২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মায়ের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে আত্মঘাতী যুবক

মায়ের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে আত্মঘাতী যুবক

মহম্মদ নাজিম আক্তার,হরিশ্চন্দ্রপুর,০৪ জানুয়ারি :জোর করে মায়ের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে মদপান করে নিজের শোয়ার ঘরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত ৮.৩০ টা নাগাদ মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকের মহেন্দ্রপুর জিপির ভবানীপুর গ্রামে। মৃত যুবকের নাম ইসলিম আলি (২০)। মৃত দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।যুবকের অকাল মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

মৃত যুবকের মা সেহেলুন বেওয়া জানান তার চার ছেলে ও এক মেয়ে।ইসলিম ছোট ছেলে। প্রায় এক বছর আগে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত পাঙ্কা গ্রামে বিয়ে করে।দিনমজুর করে সংসার চালাতো।ছেলে প্রায় প্রতিদিনই মদপান করে বাড়ি আসত।এর জেরে পরিবারে একটা অশান্তি প্রায় লেগেই থাকতো। মঙ্গলবার সকালে মায়ের কাছ থেকে জোর করে ২০০ টাকা নিয়ে মদপান করে আসে। সন্ধ্যার সময় মা সেহেলুন গ্রামেই পীরের মাজারে গেলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর প্রতিবেশীর মুখে ছেলের ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার খবর শুনতে পাই।

যুবকের আত্মহত্যার খবর পেয়ে ছুটে আসে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।মৃত দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল ও হাসপাতালে পাঠান বলে খবর।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মায়ের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে আত্মঘাতী যুবক

আপডেট : ৫ জানুয়ারী ২০২১, মঙ্গলবার

মায়ের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে আত্মঘাতী যুবক

মহম্মদ নাজিম আক্তার,হরিশ্চন্দ্রপুর,০৪ জানুয়ারি :জোর করে মায়ের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে মদপান করে নিজের শোয়ার ঘরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাত ৮.৩০ টা নাগাদ মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকের মহেন্দ্রপুর জিপির ভবানীপুর গ্রামে। মৃত যুবকের নাম ইসলিম আলি (২০)। মৃত দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।যুবকের অকাল মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

মৃত যুবকের মা সেহেলুন বেওয়া জানান তার চার ছেলে ও এক মেয়ে।ইসলিম ছোট ছেলে। প্রায় এক বছর আগে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত পাঙ্কা গ্রামে বিয়ে করে।দিনমজুর করে সংসার চালাতো।ছেলে প্রায় প্রতিদিনই মদপান করে বাড়ি আসত।এর জেরে পরিবারে একটা অশান্তি প্রায় লেগেই থাকতো। মঙ্গলবার সকালে মায়ের কাছ থেকে জোর করে ২০০ টাকা নিয়ে মদপান করে আসে। সন্ধ্যার সময় মা সেহেলুন গ্রামেই পীরের মাজারে গেলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর প্রতিবেশীর মুখে ছেলের ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার খবর শুনতে পাই।

যুবকের আত্মহত্যার খবর পেয়ে ছুটে আসে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।মৃত দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল ও হাসপাতালে পাঠান বলে খবর।