২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বিশ্বভারতীর ফলকে রবীন্দ্রনাথের নাম না থাকা ঘিরে সরব তৃণমূল

দেবজিৎ মুখার্জি, বীরভূম: সদ্য শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে হেরিটেজ তকমা। এদিকে, সেই প্রাপ্তিকে উদযাপন করে একটি ফলক এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। যেখানে নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও আচার্যের। ফলকে রয়েছে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর নাম ও আচার্য নরেন্দ্র মোদীর নাম। তবে বিশ্বভারতী বলতে যাঁর নাম প্রথমেই উচ্চারিত হয়,সেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামই নেই ফলকে। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

এদিকে, বিশ্বভারতীর ফলক বিতর্কে এবার মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ জহর সরকার। এক্স হ্যান্ডেলে বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী ও আচার্য নরেন্দ্র মোদীকে তোপ দেগে একটি পোস্ট করেন জহর সরকার। জহর সরকার বলেন, ‘ইউনেস্কো বিশেষভাবে বলেছে যে তারা শান্তিনিকেতনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে ঘোষণা করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার অনন্য উত্তরাধিকারকে সম্মান করছে। একজন ক্ষমতালোভী উপাচার্য এবং তার বস মনে করছেন ইউনেস্কো তাদের সম্মান করছে।’

এদিকে, ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর এই ফলক ইস্যুতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলছেন, এই ঘটনা, বিশ্বভারতী থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা। হিন্দুস্তান টাইমসকে তিনি ফোনে জানিয়েছেন, বর্তমান বিশ্ব ভারতী কর্তৃপক্ষ বিশ্বভারতী থেকে ঠাকুরের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। কিছু প্রতিবাদ হওয়া উচিত। যাঁরা এটা করেছেন তাঁদের শিক্ষা দেওয়া দরকার।’

এদিকে, এই ইস্যুটি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলছেন,’সূর্যকে যেমন চিহ্নিত করার প্রয়োজন নেই, তেমনি ঠাকুর এবং বিশ্বভারতীর মধ্যে সম্পর্ক ঘোষণা করার দরকার নেই। কেউ কেউ অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন তুলছেন। কিছু লোক আছে যাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য বিরোধিতা করা। তাঁদের বক্তব্যের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিশ্বভারতীর ফলকে রবীন্দ্রনাথের নাম না থাকা ঘিরে সরব তৃণমূল

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৩, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি, বীরভূম: সদ্য শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে হেরিটেজ তকমা। এদিকে, সেই প্রাপ্তিকে উদযাপন করে একটি ফলক এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। যেখানে নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও আচার্যের। ফলকে রয়েছে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর নাম ও আচার্য নরেন্দ্র মোদীর নাম। তবে বিশ্বভারতী বলতে যাঁর নাম প্রথমেই উচ্চারিত হয়,সেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামই নেই ফলকে। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

এদিকে, বিশ্বভারতীর ফলক বিতর্কে এবার মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ জহর সরকার। এক্স হ্যান্ডেলে বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী ও আচার্য নরেন্দ্র মোদীকে তোপ দেগে একটি পোস্ট করেন জহর সরকার। জহর সরকার বলেন, ‘ইউনেস্কো বিশেষভাবে বলেছে যে তারা শান্তিনিকেতনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে ঘোষণা করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার অনন্য উত্তরাধিকারকে সম্মান করছে। একজন ক্ষমতালোভী উপাচার্য এবং তার বস মনে করছেন ইউনেস্কো তাদের সম্মান করছে।’

এদিকে, ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর এই ফলক ইস্যুতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলছেন, এই ঘটনা, বিশ্বভারতী থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা। হিন্দুস্তান টাইমসকে তিনি ফোনে জানিয়েছেন, বর্তমান বিশ্ব ভারতী কর্তৃপক্ষ বিশ্বভারতী থেকে ঠাকুরের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। কিছু প্রতিবাদ হওয়া উচিত। যাঁরা এটা করেছেন তাঁদের শিক্ষা দেওয়া দরকার।’

এদিকে, এই ইস্যুটি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলছেন,’সূর্যকে যেমন চিহ্নিত করার প্রয়োজন নেই, তেমনি ঠাকুর এবং বিশ্বভারতীর মধ্যে সম্পর্ক ঘোষণা করার দরকার নেই। কেউ কেউ অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন তুলছেন। কিছু লোক আছে যাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য বিরোধিতা করা। তাঁদের বক্তব্যের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই।