২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হতেই ওই দেশ ছেড়ে বাড়ি ফিরলেন শিলিগুড়ির পড়ুয়ারা

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২, শুক্রবার
  • 9

নিজস্ব প্রতিবেদন:- রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হতেই ওই দেশ ছেড়ে বাড়ি ফিরলেন শিলিগুড়ির পড়ুয়ারা। ইউক্রেন থেকে চার্টার্ড বিমানে দিল্লি ফিরেছেন তিন ছাত্র। তাঁদের মধ্যে একজন শিলিগুড়ির  বাড়িতে ফিরতে পেরেছেন। তাঁর নাম বিতান বসু। ডাক্তারি পড়তে ইউক্রেন গিয়েছিলেন বিতান। বাকিরা বিমান না পাওয়ায় দিল্লিতেই আপাতত থেকে গিয়েছেন। এদিকে সন্তানরা ইউক্রেন থেকে নিরাপদে দেশ থেকে ফিরে আসায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অভিভাবকরা। তবে ইউক্রেনে আটকে শিলিগুড়ির আরও এক যুবক।বিতান বসু ছাড়া ভারতে ফিরেছেন শিলিগুড়ির আরো তিনজন।দুজন দিল্লীতে আটকে আছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ি ফিরে আসেন বিতান বসু। তাঁকে পেয়ে স্বভাবতই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন বাবা-মা। ছেলেকে পেয়ে তার মা বন্যা বসু বলেন, “টিভিতে যখন দেখছিলাম যে যুদ্ধ শুরু হচ্ছে, তখন থেকেই ভীষণ চিন্তায় ছিলাম। আমরা বারবার কথা বলছিলাম ছেলের সঙ্গে। কিন্তু তারা ফেরার টিকিট পাচ্ছিল না। পরে তাদের কলেজ থেকে চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থা করে দেয়। গত বছর ডিসেম্বরে ডাক্তারি পড়তে গিয়েছিল সে। এখন বেশ ভাল লাগছে স্বস্তি ফিরেছে।” আবার বাড়ি ফিরে নিজেও আপ্লুত পড়ুয়া বিতান বসু। তিনি বলেন, “আতঙ্কে ছিলাম তা ঠিক কিন্তু ঘাবড়ে যাইনি। কারণ জানতাম যে করেই হোক আমাদের বাড়ি ফিরতে হবে। আমরা ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম সপ্তাহখানেক আগে। তারাই পরে আমাদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য বলে কারণ ওখানে পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। তবে মনখারাপ কারণ আমার অনেক বন্ধু ওখানে আটকে রয়েছে। আশা করি, ওরা ভালই থাকবে ওদের কোনও ক্ষতি হবে না।” এদিকে দিল্লিতে আটকে পড়া অন্যন্যা মৈত্রের মা রাজর্ষি মৈত্র বলেন, “মেয়ে ফিরে আসায় টেনশন মুক্ত হয়েছি। ওর সঙ্গে কথা হয়েছে। ও আর সুকৃতি দেব একসঙ্গে দিল্লিতে রয়েছে। শুক্রবারই ফিরে আসবে ওরা।”মোট পঞ্চাশজন ইউক্রেন থেকে ভারতে ফিরে এসেছেন।তাদের মধ্যে অনেকেই দিল্লীতে আটকে আছেন কিছু কাগজপত্রের সমস্যার কারনে।কাগজপত্রের সমস্যার জন্য ইউক্রেনে আটকে আছেন সৌমিত্র মালাকার।তিনি তার অফিসেই আটকে আছেন।অবশ্য অফিস তার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছে,যতদিন না পযর্ন্ত সে বাড়ি ফিরে আসছে।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হতেই ওই দেশ ছেড়ে বাড়ি ফিরলেন শিলিগুড়ির পড়ুয়ারা

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২, শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদন:- রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হতেই ওই দেশ ছেড়ে বাড়ি ফিরলেন শিলিগুড়ির পড়ুয়ারা। ইউক্রেন থেকে চার্টার্ড বিমানে দিল্লি ফিরেছেন তিন ছাত্র। তাঁদের মধ্যে একজন শিলিগুড়ির  বাড়িতে ফিরতে পেরেছেন। তাঁর নাম বিতান বসু। ডাক্তারি পড়তে ইউক্রেন গিয়েছিলেন বিতান। বাকিরা বিমান না পাওয়ায় দিল্লিতেই আপাতত থেকে গিয়েছেন। এদিকে সন্তানরা ইউক্রেন থেকে নিরাপদে দেশ থেকে ফিরে আসায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অভিভাবকরা। তবে ইউক্রেনে আটকে শিলিগুড়ির আরও এক যুবক।বিতান বসু ছাড়া ভারতে ফিরেছেন শিলিগুড়ির আরো তিনজন।দুজন দিল্লীতে আটকে আছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ি ফিরে আসেন বিতান বসু। তাঁকে পেয়ে স্বভাবতই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন বাবা-মা। ছেলেকে পেয়ে তার মা বন্যা বসু বলেন, “টিভিতে যখন দেখছিলাম যে যুদ্ধ শুরু হচ্ছে, তখন থেকেই ভীষণ চিন্তায় ছিলাম। আমরা বারবার কথা বলছিলাম ছেলের সঙ্গে। কিন্তু তারা ফেরার টিকিট পাচ্ছিল না। পরে তাদের কলেজ থেকে চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থা করে দেয়। গত বছর ডিসেম্বরে ডাক্তারি পড়তে গিয়েছিল সে। এখন বেশ ভাল লাগছে স্বস্তি ফিরেছে।” আবার বাড়ি ফিরে নিজেও আপ্লুত পড়ুয়া বিতান বসু। তিনি বলেন, “আতঙ্কে ছিলাম তা ঠিক কিন্তু ঘাবড়ে যাইনি। কারণ জানতাম যে করেই হোক আমাদের বাড়ি ফিরতে হবে। আমরা ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম সপ্তাহখানেক আগে। তারাই পরে আমাদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য বলে কারণ ওখানে পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। তবে মনখারাপ কারণ আমার অনেক বন্ধু ওখানে আটকে রয়েছে। আশা করি, ওরা ভালই থাকবে ওদের কোনও ক্ষতি হবে না।” এদিকে দিল্লিতে আটকে পড়া অন্যন্যা মৈত্রের মা রাজর্ষি মৈত্র বলেন, “মেয়ে ফিরে আসায় টেনশন মুক্ত হয়েছি। ওর সঙ্গে কথা হয়েছে। ও আর সুকৃতি দেব একসঙ্গে দিল্লিতে রয়েছে। শুক্রবারই ফিরে আসবে ওরা।”মোট পঞ্চাশজন ইউক্রেন থেকে ভারতে ফিরে এসেছেন।তাদের মধ্যে অনেকেই দিল্লীতে আটকে আছেন কিছু কাগজপত্রের সমস্যার কারনে।কাগজপত্রের সমস্যার জন্য ইউক্রেনে আটকে আছেন সৌমিত্র মালাকার।তিনি তার অফিসেই আটকে আছেন।অবশ্য অফিস তার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছে,যতদিন না পযর্ন্ত সে বাড়ি ফিরে আসছে।