নুরউদ্দিন,দক্ষিণ ২৪ পরগনা : গভীর সমুদ্রে হঠাৎ আসা ঝড়ে ঘটল বিপর্যয়। ট্রলার উলটে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন ৯ মৎস্যজীবী। ঘটনার খবর পেয়ে পৌঁছালো মথুরাপুরের সাংসদ। সূত্রের খবর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার নামখানা ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া এফবি বাবা গোবিন্দ নামের ট্রলারটিতে ১৭ জন মৎস্যজীবী মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গত বুধবার সকালে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিলেন। তারপর হঠাৎ সমুদ্রে টর্নেডো, ঘটে গেল বিপত্তি, ১৭ জনের মধ্যে ৮ জন পাটাতনে ছিলেন। দুর্ঘটনার সময় সমুদ্রে ছিটকে পড়ে,তারা ভাসতে থাকে নদীতে। ৮ জনকে উদ্ধার করে কাকদ্বীপ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়,তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন! হাসপাতালে পৌঁছায় মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার,এবং সর্ব সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তিনি।
ট্রলারের মাঝি সহ আরো ৯ মৎস্যজীবী কেবিনের মধ্যে ছিলেন তার ফলে তারা আটকে পড়ে, তাদের সন্ধান মিলছে না। টর্নেডো আসার সময় তারা কেবিনেই ছিলেন।আজ ভোর রাতে এই ঘটনা ঘটায় মৎসজীবীরা ঘুমের মধ্যেই ছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনায় স্থানীয় পাঁচটি ট্রলার ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ট্রলারটির উদ্ধারের চেষ্টা করে। অবশেষে ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সুন্দর পুলিশ জেলার সুপার ডঃ কোটেশ্বর রাও।
বাঘের চর থেকে ৬০ কিলোমিটার গভীরে এই ঘটনা ঘটেছে। মৎস্যজীবী সংগঠনের একাংশ মনে করছেন সমুদ্রে সৃষ্টি হওয়া টর্নেডোর কেন্দ্রবিন্দুতে ওই ট্রলারটি ছিল,তারই যেরে হঠাৎ আসা বিপর্যয়ের সম্ভবনা আগে থেকে আঁচ করতে পারেনি মাঝি। এই ঘটনায় মৎস্যজীবীদের পরিবারে নেমেছে শোকের ছায়া।
নতুন গতি 




















