নিউজ ডেস্ক: বাংলার প্রায় সর্বত্র চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্রাকটিসের অভ্যাস আছে। এরা অনেকেই খুবই বেআইনিভাবে এই কাজ করেন। এবার কঠোর হাতে তা দমন করার কার শুরু করলো সরকার। সাতজন চিকিৎসককে শোকজ করল মুর্শিদাবাদ মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে। সেই নোটিস পেয়ে সাতজনের মধ্যে ৬ জন ইতিমধ্যে উত্তর দিয়েছেন। সূত্রের খবর, উত্তর সন্তোষজনক না হওয়ায় বিষয়টি স্বাস্থ্য ভবনকে জানানো হয়েছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একজন আধিকারিক জানান, হাসপাতালের রেসিডেন্ট মেডিক্যাল অফিসার এবং চুক্তিতে আবদ্ধ সিনিয়র রেসিডেন্টদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার অনুমতি নেই। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই ধরনের প্রায় চল্লিশ জন চিকিৎসক রয়েছেন। প্রাইভেট প্র্যাকটিস করবেন না কোনও সরকারি চিকিৎসক, এই মর্মে সম্মতি দিলে তাঁকে বিশেষ ভাতা দেয় স্বাস্থ্য দফতর। সেই টাকা নেওয়ার পরও কোনও চিকিৎসক প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।
অভিযোগ ওঠে, বিশেষ ভাতা নেওয়ার পরও মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের ৭ চিকিৎসক প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন। সূত্রের খবর, ওই চিকিৎসকরা বেশিরভাগ বহরমপুর শহর কিংবা শহরের বাইরে গিয়ে প্রাইভেটে প্র্যাকটিস করেন। জটিলতা এড়াতে নিজেদের সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার করে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসকদের বেআইনি প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ করতে কড়া অবস্থান নিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, ডিউটির সময়ও কয়েকজন চিকিৎসককে হাসপাতালে পাওয়া যায় না। তাঁরা বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোম কিংবা ব্যক্তিগত চেম্বারের রোগী দেখতে ব্যস্ত থাকেন। ফলে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা যথাযথ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের কাছে আসা তথ্যের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।
নতুন গতি 




















