২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সেখ আব্দুল আজীম,ডানকুনি হুগলি, ডানকুনি এলাকায় দিল্লি রোডের পাশে প্রায় প্রতিদিন কে বা কারা আবর্জনায় আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছেন। যাতে পরিবেশ ভয়ঙ্কর ভাবে দূষিত হচ্ছে। বহু কারখানার দূষিত বর্জ্যও নিয়মিত কারখানা কর্তৃপক্ষ রাস্তার পাশে ফেলায় ও তাতে আগুন লাগার ফলে বায়ুদূষণ মাত্রা ছাড়া হয়ে উঠছে। ওখানে বিভিন্ন আবর্জনার সঙ্গে পুড়ছে প্লাস্টিকের বর্জ্যও, ফলে তীব্র ধোঁয়ার কারণে এলাকার মানুষজনের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে। এই সময়ে এমনিতেই বাতাসে ভাসমান ধুলি কণার পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে বাতাসের শুদ্ধতা কমে। তার উপর আবর্জনা জ্বালালে বাতাসের মান আরও খারাপ হয়। অবিলম্বে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে সবুজ মঞ্চ হুগলী জেলার পক্ষ থেকে রিজিওনাল পরিবেশ ইন্জিয়ার চিঠি দেওয়া হয়। পরিবেশ কর্মী মাবুদ আলির বক্তব্য, কারখানা মালিকরা সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে এলাকায় দূষণ ছড়ালেও প্রশাসন নির্বিকার থাকছে তাছাড়া ফুটপাতে বসে ব্যবসা করছে কিছু ভাংড়ির দোকানদার তারা প্রতিনিয়ত দূষণ করে যাচ্ছে। কোন বাধাই মানে না।। সবুজ মঞ্চের হুগলী জেলার আহ্বায়ক গৌতম সরকারের বক্তব্য নাড়াপোড়া নিয়ে সরকার কিছু পদক্ষেপ করলেও এই দূষণ নিয়ে পুরোপুরি উদাসীন, ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচলতি মানুষকে রোজ সহ্য করতে হচ্ছে দূষণ।

চিকিৎসক অনিল সাহার মতে ঐ সব আবর্জনা জ্বালালে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মানুষের ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়, হতে পারে ক্যানসারের মতোন মারণ রোগও।

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার

সেখ আব্দুল আজীম,ডানকুনি হুগলি, ডানকুনি এলাকায় দিল্লি রোডের পাশে প্রায় প্রতিদিন কে বা কারা আবর্জনায় আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছেন। যাতে পরিবেশ ভয়ঙ্কর ভাবে দূষিত হচ্ছে। বহু কারখানার দূষিত বর্জ্যও নিয়মিত কারখানা কর্তৃপক্ষ রাস্তার পাশে ফেলায় ও তাতে আগুন লাগার ফলে বায়ুদূষণ মাত্রা ছাড়া হয়ে উঠছে। ওখানে বিভিন্ন আবর্জনার সঙ্গে পুড়ছে প্লাস্টিকের বর্জ্যও, ফলে তীব্র ধোঁয়ার কারণে এলাকার মানুষজনের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে। এই সময়ে এমনিতেই বাতাসে ভাসমান ধুলি কণার পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে বাতাসের শুদ্ধতা কমে। তার উপর আবর্জনা জ্বালালে বাতাসের মান আরও খারাপ হয়। অবিলম্বে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে সবুজ মঞ্চ হুগলী জেলার পক্ষ থেকে রিজিওনাল পরিবেশ ইন্জিয়ার চিঠি দেওয়া হয়। পরিবেশ কর্মী মাবুদ আলির বক্তব্য, কারখানা মালিকরা সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে এলাকায় দূষণ ছড়ালেও প্রশাসন নির্বিকার থাকছে তাছাড়া ফুটপাতে বসে ব্যবসা করছে কিছু ভাংড়ির দোকানদার তারা প্রতিনিয়ত দূষণ করে যাচ্ছে। কোন বাধাই মানে না।। সবুজ মঞ্চের হুগলী জেলার আহ্বায়ক গৌতম সরকারের বক্তব্য নাড়াপোড়া নিয়ে সরকার কিছু পদক্ষেপ করলেও এই দূষণ নিয়ে পুরোপুরি উদাসীন, ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচলতি মানুষকে রোজ সহ্য করতে হচ্ছে দূষণ।

চিকিৎসক অনিল সাহার মতে ঐ সব আবর্জনা জ্বালালে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মানুষের ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়, হতে পারে ক্যানসারের মতোন মারণ রোগও।