২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ফাঁস ছাড়া সুশান্তের দেহে নেই আঘাতের কোনও চিহ্ন, ধস্তাধস্তির নির্দশন  এইমস

 

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক:  ফাঁসের দাগ ছাড়া অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের দেহে আর কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। ধস্তাধস্তির কোনও প্রমাণ নেই। শনিবার একথা জানালেন এইমসের বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান সুধীর গুপ্ত।
সংবাদসংস্থা এএনআইকে এইমসের ফরেন্সিক প্রধান বলেন, ‘ফাঁস ছাড়া সুশান্তের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। মৃতের শরীর এবং পোশাকে লড়াই বা ধস্তাধস্তির কোনও নির্দশন নেই।’ ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কাউকে খুন করা হলে সাধারণত তিনি শেষবেলার বাঁচার প্রাণপণ চেষ্টা করেন। তার জেরে ধস্তাধস্তি হয়। স্বভাবতই সেই প্রমাণ থেকে যায়। কিন্তু সুশান্তের ক্ষেত্রে সেরকম কোনও নির্দশন মেলেনি।
চিকিৎসক সুধীর গুপ্ত বলেন, ‘আমাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছি। এটা ফাঁস দেওয়ার ঘটনা এবং আত্মহত্যার জেরে মৃত্যু হয়েছে।’
খুনের তত্ত্ব নাকচ হয়ে গেলেও তদন্ত চালিয়ে যাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)। সূত্রের খবর, আত্মহত্যায় প্ররোচনার দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত চালানো হবে। প্রাথমিকভাবে যে অভিযোগ নথিভুক্ত করেছিল বিহার পুলিশ। কিন্তু সুশান্তের মৃত্যু মামলায় আপাতত ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা যোগ করা হচ্ছে না বলে সূত্রের খবর। একাধিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে এনডিটিভি বলেছে, ‘তদন্তে সবদিক খোলা আছে। অন্য কিছুর যদি প্রমাণ মেলে, তাহলে ৩০২ ধারা (খুন) যোগ করা হবে। কিন্তু তদন্তের ৪৫ দিনে সেরকম কোনও প্রমাণ মেলেনি।’
সেই রিপোর্ট নিয়ে সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর পরিবারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। রিয়ার আইনজীবী সতীশ মানেশিন্ডে বলেছেন, ‘আমরা সরকারি রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। সত্যি কখনও পরিবর্তিত হতে পারে না।’

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফাঁস ছাড়া সুশান্তের দেহে নেই আঘাতের কোনও চিহ্ন, ধস্তাধস্তির নির্দশন  এইমস

আপডেট : ৪ অক্টোবর ২০২০, রবিবার

 

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক:  ফাঁসের দাগ ছাড়া অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের দেহে আর কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। ধস্তাধস্তির কোনও প্রমাণ নেই। শনিবার একথা জানালেন এইমসের বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান সুধীর গুপ্ত।
সংবাদসংস্থা এএনআইকে এইমসের ফরেন্সিক প্রধান বলেন, ‘ফাঁস ছাড়া সুশান্তের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। মৃতের শরীর এবং পোশাকে লড়াই বা ধস্তাধস্তির কোনও নির্দশন নেই।’ ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কাউকে খুন করা হলে সাধারণত তিনি শেষবেলার বাঁচার প্রাণপণ চেষ্টা করেন। তার জেরে ধস্তাধস্তি হয়। স্বভাবতই সেই প্রমাণ থেকে যায়। কিন্তু সুশান্তের ক্ষেত্রে সেরকম কোনও নির্দশন মেলেনি।
চিকিৎসক সুধীর গুপ্ত বলেন, ‘আমাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছি। এটা ফাঁস দেওয়ার ঘটনা এবং আত্মহত্যার জেরে মৃত্যু হয়েছে।’
খুনের তত্ত্ব নাকচ হয়ে গেলেও তদন্ত চালিয়ে যাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)। সূত্রের খবর, আত্মহত্যায় প্ররোচনার দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত চালানো হবে। প্রাথমিকভাবে যে অভিযোগ নথিভুক্ত করেছিল বিহার পুলিশ। কিন্তু সুশান্তের মৃত্যু মামলায় আপাতত ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা যোগ করা হচ্ছে না বলে সূত্রের খবর। একাধিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে এনডিটিভি বলেছে, ‘তদন্তে সবদিক খোলা আছে। অন্য কিছুর যদি প্রমাণ মেলে, তাহলে ৩০২ ধারা (খুন) যোগ করা হবে। কিন্তু তদন্তের ৪৫ দিনে সেরকম কোনও প্রমাণ মেলেনি।’
সেই রিপোর্ট নিয়ে সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর পরিবারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। রিয়ার আইনজীবী সতীশ মানেশিন্ডে বলেছেন, ‘আমরা সরকারি রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। সত্যি কখনও পরিবর্তিত হতে পারে না।’