কাজ নয়। আজ আবার সেই ডিম থেরাপির কথাই বললেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তবে বিরোধী রাজনৈতিক দলের মানুষদের নয়, বুদ্ধিজীবীদের। সকালে জমা বিকেলে খরচ’ ঠিক যা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বারুইপুরের ঘটনায় সেই কাজই করলেন। নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এক অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করে পুলিশ। আর এই খবর শোনার পরই খুশি নির্যাতিতার পরিবার। তবে, একই সঙ্গে নানাবিধ যুক্তি খাড়া করে এনকাউন্টারের বিরুদ্ধেও মুখ খুলেছেন অনেকে। বিশেষ করে সরব হতে দেখা গিয়েছিল সিপিএম আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা। এবার তাঁদেরই উদ্দেশে বার্তা দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ বলেন, “এরা সমাজ বিরোধী। এই যে অপরাধ বেড়েছে সমাজে এর পিছনে কমিউনিস্টরা বুদ্ধিজীবীরা চিরদিন দাঁড়িয়েছে। এরা নিজের ইমেজ আর নাম ছাড়া চায় না। যখন অপরাধ হয়েছে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন, আবার অপরাধী সাজা পেলে তার বিরুদ্ধেও আন্দোলন।” এখানে উল্লেখ্য, বিকাশ ভট্টাচার্য এই এনকাউন্টার নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তুলেছিলেন প্রশ্ন। এমনকী, ডিম ছোড়ার যে সংস্কৃতি বাংলায় তৈরি হয়েছে তার বিরুদ্ধেও সরব হন।

অপরদিকে এনকাউন্টার নিয়ে মুখ খোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তীব্র নিন্দা করেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁদের মাথায় ডিম ছুড়তে বললেন দিলীপ। এ দিন বিজেপি এই মন্ত্রীর নিদান, “ডিম এই সব বুদ্ধিজীবীদের মাথায় ভাঙুন। এদের বুঝিয়ে দিন। অপরাধী এবং অপরাধের পাশে দাঁড়ানো এইসব মানুষকে সমান ট্রিটমেন্ট দিন।” এখানে উল্লেখ্য, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বারেবারে ডিম ছোড়া নিয়ে দলের কর্মীদের সতর্ক করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই সংস্কৃতিকে সমর্থন করে না বিজেপি। তারপরও নিচু তলার বিজেপি কর্মীরা সেই কথা শুনছেন না তা একপ্রকার স্পষ্ট প্রতিদিনের ঘটনায়। কিন্তু দিলীপের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে শমীকের থেকে ভিন্ন মত পোষণ করছেন তিনি।