২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার নারায়ণ গড় ব্লকের সীমান্তবর্তী এলাকায়

নিজস্ব সংবাদদাতা : নারায়ণ গড় ব্লকের সীমান্তবর্তী গ্রামের এক চায়ের দোকানে আজ সকালে কেউ একজন একটি কচ্ছপ বিক্রি করে দিয়ে যায়,ওই দোকানে তুত রাঙা উদিয়মান তরুণ সংঘের কয়েক জন সদস্য( বিশ্বজিৎ জা না ,শুভেন্দু মাইতি,কৃষ্ণেন্দু জানা,মিঠুন পড়িয়া)চা খেতে গিয়ে ওই কচ্ছপ টি নজরে আসে,দেখে তাদের মনে হয় এটি কোনো বিরল প্রজাতির কচ্ছপ,তখনই তারা ওই কচ্ছপ টির ফটো তুলে তুত রাঙা উদিয়মান তরুণ সংঘের সম্পাদক জগদীশ মাইতি কে পাঠায়,জগদীশ মাইতি ওই কচ্ছপের ফটো তৎক্ষণাৎ শিক্ষক,পরিবেশ কর্মী শান্তনু অধিকারীকে পাঠান,শান্তনু বাবু দেখে বলেন এটি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ (flapshell turtle) ওজন ২ কিলো ৭০০ গ্রাম,জগদীশ মাইতি ও উনার ক্লাবের সদস্যরা তখনই ওই দোকানির কাছে যান ,তাকে বোঝান পরিবেশের জন্য এই কচ্ছপ টিকে রক্ষা করা কতটা প্রয়োজন এবং ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন,দোকানি বলেন তিনি কিনেছেন তাই ছাড়বেন না,তখন জগদীশ মাইতি ও উনার সদস্যরা ওই কচ্ছপ টি কিনে ৭৫০/টাকা দিয়ে কিনে নেন এবং শান্তনু বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে উনার হাতে তুলে দিয়ে আসেন সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য,কিন্তু মানুষের যা স্বভাব এইভাবে কতদিন আর এদের বাঁচানো যাবে?তুত রাঙা উদিয়মান তরুণ সংঘের সদস্য দের এই প্রচেষ্টায় সমাজ কি বুজলো না কিছু বুঝতে পেরেছে?

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার নারায়ণ গড় ব্লকের সীমান্তবর্তী এলাকায়

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২২, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : নারায়ণ গড় ব্লকের সীমান্তবর্তী গ্রামের এক চায়ের দোকানে আজ সকালে কেউ একজন একটি কচ্ছপ বিক্রি করে দিয়ে যায়,ওই দোকানে তুত রাঙা উদিয়মান তরুণ সংঘের কয়েক জন সদস্য( বিশ্বজিৎ জা না ,শুভেন্দু মাইতি,কৃষ্ণেন্দু জানা,মিঠুন পড়িয়া)চা খেতে গিয়ে ওই কচ্ছপ টি নজরে আসে,দেখে তাদের মনে হয় এটি কোনো বিরল প্রজাতির কচ্ছপ,তখনই তারা ওই কচ্ছপ টির ফটো তুলে তুত রাঙা উদিয়মান তরুণ সংঘের সম্পাদক জগদীশ মাইতি কে পাঠায়,জগদীশ মাইতি ওই কচ্ছপের ফটো তৎক্ষণাৎ শিক্ষক,পরিবেশ কর্মী শান্তনু অধিকারীকে পাঠান,শান্তনু বাবু দেখে বলেন এটি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ (flapshell turtle) ওজন ২ কিলো ৭০০ গ্রাম,জগদীশ মাইতি ও উনার ক্লাবের সদস্যরা তখনই ওই দোকানির কাছে যান ,তাকে বোঝান পরিবেশের জন্য এই কচ্ছপ টিকে রক্ষা করা কতটা প্রয়োজন এবং ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন,দোকানি বলেন তিনি কিনেছেন তাই ছাড়বেন না,তখন জগদীশ মাইতি ও উনার সদস্যরা ওই কচ্ছপ টি কিনে ৭৫০/টাকা দিয়ে কিনে নেন এবং শান্তনু বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে উনার হাতে তুলে দিয়ে আসেন সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য,কিন্তু মানুষের যা স্বভাব এইভাবে কতদিন আর এদের বাঁচানো যাবে?তুত রাঙা উদিয়মান তরুণ সংঘের সদস্য দের এই প্রচেষ্টায় সমাজ কি বুজলো না কিছু বুঝতে পেরেছে?