২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে প্রবেশ করলেন ভি কে সিং

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবার
  • 8

দেবজিৎ মুখার্জি: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে ১২ দিন ধরে আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। সাময়িক বাধা সামলে জোরকদমে চলছে উদ্ধারকার্য। যদিও এখনও কোনও শ্রমিককেই সুড়ঙ্গের বাইরে আনা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন ভারতীয় সেনার প্রাক্তন জেনারেল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি কে সিং। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, তিনি ও কয়েকজন সিনিয়র অফিসার উত্তরকাশীর সিলকারা টানেলে প্রবেশ করেছেন।

উল্লেখ্য, বুধবার রাতেই ৪১ শ্রমিককে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছিল। সেই লক্ষ্যে রাতভর কাজ করেছিলেন উদ্ধারকারীরা। কিন্তু শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাউকেই উদ্ধার করা যায়নি। ‘ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি’র এক সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল সইদ আটা হাসনাইন জানিয়েছেন, কাজ চলছে জোরকদমে। শুক্রবার তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমাদের আশা, আর কয়েকঘণ্টার মধ্যে বা বড়জোর কালকের মধ্যেই অপারেশন সফল হবে।” উত্তরখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ধামিও জানিয়েছেন, আর মাত্র ১০ মিটার দূরে রয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সব মিলিয়ে অপেক্ষা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, উত্তরকাশীর সিল্কইয়ারা এবং দণ্ডলগাঁওয়ের মাঝে তৈরি হচ্ছিল ওই সুড়ঙ্গটি। টানেলটি সাড়ে চার কিলোমিটার লম্বা। তারই মধ্যে ১৫০ মিটার লম্বা এলাকা জুড়ে আচমকাই ধস নামে। আটকে পড়েন ৪১ শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে বাংলারও তিনজন রয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই গত ১২ দিন ধরে বিনিদ্র রজনী কাটাচ্ছেন তাঁদের পরিবার। আর কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁদের সেই যন্ত্রণার মুক্তি ঘটবে বলেই আশাবাদী উদ্ধারকারীরা।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে প্রবেশ করলেন ভি কে সিং

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

দেবজিৎ মুখার্জি: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে ১২ দিন ধরে আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। সাময়িক বাধা সামলে জোরকদমে চলছে উদ্ধারকার্য। যদিও এখনও কোনও শ্রমিককেই সুড়ঙ্গের বাইরে আনা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন ভারতীয় সেনার প্রাক্তন জেনারেল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি কে সিং। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, তিনি ও কয়েকজন সিনিয়র অফিসার উত্তরকাশীর সিলকারা টানেলে প্রবেশ করেছেন।

উল্লেখ্য, বুধবার রাতেই ৪১ শ্রমিককে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছিল। সেই লক্ষ্যে রাতভর কাজ করেছিলেন উদ্ধারকারীরা। কিন্তু শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাউকেই উদ্ধার করা যায়নি। ‘ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি’র এক সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল সইদ আটা হাসনাইন জানিয়েছেন, কাজ চলছে জোরকদমে। শুক্রবার তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমাদের আশা, আর কয়েকঘণ্টার মধ্যে বা বড়জোর কালকের মধ্যেই অপারেশন সফল হবে।” উত্তরখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ধামিও জানিয়েছেন, আর মাত্র ১০ মিটার দূরে রয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সব মিলিয়ে অপেক্ষা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, উত্তরকাশীর সিল্কইয়ারা এবং দণ্ডলগাঁওয়ের মাঝে তৈরি হচ্ছিল ওই সুড়ঙ্গটি। টানেলটি সাড়ে চার কিলোমিটার লম্বা। তারই মধ্যে ১৫০ মিটার লম্বা এলাকা জুড়ে আচমকাই ধস নামে। আটকে পড়েন ৪১ শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে বাংলারও তিনজন রয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই গত ১২ দিন ধরে বিনিদ্র রজনী কাটাচ্ছেন তাঁদের পরিবার। আর কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁদের সেই যন্ত্রণার মুক্তি ঘটবে বলেই আশাবাদী উদ্ধারকারীরা।