২২ জুন ২০২৬, সোমবার, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
২২ জুন ২০২৬, সোমবার, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

ফের উত্তাল কলকাতা পুরসভা, হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূল ও বিজেপি কাউন্সিলর

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ফের উত্তাল কলকাতা পুরসভা। মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সামনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু ও বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। দুজনকেই শোকজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়।

জানা গিয়েছে, এদিন অধিবেশন চলাকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “পুরসভায় বিরোধী নেই। বিরোধীদের সংখ্যা এত কমে গিয়েছে আমাদের মধ্যে থেকেই বিরোধীদের আসনে বসাতে হবে।” উত্তরে বিজেপির কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “মেয়রকে দেখলেও মাঝেমধ্যে বিরোধীই মনে হয়।” পালটা  চেয়ারপার্সন মালা রায় বলেন, “আমরাও বিরোধী ছিলাম। আমাদের বিরোধিতা শেখাবেন না।” এসময় টেবিল বাজাতে শুরু করেন তৃণমূল কাউন্সিলররা। বিষয়টিকে কটাক্ষ করেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। বলেন, “এই তো দলের সংস্কৃতি।” এরপরই বিজেপি কাউন্সিলরদের দিকে তেড়ে যান তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু। বলেন, “আমাদেরও পরিবার আছে। সংস্কৃতি তুলে কথা বলবেন না।” এনিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়ে যায়। এরপরই মেয়রের সামনেই ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষকে ধাক্কা মারা হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বারবার অনুরোধ করেন মেয়র ফিরহাম হাকিম। কিন্তু তাতে কোনওপক্ষই কর্ণপাত করেনি।

বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শুরু হয় অধিবেশন। কিন্তু ওয়াকআউট করে বিজেপি। সজল ঘোষ বলেন, “তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু একটা তোলাবাজ।” পালটা দিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর কথায়, “বিজেপি কাউন্সিলররা সকলকে চোর বলেন। আসলে যাঁরা নিজেরা চোর, তাঁদের কাছে সারা পৃথিবীই চোর। আমায় চোর বললে আমি শান্ত থাকি। মাথা গরম করি না। কিন্তু সবাই তো সমান নয়। প্রত্যেকের পরিবার আছে। ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না।”

সর্বাধিক পাঠিত

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফের উত্তাল কলকাতা পুরসভা, হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূল ও বিজেপি কাউন্সিলর

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, শনিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ফের উত্তাল কলকাতা পুরসভা। মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সামনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু ও বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। দুজনকেই শোকজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়।

জানা গিয়েছে, এদিন অধিবেশন চলাকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “পুরসভায় বিরোধী নেই। বিরোধীদের সংখ্যা এত কমে গিয়েছে আমাদের মধ্যে থেকেই বিরোধীদের আসনে বসাতে হবে।” উত্তরে বিজেপির কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “মেয়রকে দেখলেও মাঝেমধ্যে বিরোধীই মনে হয়।” পালটা  চেয়ারপার্সন মালা রায় বলেন, “আমরাও বিরোধী ছিলাম। আমাদের বিরোধিতা শেখাবেন না।” এসময় টেবিল বাজাতে শুরু করেন তৃণমূল কাউন্সিলররা। বিষয়টিকে কটাক্ষ করেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। বলেন, “এই তো দলের সংস্কৃতি।” এরপরই বিজেপি কাউন্সিলরদের দিকে তেড়ে যান তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু। বলেন, “আমাদেরও পরিবার আছে। সংস্কৃতি তুলে কথা বলবেন না।” এনিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়ে যায়। এরপরই মেয়রের সামনেই ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষকে ধাক্কা মারা হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বারবার অনুরোধ করেন মেয়র ফিরহাম হাকিম। কিন্তু তাতে কোনওপক্ষই কর্ণপাত করেনি।

বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শুরু হয় অধিবেশন। কিন্তু ওয়াকআউট করে বিজেপি। সজল ঘোষ বলেন, “তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু একটা তোলাবাজ।” পালটা দিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর কথায়, “বিজেপি কাউন্সিলররা সকলকে চোর বলেন। আসলে যাঁরা নিজেরা চোর, তাঁদের কাছে সারা পৃথিবীই চোর। আমায় চোর বললে আমি শান্ত থাকি। মাথা গরম করি না। কিন্তু সবাই তো সমান নয়। প্রত্যেকের পরিবার আছে। ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না।”