২৭ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
২৭ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

দিনমজুরের অর্থে ম্যানগ্রোভ রোপণ করে নজির স্থাপন সুন্দরবন মাতলা মোহনা সংগঠনের সদস্যদের 

হাসান লস্কর, নতুন গতি, কুলতলী দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :গ্রামের নাম দেউলবাড়ি বাবুরামের চক নস্কর পাড়া। মাতলা নদীর কিনারে অবস্থিত আব্দুলের চর। এই চরে আমফান ঝড়ে বড়ো বড়ো গাছ ভেঁঙে পড়েছিল বাকি গাছ গুলো ছিল এলোমেলো অবস্থায়।সেই গুলো পরে পড়ে যায় । এই মুহূর্তে নদী ভাঙ্গনের জন্য ম্যানগ্রোভ নদী গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে আব্দুলের চরে- সংকটে ম্যানগ্রোভ অরণ্য।

সুন্দর বন মাতলা মোহনা সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের উপার্জিত অর্থে চারা গাছ কিনে তিনদিন ধরে মাতলার চরে ম্যানগ্রোভ রোপন করল তারা। প্রতি বছরের ন্যায় এমনই কর্মযজ্ঞে সামিল হয়‌ এলাকার দিনমজুর থেকে বাড়ির মহিলারা। দুই হাজারের অধিক ম্যানগ্ৰোভ রোপণ করল তারা । আগামী দিনে বনদপ্তরের সহযোগিতা পেলে যে সমস্ত এলাকায় ম্যানগ্রোভ ধ্বংস হয়ে গেছে সেখানে নতুন চারা গাছ রোপনের পরিকল্পনাএই মাতলা মোহনা সংগঠনের। এই সংগঠনের সম্পাদক সমীর বৈদ্যের কথায় প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রতিবছরে লেগে থাকে। তাই ম্যানগ্রোভ একমাত্র পারে আমাদেরকে রক্ষা করতে। নইলে নদী বাঁধ ভেঙে নোনা জলে এলাকা পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। তাতেই চাষের জমি দফারফা হবে। থাকবে কিনা তাদের বসতবাড়ি সংকটে এই মুহূর্তে তারা।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে ৩ হাজার টাকার দাবি, নালুয়ায় মহিলাদের অবস্থান

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দিনমজুরের অর্থে ম্যানগ্রোভ রোপণ করে নজির স্থাপন সুন্দরবন মাতলা মোহনা সংগঠনের সদস্যদের 

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২৩, মঙ্গলবার

হাসান লস্কর, নতুন গতি, কুলতলী দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :গ্রামের নাম দেউলবাড়ি বাবুরামের চক নস্কর পাড়া। মাতলা নদীর কিনারে অবস্থিত আব্দুলের চর। এই চরে আমফান ঝড়ে বড়ো বড়ো গাছ ভেঁঙে পড়েছিল বাকি গাছ গুলো ছিল এলোমেলো অবস্থায়।সেই গুলো পরে পড়ে যায় । এই মুহূর্তে নদী ভাঙ্গনের জন্য ম্যানগ্রোভ নদী গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে আব্দুলের চরে- সংকটে ম্যানগ্রোভ অরণ্য।

সুন্দর বন মাতলা মোহনা সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের উপার্জিত অর্থে চারা গাছ কিনে তিনদিন ধরে মাতলার চরে ম্যানগ্রোভ রোপন করল তারা। প্রতি বছরের ন্যায় এমনই কর্মযজ্ঞে সামিল হয়‌ এলাকার দিনমজুর থেকে বাড়ির মহিলারা। দুই হাজারের অধিক ম্যানগ্ৰোভ রোপণ করল তারা । আগামী দিনে বনদপ্তরের সহযোগিতা পেলে যে সমস্ত এলাকায় ম্যানগ্রোভ ধ্বংস হয়ে গেছে সেখানে নতুন চারা গাছ রোপনের পরিকল্পনাএই মাতলা মোহনা সংগঠনের। এই সংগঠনের সম্পাদক সমীর বৈদ্যের কথায় প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রতিবছরে লেগে থাকে। তাই ম্যানগ্রোভ একমাত্র পারে আমাদেরকে রক্ষা করতে। নইলে নদী বাঁধ ভেঙে নোনা জলে এলাকা পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। তাতেই চাষের জমি দফারফা হবে। থাকবে কিনা তাদের বসতবাড়ি সংকটে এই মুহূর্তে তারা।