১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

পিতৃহারা কোরআনে হাফেজ মোহাম্মদ সাদ হাই মাদ্রাসার মাধ্যমিকে রাজ্যে সপ্তম

এম এস ইসলাম : বর্ধমান : বাংলার বিখ্যাত আলেম মৌলানা আসাদ সাহেবের পুত্র মুফতি খলিলুর রহমান ।সেই মুফতি সাহেবের পুত্র মোহাম্মদ সাদ মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিকের রাজ্যে সপ্তম স্থান দখল করলো । বর্ধমান হাই মাদ্রাসা থেকে সাদ মাধ্যমিক দিয়েছে । কিছুদিন হলো পিতা মূফতি খলিলুর রহমান আল্লাহর পেয়ারা হয়ে গেছেন। এরকম কঠিন প্রতিকূলতার মধ্যে কোরআনে হাফেজ মোহাম্মদ সাদ এ বছর মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিকের রাজ্যের সপ্তম স্থান অধিকার করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। বাংলার বিখ্যাত আলেম মৌলানা আসাদ সাহেবের নাতি সাদ। ২০২০ সালে তাদের বড় ভাই তালহা উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যের দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিল। আর এক চাচাতো ভাই ওমর ফারুক গত বছর মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিকে ওই একই স্কুল থেকে রাজ্যে সপ্তম হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এক চাচা সেখ আব্দুল্লা বারিশালী হাই স্কুলের টিচার ইনচার্জ । সাদ মাদ্রারাসা বোর্ডের পরীক্ষায় 800 মধ্যে 763 পেয়েছে । বর্তমানে বর্ধমান শহরের সরাইটিকরে বাস করলেও গ্রামের বাড়ি খণ্ডঘোষের বারিশালি। এই পরিবার ঈমানদারির সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধনে অনন্য নজির গরেছে। বাড়ির বেশিরভাগ ছেলে কোরআনে হাফেজ এবং প্রত্যেকে উচ্চ শিক্ষিত এবং অনেকে সরকারি চাকরিজীবী। মা ফারহানা বেগম গৃহবধূ। সাদ ক্রিকেট খেলা পছন্দ করে আর পছন্দ করে সাহাবীদের জীবনী পড়তে। কুরআনে হাফেজ তাই ধর্মীয় পোশাক সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি পরিধান করে থাকে। নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তার আদর্শ। নবীর দেখানো পথেই চলতে চাই । বাবা বিখ্যাত আলেম মুফতি খলিল গোটা রাজ্যের একজন পরিচিত মুখ ছিলেন। গত কয়েক বছর আগে তাকে হারিয়ে গোটা পরিবারটি কঠিন সমস্যায় পড়ে । এই প্রতিকূলতাকে জয় করে রাজ্যের সপ্তম হয়ে প্রমাণ করলো প্রতিকূলতা প্রতিবন্ধকতা বাধা হতে পারে না লক্ষে অবিচল থাকলে সাফল্য ধরা দেবেই।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পিতৃহারা কোরআনে হাফেজ মোহাম্মদ সাদ হাই মাদ্রাসার মাধ্যমিকে রাজ্যে সপ্তম

আপডেট : ২০ মে ২০২৩, শনিবার

এম এস ইসলাম : বর্ধমান : বাংলার বিখ্যাত আলেম মৌলানা আসাদ সাহেবের পুত্র মুফতি খলিলুর রহমান ।সেই মুফতি সাহেবের পুত্র মোহাম্মদ সাদ মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিকের রাজ্যে সপ্তম স্থান দখল করলো । বর্ধমান হাই মাদ্রাসা থেকে সাদ মাধ্যমিক দিয়েছে । কিছুদিন হলো পিতা মূফতি খলিলুর রহমান আল্লাহর পেয়ারা হয়ে গেছেন। এরকম কঠিন প্রতিকূলতার মধ্যে কোরআনে হাফেজ মোহাম্মদ সাদ এ বছর মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিকের রাজ্যের সপ্তম স্থান অধিকার করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। বাংলার বিখ্যাত আলেম মৌলানা আসাদ সাহেবের নাতি সাদ। ২০২০ সালে তাদের বড় ভাই তালহা উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যের দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিল। আর এক চাচাতো ভাই ওমর ফারুক গত বছর মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিকে ওই একই স্কুল থেকে রাজ্যে সপ্তম হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এক চাচা সেখ আব্দুল্লা বারিশালী হাই স্কুলের টিচার ইনচার্জ । সাদ মাদ্রারাসা বোর্ডের পরীক্ষায় 800 মধ্যে 763 পেয়েছে । বর্তমানে বর্ধমান শহরের সরাইটিকরে বাস করলেও গ্রামের বাড়ি খণ্ডঘোষের বারিশালি। এই পরিবার ঈমানদারির সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধনে অনন্য নজির গরেছে। বাড়ির বেশিরভাগ ছেলে কোরআনে হাফেজ এবং প্রত্যেকে উচ্চ শিক্ষিত এবং অনেকে সরকারি চাকরিজীবী। মা ফারহানা বেগম গৃহবধূ। সাদ ক্রিকেট খেলা পছন্দ করে আর পছন্দ করে সাহাবীদের জীবনী পড়তে। কুরআনে হাফেজ তাই ধর্মীয় পোশাক সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি পরিধান করে থাকে। নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তার আদর্শ। নবীর দেখানো পথেই চলতে চাই । বাবা বিখ্যাত আলেম মুফতি খলিল গোটা রাজ্যের একজন পরিচিত মুখ ছিলেন। গত কয়েক বছর আগে তাকে হারিয়ে গোটা পরিবারটি কঠিন সমস্যায় পড়ে । এই প্রতিকূলতাকে জয় করে রাজ্যের সপ্তম হয়ে প্রমাণ করলো প্রতিকূলতা প্রতিবন্ধকতা বাধা হতে পারে না লক্ষে অবিচল থাকলে সাফল্য ধরা দেবেই।