০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

জ্বালানি তেলের গভীর সংকট রাশিয়ায়, স্বীকার করলেন পুতিন

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকে জ্বালানি তেল বিক্রি করা রাশিয়া নিজেই ভুগছে জ্বালানি সংকটে! শুনতে অবাক লাগলেও যুদ্ধের জেরে এমনই গুরুতর অবস্থা রাশিয়ার। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করে নিয়েছেন ইউক্রেনের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যার জেরে ঘাটতি দেখা দিয়েছে পেট্রল-ডিজেলের। এই অবস্থায় রপ্তানিতে রাশ টানার পাশাপাশি তেল স্থাপনাগুলির নিরাপত্তা বাড়ানো ও উৎপাদন বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। সাম্প্রতিক

সময়ে রাশিয়ায় ড্রোন হামলার ঝাঁজ আরও বাড়িয়েছে ইউক্রেন। টার্গেট করা হচ্ছে রুশ সামরিক ঘাঁটি ও জ্বালানি কেন্দ্রগুলিকে। রবিবার টেলিগ্রামে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি লেখেন, ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন দুটি রুশ তেল শোধনাগারকে টার্গেট করেছে। যার জেরে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের তরফের প্রতিটি হামলা রাশিয়ার আগ্রাসনকে দুর্বল করা এবং শান্তির পথে আরও একধাপ।’

বলার অপেক্ষা রাখে না ইউক্রেনের এই হামলা রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। সেখানকার বহু প্রদেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি চরম আকার নিয়েছে। পেট্রল পাম্প গুলিতে দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন। এই অবস্থায় জ্বালানি বিতরণের সীমা বেঁধে দিয়েছে মস্কো। সোমবার এই জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করে নিয়ে শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে পুতিন জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়া জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। দেশজুড়ে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি টাস্ক ফোর্স কাজ করছে। পুতিন আরও বলেন, তেল স্থাপনাগুলিতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার প্রভাব কমাতে হবে। এটাই জ্বালানি ঘাটতির মূল কারণ। এই জ্বালানি সংকট দেশের গাড়ি চালক ও ব্যবসায়ীদের প্রভাবিত করছে। গ্যাস স্টেশনগুলোতেও লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ভালো মানের পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে না।

তাড়াতাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জ্বালানি তেলের গভীর সংকট রাশিয়ায়, স্বীকার করলেন পুতিন

আপডেট : ১ জুলাই ২০২৬, বুধবার

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকে জ্বালানি তেল বিক্রি করা রাশিয়া নিজেই ভুগছে জ্বালানি সংকটে! শুনতে অবাক লাগলেও যুদ্ধের জেরে এমনই গুরুতর অবস্থা রাশিয়ার। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করে নিয়েছেন ইউক্রেনের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যার জেরে ঘাটতি দেখা দিয়েছে পেট্রল-ডিজেলের। এই অবস্থায় রপ্তানিতে রাশ টানার পাশাপাশি তেল স্থাপনাগুলির নিরাপত্তা বাড়ানো ও উৎপাদন বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। সাম্প্রতিক

সময়ে রাশিয়ায় ড্রোন হামলার ঝাঁজ আরও বাড়িয়েছে ইউক্রেন। টার্গেট করা হচ্ছে রুশ সামরিক ঘাঁটি ও জ্বালানি কেন্দ্রগুলিকে। রবিবার টেলিগ্রামে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি লেখেন, ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন দুটি রুশ তেল শোধনাগারকে টার্গেট করেছে। যার জেরে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের তরফের প্রতিটি হামলা রাশিয়ার আগ্রাসনকে দুর্বল করা এবং শান্তির পথে আরও একধাপ।’

বলার অপেক্ষা রাখে না ইউক্রেনের এই হামলা রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। সেখানকার বহু প্রদেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি চরম আকার নিয়েছে। পেট্রল পাম্প গুলিতে দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন। এই অবস্থায় জ্বালানি বিতরণের সীমা বেঁধে দিয়েছে মস্কো। সোমবার এই জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করে নিয়ে শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে পুতিন জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়া জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। দেশজুড়ে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি টাস্ক ফোর্স কাজ করছে। পুতিন আরও বলেন, তেল স্থাপনাগুলিতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার প্রভাব কমাতে হবে। এটাই জ্বালানি ঘাটতির মূল কারণ। এই জ্বালানি সংকট দেশের গাড়ি চালক ও ব্যবসায়ীদের প্রভাবিত করছে। গ্যাস স্টেশনগুলোতেও লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ভালো মানের পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে না।