২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মামা ভাগ্নের রঙিন মাছের চাষ নতুন পথের দিশা দেখাচ্ছে

 

নিজস্ব সংবাদদাতা: শিলিগুড়ির অদূরে অবস্থিত গজলডোবা ক্রমে ক্রমে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সংলগ্ন এলাকার মিলনপল্লীর বাসিন্দা মিঠুন রঙিন মাছের চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

একসময় যে অঞ্চলে পা রাখার কথা ভাবতো না মানুষ, সেখানেই এখন পর্যটকদের অন্যতম সেরা ডেস্টিনেশন। গজলডোবার ভোরের আলো পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সারাদিন থাকবার পর বিকেলে বাড়ি ফেরা, অনেক পর্যটকেরই এখন ঠিকানা গজলডোবা।

অন্যতম কাছে ট্যুরিজম এর পাশেই রয়েছে মিলনপল্লী এলাকা, সেখানকার বাসিন্দা মিঠুন। মিঠুনের স্বপ্ন ওই এলাকাকে মেগা রঙিন মাছের হাব বানানো। আপাতত নিজের মামাকে সঙ্গী করে নিয়ে ছয়টি পুকুরে রঙিন মাছের চাষ করছে সে। ওই এলাকার মানুষকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে মামা ভাগ্নে। করোনার আগে নেপালেও যেত রঙিন মাছ ,তবে করোনা লকডাউন এসবের কারণে বর্তমানে রঙিন মাছ আর নেপালে যাচ্ছেনা। মানে ডুয়ার্সে এলাকা শিলিগুড়ি সহ আরো বেশ কিছু এলাকায় তারা রঙিন মাছ সরবরাহ করে, প্রসঙ্গে তারা জানিয়েছে, আস্তে আস্তে চাহিদা বাড়ছে। মিঠুন জানিয়েছে মাছ পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।

এরকম পরিস্থিতিতে সরকারি সাহায্য পেলে তাদের ব্যবসার আরো উন্নতি হবে এমনটাই মনে করছেন। মানুষের কাছে চাহিদা বাড়ানোর দরকার বিভিন্ন আকর্ষণীয় রঙিন মাছ, নগদ টাকার অভাবে তারা সেই সমস্ত রঙিন মাছগুলি কিনতে পারছে না। সরকারি সাহায্য পেলে তাদের অনেকটাই সুবিধা হবে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মামা ভাগ্নের রঙিন মাছের চাষ নতুন পথের দিশা দেখাচ্ছে

আপডেট : ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার

 

নিজস্ব সংবাদদাতা: শিলিগুড়ির অদূরে অবস্থিত গজলডোবা ক্রমে ক্রমে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সংলগ্ন এলাকার মিলনপল্লীর বাসিন্দা মিঠুন রঙিন মাছের চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

একসময় যে অঞ্চলে পা রাখার কথা ভাবতো না মানুষ, সেখানেই এখন পর্যটকদের অন্যতম সেরা ডেস্টিনেশন। গজলডোবার ভোরের আলো পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সারাদিন থাকবার পর বিকেলে বাড়ি ফেরা, অনেক পর্যটকেরই এখন ঠিকানা গজলডোবা।

অন্যতম কাছে ট্যুরিজম এর পাশেই রয়েছে মিলনপল্লী এলাকা, সেখানকার বাসিন্দা মিঠুন। মিঠুনের স্বপ্ন ওই এলাকাকে মেগা রঙিন মাছের হাব বানানো। আপাতত নিজের মামাকে সঙ্গী করে নিয়ে ছয়টি পুকুরে রঙিন মাছের চাষ করছে সে। ওই এলাকার মানুষকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে মামা ভাগ্নে। করোনার আগে নেপালেও যেত রঙিন মাছ ,তবে করোনা লকডাউন এসবের কারণে বর্তমানে রঙিন মাছ আর নেপালে যাচ্ছেনা। মানে ডুয়ার্সে এলাকা শিলিগুড়ি সহ আরো বেশ কিছু এলাকায় তারা রঙিন মাছ সরবরাহ করে, প্রসঙ্গে তারা জানিয়েছে, আস্তে আস্তে চাহিদা বাড়ছে। মিঠুন জানিয়েছে মাছ পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।

এরকম পরিস্থিতিতে সরকারি সাহায্য পেলে তাদের ব্যবসার আরো উন্নতি হবে এমনটাই মনে করছেন। মানুষের কাছে চাহিদা বাড়ানোর দরকার বিভিন্ন আকর্ষণীয় রঙিন মাছ, নগদ টাকার অভাবে তারা সেই সমস্ত রঙিন মাছগুলি কিনতে পারছে না। সরকারি সাহায্য পেলে তাদের অনেকটাই সুবিধা হবে।