২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

আমডাঙার কুমারদুনি গ্রামে আইএসএফ এবং তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ; চলে গুলি ও বোমাবাজি

উত্তর ২৪ পরগনা: উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙার কুমারদুনি গ্রামে আইএসএফ এবং তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ। চলল গুলি এবং বোমাবাজিও। জখম উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন। তাঁদের আমডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের বারাসত জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমডাঙা থানায় দু’পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে এখনও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।

জানা যায়, রবিবার সন্ধেয় দু’টি শিশু খেলা করছিল যাদের পরিবারের রাজনৈতিক মতাদর্শ সম্পূর্ণ আলাদা – একজন তৃণমূল ও অপরজন আইএসএফ। মহম্মদ রবিউল মণ্ডল, এক তৃণমূল সমর্থক, ঝগড়াঝাটি থামিয়ে দেন। এরপরই সেই ঝগড়া নেয় রাজনৈতিক রূপ।

মহম্মদ রবিউল মণ্ডল বলেন “ওই দুই শিশুর ঝগড়াঝাটির মেটার পরই সামিন, হারান, জামিন, রেজাউল মণ্ডল নামে আইএসএফ সমর্থকরা আমার বাড়িতে আসে। আইএসএফ করার জন্য চাপ ভাই আমাকে। তা না মানায় আমাদের পরিবারের সকলকে বেধড়ক মারধর করে। গুলি চালানো হয়। আগ্নেয়াস্ত্রের বাঁট দিয়েও মারধর করা হয়। এমনকী ধারালো অস্ত্রের কোপও দেওয়া হয় আমাকে। আমাকে বাঁচাতে গিয়ে আমার ভাইয়েরাও জখম হয়।”

এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন আইএসএফ। তাঁদের পালটা দাবি, তৃণমূল কর্মীরাই তাঁদের উপর হামলা চালায়।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আমডাঙার কুমারদুনি গ্রামে আইএসএফ এবং তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ; চলে গুলি ও বোমাবাজি

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২২, সোমবার

উত্তর ২৪ পরগনা: উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙার কুমারদুনি গ্রামে আইএসএফ এবং তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ। চলল গুলি এবং বোমাবাজিও। জখম উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন। তাঁদের আমডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের বারাসত জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমডাঙা থানায় দু’পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে এখনও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।

জানা যায়, রবিবার সন্ধেয় দু’টি শিশু খেলা করছিল যাদের পরিবারের রাজনৈতিক মতাদর্শ সম্পূর্ণ আলাদা – একজন তৃণমূল ও অপরজন আইএসএফ। মহম্মদ রবিউল মণ্ডল, এক তৃণমূল সমর্থক, ঝগড়াঝাটি থামিয়ে দেন। এরপরই সেই ঝগড়া নেয় রাজনৈতিক রূপ।

মহম্মদ রবিউল মণ্ডল বলেন “ওই দুই শিশুর ঝগড়াঝাটির মেটার পরই সামিন, হারান, জামিন, রেজাউল মণ্ডল নামে আইএসএফ সমর্থকরা আমার বাড়িতে আসে। আইএসএফ করার জন্য চাপ ভাই আমাকে। তা না মানায় আমাদের পরিবারের সকলকে বেধড়ক মারধর করে। গুলি চালানো হয়। আগ্নেয়াস্ত্রের বাঁট দিয়েও মারধর করা হয়। এমনকী ধারালো অস্ত্রের কোপও দেওয়া হয় আমাকে। আমাকে বাঁচাতে গিয়ে আমার ভাইয়েরাও জখম হয়।”

এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন আইএসএফ। তাঁদের পালটা দাবি, তৃণমূল কর্মীরাই তাঁদের উপর হামলা চালায়।