২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ভর্তি থাকায় ভোগান্তি অন্য রোগীর পরিবারের

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাই আঁটসাঁট নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে হাসপাতালকে। অভিযোগ, হাসপাতালে ঢুকতে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার রোগীর পরিবারের লোকজন। হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখান অনেকেই।

শুক্রবার ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল পাঁচটা চার কিংবা পাঁচ হবে। শুনানি চলছিল। নিজের শারীরিক সমস্যার কথা জানাচ্ছিলেন বিচারককে। জানান, দীর্ঘদিনের সুগারের রোগী। কিডনির সমস্যাও রয়েছে। চেন্নাইতে চিকিৎসা করিয়েছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শমতো প্রতিদিন ১০ হাজার পা হাঁটতে হয় তাঁকে। সেকথা বিচারককে জানিয়ে চেয়ারে বসতে গিয়ে আদালত চত্বরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। চেয়ার থেকে পড়ে যান। জ্ঞান হারান। বমি করতে শুরু করেন। বেশ কিছুক্ষণ পর এসি অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে বাইপাসের কাছে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আপাতত ভর্তি রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়।

সিসিইউয়ের ১৪২ নম্বর কেবিনে রয়েছেন তিনি। তাঁর জন্য কোনও মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়নি। তবে একজন নেফ্রোলজিস্ট এবং একজন কার্ডিওলজিস্ট তাঁর দিকে সবসময় নজর রেখেছেন। হাইপার টেনশন রয়েছে তাঁর। ইতিমধ্যেই মন্ত্রীর সিটি স্ক্যান, এমআরআই-সহ আরও বেশ কয়েকটি রক্তপরীক্ষা করা হয়েছে। জ্যোতিপ্রিয়র আচ্ছন্নভাব কেটেছে অনেকটা। বর্তমানে স্থিতিশীল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী। এদিকে, মন্ত্রী ভর্তি থাকায় হাসপাতালের নিরাপত্তায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরই জ্যোতিপ্রিয়র ইডি হেফাজত শুরু হবে।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ভর্তি থাকায় ভোগান্তি অন্য রোগীর পরিবারের

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৩, শনিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাই আঁটসাঁট নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে হাসপাতালকে। অভিযোগ, হাসপাতালে ঢুকতে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার রোগীর পরিবারের লোকজন। হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখান অনেকেই।

শুক্রবার ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল পাঁচটা চার কিংবা পাঁচ হবে। শুনানি চলছিল। নিজের শারীরিক সমস্যার কথা জানাচ্ছিলেন বিচারককে। জানান, দীর্ঘদিনের সুগারের রোগী। কিডনির সমস্যাও রয়েছে। চেন্নাইতে চিকিৎসা করিয়েছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শমতো প্রতিদিন ১০ হাজার পা হাঁটতে হয় তাঁকে। সেকথা বিচারককে জানিয়ে চেয়ারে বসতে গিয়ে আদালত চত্বরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। চেয়ার থেকে পড়ে যান। জ্ঞান হারান। বমি করতে শুরু করেন। বেশ কিছুক্ষণ পর এসি অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে বাইপাসের কাছে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আপাতত ভর্তি রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়।

সিসিইউয়ের ১৪২ নম্বর কেবিনে রয়েছেন তিনি। তাঁর জন্য কোনও মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়নি। তবে একজন নেফ্রোলজিস্ট এবং একজন কার্ডিওলজিস্ট তাঁর দিকে সবসময় নজর রেখেছেন। হাইপার টেনশন রয়েছে তাঁর। ইতিমধ্যেই মন্ত্রীর সিটি স্ক্যান, এমআরআই-সহ আরও বেশ কয়েকটি রক্তপরীক্ষা করা হয়েছে। জ্যোতিপ্রিয়র আচ্ছন্নভাব কেটেছে অনেকটা। বর্তমানে স্থিতিশীল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী। এদিকে, মন্ত্রী ভর্তি থাকায় হাসপাতালের নিরাপত্তায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরই জ্যোতিপ্রিয়র ইডি হেফাজত শুরু হবে।