৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

কলেরার জীবাণু দেখার পর, বন্ধ করা হল একাধিক টিউবওয়েল বাসন্তীতে

 

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাসন্তী:

পানীয় জলের সমস্যা তো ছিলই। এবার সেই সমস্যা আরও বেশি করে প্রকট হল বাসন্তীতে। বাসন্তী ব্লকের অন্তর্গত ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০ নম্বর আমঝাড়া, ১১ নম্বর মাঝিপাড়া গ্রাম সহ আশপাশের মোট তিনটি গ্রামের মানুষের পেটের রোগ দেখা দিয়েছে। নতুন করে আরও চারজন অসুস্থ হয়েছেন বৃহস্পতিবার। অসুস্থদের মল পরীক্ষা করে তাতে কলেরার জীবাণু মিলেছে। পাশাপাশি এলাকার চারটি টিউবওয়েলের জল পরীক্ষা করে কলিফার্ম ব্যাকটেরিয়া ও কলেরার জীবাণুও মিলেছে বলে জানিয়েছে বাসন্তী ব্লক স্বাস্থ্য দফতর। আর সেই কারণে এলাকার চারটি টিউবওয়েল আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। পাশাপাশি পানীয় জলের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন এলাকার মানুষ। যদিও গ্রামবাসীদেরকে পর্যাপ্ত পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে ব্লক প্রশাসনের তরফে। ক্যানিং মহকুমা জনস্বাস্থ্য কারগরি দফতরের তরফে ড্রামে করে জল পাঠানো হচ্ছে গ্রামে। তবে গ্রামবাসীদের দাবি, যে পরিমাণ জল আসছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই কম। তাই গ্রামে জলের জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, গত ২ রা এপ্রিল এলাকার কিছু শিশু ও প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ ডাইরিয়া, বমি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রতিদিনই বাড়তে থাকে আক্রান্তের সংখ্যা। অসুস্থদের বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদেরকে বাসন্তী ব্লক গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে এলাকার পরিস্থিতি ক্ষতিয়ে দেখতে বাসন্তী ব্লক স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে এলাকায় বিশেষ তদন্তকারী দল পাঠানো হয়। আশাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর শুরু করেন। বাড়ি বাড়ি ওআরএস, জিঙ্ক ট্যাবলেট দেওয়া হয়। পাশাপাশি এলাকার মানুষকে পুকুরের জল ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ১০ নম্বর আমঝাড়া সহ আশপাশের দু তিনটি গ্রামের টিউবওয়েলের জল পানের অযোগ্য হয়ে গেছে। কালো জল উঠছে। জলে বেশ কিছু জীবাণু পাওয়া গেছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এই এলাকায় প্রায় ৫০০ পরিবারের বাস। পানীয় জলের টিউবওয়েল অকেজো হয়ে পড়ায় আমরা সমস্যায় পড়েছেন এলাকার মানুষ। সরকারি ভাবে যে জল দেওয়া হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। পুকুরের জলও ব্যবহার করতে পারছেন না বলে দাবি তাদের। ফলে অনেক দূর থেকে জল আনতে হচ্ছে। এই প্রচণ্ড রোদ, গরমে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের।

এভাবেও ফিরে আসা যায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলেরার জীবাণু দেখার পর, বন্ধ করা হল একাধিক টিউবওয়েল বাসন্তীতে

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২৪, শনিবার

 

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাসন্তী:

পানীয় জলের সমস্যা তো ছিলই। এবার সেই সমস্যা আরও বেশি করে প্রকট হল বাসন্তীতে। বাসন্তী ব্লকের অন্তর্গত ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০ নম্বর আমঝাড়া, ১১ নম্বর মাঝিপাড়া গ্রাম সহ আশপাশের মোট তিনটি গ্রামের মানুষের পেটের রোগ দেখা দিয়েছে। নতুন করে আরও চারজন অসুস্থ হয়েছেন বৃহস্পতিবার। অসুস্থদের মল পরীক্ষা করে তাতে কলেরার জীবাণু মিলেছে। পাশাপাশি এলাকার চারটি টিউবওয়েলের জল পরীক্ষা করে কলিফার্ম ব্যাকটেরিয়া ও কলেরার জীবাণুও মিলেছে বলে জানিয়েছে বাসন্তী ব্লক স্বাস্থ্য দফতর। আর সেই কারণে এলাকার চারটি টিউবওয়েল আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। পাশাপাশি পানীয় জলের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন এলাকার মানুষ। যদিও গ্রামবাসীদেরকে পর্যাপ্ত পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে ব্লক প্রশাসনের তরফে। ক্যানিং মহকুমা জনস্বাস্থ্য কারগরি দফতরের তরফে ড্রামে করে জল পাঠানো হচ্ছে গ্রামে। তবে গ্রামবাসীদের দাবি, যে পরিমাণ জল আসছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই কম। তাই গ্রামে জলের জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, গত ২ রা এপ্রিল এলাকার কিছু শিশু ও প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ ডাইরিয়া, বমি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রতিদিনই বাড়তে থাকে আক্রান্তের সংখ্যা। অসুস্থদের বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদেরকে বাসন্তী ব্লক গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে এলাকার পরিস্থিতি ক্ষতিয়ে দেখতে বাসন্তী ব্লক স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে এলাকায় বিশেষ তদন্তকারী দল পাঠানো হয়। আশাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর শুরু করেন। বাড়ি বাড়ি ওআরএস, জিঙ্ক ট্যাবলেট দেওয়া হয়। পাশাপাশি এলাকার মানুষকে পুকুরের জল ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ১০ নম্বর আমঝাড়া সহ আশপাশের দু তিনটি গ্রামের টিউবওয়েলের জল পানের অযোগ্য হয়ে গেছে। কালো জল উঠছে। জলে বেশ কিছু জীবাণু পাওয়া গেছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এই এলাকায় প্রায় ৫০০ পরিবারের বাস। পানীয় জলের টিউবওয়েল অকেজো হয়ে পড়ায় আমরা সমস্যায় পড়েছেন এলাকার মানুষ। সরকারি ভাবে যে জল দেওয়া হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। পুকুরের জলও ব্যবহার করতে পারছেন না বলে দাবি তাদের। ফলে অনেক দূর থেকে জল আনতে হচ্ছে। এই প্রচণ্ড রোদ, গরমে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের।