১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিদায় দিনে ভারাক্রান্ত হৃদয় তবুও ম্লান মুখে হাসি ওসি সুমিত বিশ্বাসের

নিজস্ব সংবাদ, সাগরদিঘী : প্রায় ৪ বছর ধরে সাগরদিঘী থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারি হিসাবে ছিলেন শ্রী সুমিত বিশ্বাস রবিবার দিন ছিল তার শেষদিন। ভারাক্রান্ত হৃদয় তবুও ম্লান মুখে একটু খানি হাসি রেখে সাগরদিঘী বাসির প্রিয় মানুষটি সাগরদিঘী থেকে বিদায় নিল। এদিন সাগরদিঘী থানায় ওসি সুমিত বিশ্বাসকে বিদায় সংবর্ধনা জানান অত্র থানার পুলিশ ও সাগরদিঘীর বিশিষ্ট জনেরা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মকর্তারা, যাদের তিনি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে সবসময় পাশে ছিলেন। সাগরদিঘী SN উচ্চ বিদ্যালায়ের প্রধান শিক্ষক তামিজুদ্দিন মল্লিক জানান

মানুষটির সম্মন্ধে আর নতুন করে বলার কিছুই বাকি নেই সাগরদিঘীর কাছে। কর্মসূত্রে আজ উনি অন্য স্থানে চলে গেলেন ঠিকই কিন্তু রেখে গেলেন কিছু মূল্যবান স্মৃতি।সবুজ বার্তা পত্রিকার সম্পাদক রহমতুল্লাহ জানান সুমিত বিশ্বাস কর্মসূত্রে যে কোনো প্রান্তে চলে যাননা কেনো সাগরদিঘী বাসীর মনের সাথে যে আত্মিক বন্ধন তা সারাজীবন অটুট থাকবে। আমাদের মাঝে একজন মানবিক ওসি কে পেয়েছিলাম এটাই আমাদের কাছে বড়ো প্রাপ্তি। যারা কাছ থেকে থেকে দাদার মত স্নেহ, ভালোবাসা পেয়েছি তাতে আমরা কৃতজ্ঞ এবং আপ্লুত। কাছের মানুষের বিচ্ছেদে যে কতটা কষ্টের তা আজ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বুঝতে পারছি। বাকি জীবনটা আপনার সাগরদিঘীর মতোই কাটুক এটাই আশারাখছি।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিদায় দিনে ভারাক্রান্ত হৃদয় তবুও ম্লান মুখে হাসি ওসি সুমিত বিশ্বাসের

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২২, সোমবার

নিজস্ব সংবাদ, সাগরদিঘী : প্রায় ৪ বছর ধরে সাগরদিঘী থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারি হিসাবে ছিলেন শ্রী সুমিত বিশ্বাস রবিবার দিন ছিল তার শেষদিন। ভারাক্রান্ত হৃদয় তবুও ম্লান মুখে একটু খানি হাসি রেখে সাগরদিঘী বাসির প্রিয় মানুষটি সাগরদিঘী থেকে বিদায় নিল। এদিন সাগরদিঘী থানায় ওসি সুমিত বিশ্বাসকে বিদায় সংবর্ধনা জানান অত্র থানার পুলিশ ও সাগরদিঘীর বিশিষ্ট জনেরা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মকর্তারা, যাদের তিনি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে সবসময় পাশে ছিলেন। সাগরদিঘী SN উচ্চ বিদ্যালায়ের প্রধান শিক্ষক তামিজুদ্দিন মল্লিক জানান

মানুষটির সম্মন্ধে আর নতুন করে বলার কিছুই বাকি নেই সাগরদিঘীর কাছে। কর্মসূত্রে আজ উনি অন্য স্থানে চলে গেলেন ঠিকই কিন্তু রেখে গেলেন কিছু মূল্যবান স্মৃতি।সবুজ বার্তা পত্রিকার সম্পাদক রহমতুল্লাহ জানান সুমিত বিশ্বাস কর্মসূত্রে যে কোনো প্রান্তে চলে যাননা কেনো সাগরদিঘী বাসীর মনের সাথে যে আত্মিক বন্ধন তা সারাজীবন অটুট থাকবে। আমাদের মাঝে একজন মানবিক ওসি কে পেয়েছিলাম এটাই আমাদের কাছে বড়ো প্রাপ্তি। যারা কাছ থেকে থেকে দাদার মত স্নেহ, ভালোবাসা পেয়েছি তাতে আমরা কৃতজ্ঞ এবং আপ্লুত। কাছের মানুষের বিচ্ছেদে যে কতটা কষ্টের তা আজ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বুঝতে পারছি। বাকি জীবনটা আপনার সাগরদিঘীর মতোই কাটুক এটাই আশারাখছি।