৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

ভেনেজুয়েলার দুই দৃশ্য, ভূমিকম্পের আগে ও পরে

নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুটি ভূমিকম্পে কার্যত মৃত্যুপুরী ভেনেজুয়েলা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্যারিবিয়ান সমুদ্রবর্তী শহর লা গুয়াইরা। পরপর দুটি ভূমিকম্প ও তার সঙ্গে একের পর এক ‘আফটার শকে’ একটা আস্ত শহরের মানচিত্রটাই যে কার্যত বদলে গিয়েছে, শিউরে ওঠার মতো ছবি ধরা পড়ল উপগ্রহচিত্রে। ছবিটি চলতি বছরের ২২ জুনের। উপগ্রহচিত্রে দেখা যাচ্ছে, কংক্রিট ও সবুজের মিশেলে ঝাঁ চকচকে শহর। উঁচু উঁচু বিল্ডিং, রাস্তাঘাট নিয়ে সম্পূর্ণ সাজানো। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে সম্পূর্ণ বদলে গেলে ছবিটা। ২৫ জুনের উপগ্রহচিত্রে দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকটি ইমারত কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। বেশ কয়েকটি বিল্ডিং আধভাঙা। গাছপালার অস্তিত্ব নেই বললেই চলে।

ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, গত কয়েক শতাব্দীতে ভেনেজুয়েলায় যত ভূমিকম্প হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ও মারাত্মক রূপ নিয়েছে এই ভূমিকম্প। লা গুয়াইরা থেকে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের উত্তরাংশে ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি। ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। মাথার ছাদ হারিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় দিন কাটাচ্ছেন। মৃতের সংখ্যা শেষপর্যন্ত লক্ষেও পৌঁছতে পারে সেই আশঙ্কাও রয়েছে। তবে এরই মধ্যে অভিযোগ, সরকার উদ্ধারকাজে কাঙ্ক্ষিত দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে পারছে না। ধ্বংস্তূপের আড়ালে থাকা দেহ উদ্ধার করতে হাত লাগিয়েছেন সাধারণ নাগরিকরাও। সর্বত্র হাহাকার আর শোকের গাঢ় ছায়া! ভেঙে পড়া ইমারতের আশপাশে প্রিয়জনকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন বহু মানুষ।

এভাবেও ফিরে আসা যায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভেনেজুয়েলার দুই দৃশ্য, ভূমিকম্পের আগে ও পরে

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুটি ভূমিকম্পে কার্যত মৃত্যুপুরী ভেনেজুয়েলা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্যারিবিয়ান সমুদ্রবর্তী শহর লা গুয়াইরা। পরপর দুটি ভূমিকম্প ও তার সঙ্গে একের পর এক ‘আফটার শকে’ একটা আস্ত শহরের মানচিত্রটাই যে কার্যত বদলে গিয়েছে, শিউরে ওঠার মতো ছবি ধরা পড়ল উপগ্রহচিত্রে। ছবিটি চলতি বছরের ২২ জুনের। উপগ্রহচিত্রে দেখা যাচ্ছে, কংক্রিট ও সবুজের মিশেলে ঝাঁ চকচকে শহর। উঁচু উঁচু বিল্ডিং, রাস্তাঘাট নিয়ে সম্পূর্ণ সাজানো। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে সম্পূর্ণ বদলে গেলে ছবিটা। ২৫ জুনের উপগ্রহচিত্রে দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকটি ইমারত কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। বেশ কয়েকটি বিল্ডিং আধভাঙা। গাছপালার অস্তিত্ব নেই বললেই চলে।

ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, গত কয়েক শতাব্দীতে ভেনেজুয়েলায় যত ভূমিকম্প হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ও মারাত্মক রূপ নিয়েছে এই ভূমিকম্প। লা গুয়াইরা থেকে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের উত্তরাংশে ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি। ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। মাথার ছাদ হারিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় দিন কাটাচ্ছেন। মৃতের সংখ্যা শেষপর্যন্ত লক্ষেও পৌঁছতে পারে সেই আশঙ্কাও রয়েছে। তবে এরই মধ্যে অভিযোগ, সরকার উদ্ধারকাজে কাঙ্ক্ষিত দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে পারছে না। ধ্বংস্তূপের আড়ালে থাকা দেহ উদ্ধার করতে হাত লাগিয়েছেন সাধারণ নাগরিকরাও। সর্বত্র হাহাকার আর শোকের গাঢ় ছায়া! ভেঙে পড়া ইমারতের আশপাশে প্রিয়জনকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন বহু মানুষ।