০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাংলা চলচ্চিত্রে কারা কারা অন্ধকার জগতে টাকা বিনিয়োগ করেছে? প্রশ্ন তুললেন হিরণ

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বাংলা চলচ্চিত্রের নেপথ্যে কি তবে রুপোলি আলোর চেয়ে অন্ধকারের দাপটই বেশি? টলিউডের গ্ল্যামার আর সিনেমার চকমকে পর্দার আড়ালে কি আসলে ঘুরপাক খাচ্ছে কোটি-কোটি টাকার দুর্নীতি আর তার সূত্র ধরে আসা কালো টাকা? গত কয়েক বছর ধরে টলিপাড়ায় ফিসফাস চলছিল এসব প্রশ্ন ঘিরে। কখনও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ঘনিষ্ঠ প্রযোজকের জেলযাত্রা, কখনও বা গরু পাচার কাণ্ডের টাকা সিনেমার জগতে বিনিয়োগের অভিযোগ ঘিরে।

এবার ফলতার বিডিও শানু বক্সী আর জাহাঙ্গির খানের চ্যাট সামনে আসার পরই টলিউডের অন্দরে ‘ব্ল্যাক মানি হোয়াইট কালচার’ যেন নতুন করে মাটি ফুঁড়ে বের হয়ে এলো। কারণ এই শানু বক্সীর স্বামী হলেন টলিউডের পরিচালক জিৎ চক্রবর্তী, যাঁর প্রযোজনায় কাজ করেছেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। আবার যে পরিচালকের ‘আড়ি’ ছবিতে টাকা ঢেলেছিলেন প্রযোজক নুসরত জাহান এবং যশ দাশগুপ্ত।

এই সাদা-কালো টাকার খেলায় কি রয়েছে টলিউডের আরও নাম? টিভি নাইন বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে টলিউডের এই টাকার খেলা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করতেই হিরণে স্পষ্ট জবাব, “এটা নতুন নয়, গত বেশ কয়েক বছর ধরেই এটা চলছে। হিরণের কথায়, এর নেপথ্যে রয়েছে টলিউডের মেগাস্টার, মেগা প্রযোজকরাই। সিনেমা থেকে নিজেকে অনেকদিন ধরেই দূরে সরিয়ে নিয়েছেন হিরণ। বেশ কয়েকবছর ধরে তাঁর জ্ঞান-ধ্যান-মন পুরোটাই রাজনীতি। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন হিরণ। রাজনীতিতে মন থাকলেও, টলিউডের অন্দরের খবর নিয়ে সবসময়ই সচেতন তিনি, তা স্পষ্ট করেছেন। হিরণ বলেন, ”২০১১ সালের কিছুটা পর থেকে তৃণমূলের শাসনের যুগে বাংলা ছবিতে কালো টাকা ঢুকতে শুরু করেছিল। সেটা এমন পর্যায়ে চলে যায়, বাংলা ছবির একজন প্রযোজক, তখন তাঁকে বাংলা ছবির ধারক-বাহক বলা হত, তিনি এটার মধ্যে পুরোপুরি যুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। এবং তার জন্য তাঁকে জেলবন্দি হতে হয়েছিল। এই বিষয়ে ইডির কেস চলছিল। তারপর তিনি জেল থেকে ছাড়া পান। তারপর কী হয়েছে, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তাই মন্তব্য করব না। তবে এটা খুব দুঃখজনক যে, বাংলা ছবির অন্যতম প্রযোজক, এরকম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন।”

ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে রথবাড়ি এলাকায় মাইকিং

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাংলা চলচ্চিত্রে কারা কারা অন্ধকার জগতে টাকা বিনিয়োগ করেছে? প্রশ্ন তুললেন হিরণ

আপডেট : ১ জুন ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বাংলা চলচ্চিত্রের নেপথ্যে কি তবে রুপোলি আলোর চেয়ে অন্ধকারের দাপটই বেশি? টলিউডের গ্ল্যামার আর সিনেমার চকমকে পর্দার আড়ালে কি আসলে ঘুরপাক খাচ্ছে কোটি-কোটি টাকার দুর্নীতি আর তার সূত্র ধরে আসা কালো টাকা? গত কয়েক বছর ধরে টলিপাড়ায় ফিসফাস চলছিল এসব প্রশ্ন ঘিরে। কখনও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ঘনিষ্ঠ প্রযোজকের জেলযাত্রা, কখনও বা গরু পাচার কাণ্ডের টাকা সিনেমার জগতে বিনিয়োগের অভিযোগ ঘিরে।

এবার ফলতার বিডিও শানু বক্সী আর জাহাঙ্গির খানের চ্যাট সামনে আসার পরই টলিউডের অন্দরে ‘ব্ল্যাক মানি হোয়াইট কালচার’ যেন নতুন করে মাটি ফুঁড়ে বের হয়ে এলো। কারণ এই শানু বক্সীর স্বামী হলেন টলিউডের পরিচালক জিৎ চক্রবর্তী, যাঁর প্রযোজনায় কাজ করেছেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। আবার যে পরিচালকের ‘আড়ি’ ছবিতে টাকা ঢেলেছিলেন প্রযোজক নুসরত জাহান এবং যশ দাশগুপ্ত।

এই সাদা-কালো টাকার খেলায় কি রয়েছে টলিউডের আরও নাম? টিভি নাইন বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে টলিউডের এই টাকার খেলা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করতেই হিরণে স্পষ্ট জবাব, “এটা নতুন নয়, গত বেশ কয়েক বছর ধরেই এটা চলছে। হিরণের কথায়, এর নেপথ্যে রয়েছে টলিউডের মেগাস্টার, মেগা প্রযোজকরাই। সিনেমা থেকে নিজেকে অনেকদিন ধরেই দূরে সরিয়ে নিয়েছেন হিরণ। বেশ কয়েকবছর ধরে তাঁর জ্ঞান-ধ্যান-মন পুরোটাই রাজনীতি। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন হিরণ। রাজনীতিতে মন থাকলেও, টলিউডের অন্দরের খবর নিয়ে সবসময়ই সচেতন তিনি, তা স্পষ্ট করেছেন। হিরণ বলেন, ”২০১১ সালের কিছুটা পর থেকে তৃণমূলের শাসনের যুগে বাংলা ছবিতে কালো টাকা ঢুকতে শুরু করেছিল। সেটা এমন পর্যায়ে চলে যায়, বাংলা ছবির একজন প্রযোজক, তখন তাঁকে বাংলা ছবির ধারক-বাহক বলা হত, তিনি এটার মধ্যে পুরোপুরি যুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। এবং তার জন্য তাঁকে জেলবন্দি হতে হয়েছিল। এই বিষয়ে ইডির কেস চলছিল। তারপর তিনি জেল থেকে ছাড়া পান। তারপর কী হয়েছে, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তাই মন্তব্য করব না। তবে এটা খুব দুঃখজনক যে, বাংলা ছবির অন্যতম প্রযোজক, এরকম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন।”