হাসান লস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবন লাগোয়া জয়নগরের চালতাবেড়িয়া দারুল সালাম ঈদগাহ মাঠে প্রায় লক্ষাধিক মুসলিম সম্প্রদায় মানুষজন একত্রিত হয়ে সরকারি আইনশৃঙ্খলা মান্যতা দিয়ে পবিত্র ঈদুল আযাহার নামাজে সামিল হলেন। চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের চালতাবেড়িয়া দারুন সালাম ঈদগাহ ময়দানে জয়নগর বিধানসভা ও বারুইপুরের বেশ কিছু এলাকার অসংখ্য মুসলিম সম্প্রদায় মানুষজন একত্রে ঈদগায় মাঠে সরকারি আইনশৃঙ্খলা মেনে ঈদের নামাজ আদায় করেন। ইমাম ছিলেন মাওলানা মোজাম্মেল হক কাসেমী সাহেব।
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুজ্জোহা অর্থাৎ বকরি ঈদ বলা হয়। এর অর্থ হলো ‘ত্যাগের উৎসব’। এই উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল ত্যাগ করা। এই দিনটিতে মুসলমানেরা ফজরের নামাজের পর ঈদগাহে গিয়ে দুই রাক্বাত ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করে ও অব্যবহিত পরে আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ ও উট দুম্বা আল্লাহর নামে কুরবানী করে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে গরু মই ছাড়া অন্যান্য পশু কুরবানী করা হয়। সাম্য, ত্যাগ মানবাধিতার অনন্য বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার গোটা ভারতে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা।
মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব এই দিনটি কোরবানি ঈদ নামে পরিচিত। আরবি জিলহজ মাসে ১০ তারিখে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ভারতের ধর্মপ্রান মুসলমানরা আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার গোটা ভারতে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা। কলকাতা ছাড়াও রাজ্যটির বিভিন্ন জেলাতেও এই দিনটি পালিত হচ্ছে এ উপলক্ষে অন্যরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতায়ন করা হয়েছে। মুসলিমদের কাছে এই দিনটি ত্যাগের। স্বভাবতই নামাজ পাঠের পরই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা নিজেদের সাধ্যমত পশু কোরবানি দেন। পশ্চিমবঙ্গে পশু কোরবানির ক্ষেত্রে গরু ও মহিষ কোরবানির উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকায় বিতর্ক এড়াতে গরুর বদলে ছাগল, দুম্বা কুরবানী দিয়েই ঈদ পালন করেছে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন। কলকাতার সব থেকে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় রেড রোডের পরিবর্তে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে।
নতুন গতি 





























