৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

গুপ্ত যুগের প্রাচীন দুস্প্রাপ্য মূর্তি উদ্ধার মঙ্গলকোটে

পারিজাত মোল্লা : বুধবার ভোরে মঙ্গলকোটের পিণ্ডিরা গ্রামের মাঠ থেকে শতাব্দী প্রাচীন মূর্তি উদ্ধার করলো মঙ্গলকোট থানার পুলিশ। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মূর্তি টি গুপ্ত যুগের বিষ্ণু মূর্তি। এর সাথে বহু পুরাতন এক শিবলিঙ্গও উদ্ধার হয়েছে। সম্প্রতি দক্ষিণপূর্ব মঙ্গলকোটের ভাল্ল্যগ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন পিণ্ডিরা গ্রামের এক মন্দির থেকে চুরি গিয়েছিল এই বিষ্ণু মূর্তিটি।এই গ্রামের কাছেই অবস্থান করছে অজয় নদ।মনসামঙ্গল কাব্যে বর্ণিত উজানিনগর কিংবা বৃটিশ ঐতিহাসিক হান্টারের লেখা বইয়ে মঙ্গলকোটের অতিপ্রাচীন ইতিহাস জানা যায়। সতিপীঠ খ্যাত মঙ্গলচন্ডীর মন্দির, শিবের নীললোহিত মন্দির রয়েছে অজয় নদের উপকূলে। প্রায়শই নানান মূর্তি উদ্ধার হয় অজয় নদের বালির চর থেকে। কখনো বন্যা পরবর্তীতে আবার কখনো বা বালিঘাটে বালি উত্তোলনে মূর্তি উদ্ধারের ঘটনা ঘটে ।প্রয়াত প্রত্নবিদ কেশব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরলস প্রচেষ্টায় বেশকিছু মূর্তি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামে রাখা আছে।বর্তমানে সেই ধারা অব্যাহত রেখেছেন এলাকার প্রত্ন আগ্রহী সম্রাট মুন্সি। মঙ্গলকোটে গুপ্ত যুগের প্রাচীন মূর্তি উদ্ধার নিয়ে আইসি মধুসূদন ঘোষ জানিয়েছেন -” এই সিন্ডিকেটে কারা যুক্ত? তা খতিয়ে দেখা হবে “। প্রসঙ্গত চলতি মাসেই এক চুরি যাওয়া গাড়ি কয়েক ঘন্টার মধ্যেই উদ্ধার করে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ। এর পাশাপাশি দশের বেশি বালিভর্তি গাড়ি আটক করে স্থানীয় থানার পুলিশ।

কল্যাণের মুখের ভাষাকে যৌনপল্লীর ভাষা বলে আক্রমন করলেন রচনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গুপ্ত যুগের প্রাচীন দুস্প্রাপ্য মূর্তি উদ্ধার মঙ্গলকোটে

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, বুধবার

পারিজাত মোল্লা : বুধবার ভোরে মঙ্গলকোটের পিণ্ডিরা গ্রামের মাঠ থেকে শতাব্দী প্রাচীন মূর্তি উদ্ধার করলো মঙ্গলকোট থানার পুলিশ। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মূর্তি টি গুপ্ত যুগের বিষ্ণু মূর্তি। এর সাথে বহু পুরাতন এক শিবলিঙ্গও উদ্ধার হয়েছে। সম্প্রতি দক্ষিণপূর্ব মঙ্গলকোটের ভাল্ল্যগ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন পিণ্ডিরা গ্রামের এক মন্দির থেকে চুরি গিয়েছিল এই বিষ্ণু মূর্তিটি।এই গ্রামের কাছেই অবস্থান করছে অজয় নদ।মনসামঙ্গল কাব্যে বর্ণিত উজানিনগর কিংবা বৃটিশ ঐতিহাসিক হান্টারের লেখা বইয়ে মঙ্গলকোটের অতিপ্রাচীন ইতিহাস জানা যায়। সতিপীঠ খ্যাত মঙ্গলচন্ডীর মন্দির, শিবের নীললোহিত মন্দির রয়েছে অজয় নদের উপকূলে। প্রায়শই নানান মূর্তি উদ্ধার হয় অজয় নদের বালির চর থেকে। কখনো বন্যা পরবর্তীতে আবার কখনো বা বালিঘাটে বালি উত্তোলনে মূর্তি উদ্ধারের ঘটনা ঘটে ।প্রয়াত প্রত্নবিদ কেশব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরলস প্রচেষ্টায় বেশকিছু মূর্তি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামে রাখা আছে।বর্তমানে সেই ধারা অব্যাহত রেখেছেন এলাকার প্রত্ন আগ্রহী সম্রাট মুন্সি। মঙ্গলকোটে গুপ্ত যুগের প্রাচীন মূর্তি উদ্ধার নিয়ে আইসি মধুসূদন ঘোষ জানিয়েছেন -” এই সিন্ডিকেটে কারা যুক্ত? তা খতিয়ে দেখা হবে “। প্রসঙ্গত চলতি মাসেই এক চুরি যাওয়া গাড়ি কয়েক ঘন্টার মধ্যেই উদ্ধার করে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ। এর পাশাপাশি দশের বেশি বালিভর্তি গাড়ি আটক করে স্থানীয় থানার পুলিশ।