২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

ফেরত পাঠানো বিল গৃহীত হলো তামিলনাড়ু বিধানসভায়

দেবজিৎ মুখার্জি: দিন দুই আগেই ১০টি বিল ফেরত পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল এন রবি। শনিবার সেই সব ক’টি বিল ফের গৃহীত হল তামিলনাড়ু বিধানসভায়। এর পরই মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন বলেন, “জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা বিধানসভায় পাস করা বিলগুলিতে সম্মতি দেওয়া রাজ্যপালের কর্তব্য। তাঁর যদি কোনও প্রশ্ন থাকে, তিনি তা সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারতেন। কিন্তু, রাজ্যপালের ভূমিকা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।”

প্রসঙ্গত, রাজ্য বিধানসভায় পাস হওয়া বিল আটকে রাখায় রাজ্যপাল এন রবি সুপ্রিম কোর্টের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন গত সপ্তাহে। শীর্ষ আদালতের সমালোচনার পর রাজভবনে পড়ে থাকা ১০টি বিল নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন বটে। সব কটি বিল ফের বিধানসভার কাছে ফেরত পাঠিয়েছেন তিনি। তাতে রাজ্যপাল বেশ কয়েকটি সংশোধনীর সুপারিশ করেছেন।

এর পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে চার বছর ধরে ফেলে রাখা বিল কী করে মাত্র সাত দিনের মধ্যে ফেরত দিলেন রাজ্যপাল। তামিলনাড়ু সরকার সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ করেছিল রাজ্যপাল ইচ্ছা করে বিলগুলি আটকে রেখেছেন। প্রতিটি বিলই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা সংক্রান্ত। রাজ্যপাল বিল ফেরত পাঠানোর পরই তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার জানিয়েছিল, তারা বিলগুলি অপরিবর্তিত রেখেই ফের বিধানসভায় পাস করাবে। সেজন্যই শনিবার বিধানসভার একদিনের অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। দ্বিতীয়বার পাস করিয়ে বিলগুলি আবার রাজভবনে পাঠানো হবে। রাজ্য সরকারের বক্তব্য, রাজ্য সরকার রাজ্যপালের সুপারিশ মানতে বাধ্য নয়। বিল আইন এবং সংবিধান বিরোধী হলে অবশ্যই রাজ্যপাল ধরিয়ে দিতে পারেন। নিজের অভিমত চাপিয়ে দিতে পারেন না। সেই মতো শনিবার ফের বিলগুলি পাশ করানো হল।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফেরত পাঠানো বিল গৃহীত হলো তামিলনাড়ু বিধানসভায়

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২৩, রবিবার

দেবজিৎ মুখার্জি: দিন দুই আগেই ১০টি বিল ফেরত পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল এন রবি। শনিবার সেই সব ক’টি বিল ফের গৃহীত হল তামিলনাড়ু বিধানসভায়। এর পরই মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন বলেন, “জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা বিধানসভায় পাস করা বিলগুলিতে সম্মতি দেওয়া রাজ্যপালের কর্তব্য। তাঁর যদি কোনও প্রশ্ন থাকে, তিনি তা সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারতেন। কিন্তু, রাজ্যপালের ভূমিকা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।”

প্রসঙ্গত, রাজ্য বিধানসভায় পাস হওয়া বিল আটকে রাখায় রাজ্যপাল এন রবি সুপ্রিম কোর্টের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন গত সপ্তাহে। শীর্ষ আদালতের সমালোচনার পর রাজভবনে পড়ে থাকা ১০টি বিল নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন বটে। সব কটি বিল ফের বিধানসভার কাছে ফেরত পাঠিয়েছেন তিনি। তাতে রাজ্যপাল বেশ কয়েকটি সংশোধনীর সুপারিশ করেছেন।

এর পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে চার বছর ধরে ফেলে রাখা বিল কী করে মাত্র সাত দিনের মধ্যে ফেরত দিলেন রাজ্যপাল। তামিলনাড়ু সরকার সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ করেছিল রাজ্যপাল ইচ্ছা করে বিলগুলি আটকে রেখেছেন। প্রতিটি বিলই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা সংক্রান্ত। রাজ্যপাল বিল ফেরত পাঠানোর পরই তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার জানিয়েছিল, তারা বিলগুলি অপরিবর্তিত রেখেই ফের বিধানসভায় পাস করাবে। সেজন্যই শনিবার বিধানসভার একদিনের অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। দ্বিতীয়বার পাস করিয়ে বিলগুলি আবার রাজভবনে পাঠানো হবে। রাজ্য সরকারের বক্তব্য, রাজ্য সরকার রাজ্যপালের সুপারিশ মানতে বাধ্য নয়। বিল আইন এবং সংবিধান বিরোধী হলে অবশ্যই রাজ্যপাল ধরিয়ে দিতে পারেন। নিজের অভিমত চাপিয়ে দিতে পারেন না। সেই মতো শনিবার ফের বিলগুলি পাশ করানো হল।