২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রথম ইন্ডিয়ান ফিশারিজ আউটলুক ২০২২ অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে ব্যারাকপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:- প্রথম ইন্ডিয়ান ফিশারিজ আউটলুক ২০২২ অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে ব্যারাকপুর সেন্ট্রাল মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রে। এদিন থেকে শুরু করে চলবে আগামী তিন দিন। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে আজকের এই প্রথম ইন্ডিয়ান ফিশারিজ আউটলুক ২০২২ এর সূচনা করেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। এছাড়াও এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার (কোলকাতা) এর সম্পাদক, ডঃ জয়কৃষ্ণ জানা, ডেপুটি ডিরেক্টর ICAR নিউ দিল্লি, ডঃ বসন্ত কুমার দাস, ডিরেক্টর CIFRI ব্যারাকপুর।মূলত, মৎস্য গবেষণা ও চাষের সুদূর প্রসার উন্নতির লক্ষ্যে মৎস্য বিজ্ঞানী ও ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আলোচনা হয় এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। কিভাবে প্রযুক্তিগতভাবে মাছ চাষ করে পূরণ করা যায় মাছের চাহিদা, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় অংশ নেবেন মৎস্য চাষের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিত্বরা। ব্যাপকভাবে দেশীয় মাছ চাষ করতে সক্ষম হলে, অন্য রাজ্য থেকে আমাদের রাজ্যে মাছ আমদানি বন্ধ হতে পারে। মাছের উপর নির্ভরশীল হতে পারবে এ রাজ্যও। কিভাবে উন্নত প্রযুক্তিতে জলাশয়গুলোতে মাছ চাষ করা সম্ভব হবে তা নিয়েও এদিনের সভায় আলোচনা হয়। এই আলোচনায় সুদূর প্রসারী ফল লাভ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে পরবর্তী সময়ে জেলার মৎস্য চাষের পাশাপাশি উন্নতি লাভ করবে এই চাষে আগ্রহী মানুষদের জীবিকার সন্ধান দিতে। আরো বিশদে মৎস্য চাষের বিষয়ে জানতে পারবেন মানুষজন। আগামী দিনে মৎস্য চাষের ক্ষেত্রে নতুন দিশার দেখা মিলবে বলেই উদ্যোক্তাদের আশা।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রথম ইন্ডিয়ান ফিশারিজ আউটলুক ২০২২ অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে ব্যারাকপুর

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২২, রবিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- প্রথম ইন্ডিয়ান ফিশারিজ আউটলুক ২০২২ অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে ব্যারাকপুর সেন্ট্রাল মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রে। এদিন থেকে শুরু করে চলবে আগামী তিন দিন। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে আজকের এই প্রথম ইন্ডিয়ান ফিশারিজ আউটলুক ২০২২ এর সূচনা করেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। এছাড়াও এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার (কোলকাতা) এর সম্পাদক, ডঃ জয়কৃষ্ণ জানা, ডেপুটি ডিরেক্টর ICAR নিউ দিল্লি, ডঃ বসন্ত কুমার দাস, ডিরেক্টর CIFRI ব্যারাকপুর।মূলত, মৎস্য গবেষণা ও চাষের সুদূর প্রসার উন্নতির লক্ষ্যে মৎস্য বিজ্ঞানী ও ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আলোচনা হয় এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। কিভাবে প্রযুক্তিগতভাবে মাছ চাষ করে পূরণ করা যায় মাছের চাহিদা, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় অংশ নেবেন মৎস্য চাষের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিত্বরা। ব্যাপকভাবে দেশীয় মাছ চাষ করতে সক্ষম হলে, অন্য রাজ্য থেকে আমাদের রাজ্যে মাছ আমদানি বন্ধ হতে পারে। মাছের উপর নির্ভরশীল হতে পারবে এ রাজ্যও। কিভাবে উন্নত প্রযুক্তিতে জলাশয়গুলোতে মাছ চাষ করা সম্ভব হবে তা নিয়েও এদিনের সভায় আলোচনা হয়। এই আলোচনায় সুদূর প্রসারী ফল লাভ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে পরবর্তী সময়ে জেলার মৎস্য চাষের পাশাপাশি উন্নতি লাভ করবে এই চাষে আগ্রহী মানুষদের জীবিকার সন্ধান দিতে। আরো বিশদে মৎস্য চাষের বিষয়ে জানতে পারবেন মানুষজন। আগামী দিনে মৎস্য চাষের ক্ষেত্রে নতুন দিশার দেখা মিলবে বলেই উদ্যোক্তাদের আশা।