২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

শুভেন্দু অধিকারীর সাহায্যের কারণেই লোকসভা নির্বাচনে জিতেছি প্রকাশ্যে ঘোষণা সৌমিত্র খাঁর

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: শুভেন্দু অধিকারীর জন্যই লোকসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুর আসন থেকে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন সৌমিত্র খাঁ বুধবার কাঁথির সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সৌমিত্র ফাঁস করলেন শুভেন্দু সম্পর্কে এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

 

তফাতটা মাঝের একটা বছরের। বদলে গিয়েছে দল, বদলে গিয়েছে রাজনৈতিক মঞ্চ। একসময়ের প্রতিপক্ষ এখনকার সহকর্মী। বৃহস্পতিবার কাঁথিতে ছিল শুভেন্দুর শক্তি প্রদর্শনের দিন। একদিকে সৌমিত্র খাঁ, অন্যদিকে, শমীক ভট্টাচার্য, মধ্যমনি শুভেন্দু। রোড শো শেষে সভা করলেন কাঁথির ভূমিপুত্র। তবে প্রথমেই মঞ্চে ওঠেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। শুভেন্দুকে পাশে নিয়েই বললেন একাধিক কথা। তবে সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়ে উঠল সৌমিত্রর বলা এক ‘কনফেসন’। কেন লোকসভায় বিষ্ণুপুরের আসন থেকে বিজেপির টিকিটে জিতে গিয়েছিলেন তিনি? তার পিছনে কাজ করেছিল সেই শুভেন্দু-ক্যারিশ্মাই।

 

কথাটা যখন সৌমিত্র বললেন, হঠাত্ একটা স্তব্ধতা, বিস্ময় কর্মীদের চোখেমুখে। সৌমিত্র বললেন, “শুভেন্দুদাকে লোকসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুরে না যেতে বলেছিলাম। দাদা যায়নি। তাই আমি জিতেছি” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, সৌমিত্র আসলে

জনগণের মধ্যে শুভেন্দু-ফ্যাক্টরটা কতটা স্পর্শকাতর, তা বোঝাতেই এই কথা বলেছেন। কাঁথির মাটিতে অধিকারী পরিবার তথা ভূমিপুত্র শুভেন্দু ম্যাজিক আজ আরও একবার দেখছে গোটা বাংলা। ঠিক এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েই সৌমিত্রর এই প্রারম্ভিক ভাষণের রাজনৈতিক তাত্পর্য অপরিসীম হয়ে উঠেছে বিশ্লেষকদের কাছে।

 

মেদিনীপুরের অমিতের সভা থেকেই শুভেন্দু স্পষ্ট করেছিলেন, বিজেপির সঙ্গে তাঁর যোগ বহুদিনের। সেই ২০১৪ সাল। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিজেপি নেতাদের ‘আবদার’ যে তৃণমূলে থাকতেই তিনি মেটাতেন, তা এদিন স্পষ্ট হল সৌমিত্রর কথাতেই।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শুভেন্দু অধিকারীর সাহায্যের কারণেই লোকসভা নির্বাচনে জিতেছি প্রকাশ্যে ঘোষণা সৌমিত্র খাঁর

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: শুভেন্দু অধিকারীর জন্যই লোকসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুর আসন থেকে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন সৌমিত্র খাঁ বুধবার কাঁথির সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সৌমিত্র ফাঁস করলেন শুভেন্দু সম্পর্কে এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

 

তফাতটা মাঝের একটা বছরের। বদলে গিয়েছে দল, বদলে গিয়েছে রাজনৈতিক মঞ্চ। একসময়ের প্রতিপক্ষ এখনকার সহকর্মী। বৃহস্পতিবার কাঁথিতে ছিল শুভেন্দুর শক্তি প্রদর্শনের দিন। একদিকে সৌমিত্র খাঁ, অন্যদিকে, শমীক ভট্টাচার্য, মধ্যমনি শুভেন্দু। রোড শো শেষে সভা করলেন কাঁথির ভূমিপুত্র। তবে প্রথমেই মঞ্চে ওঠেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। শুভেন্দুকে পাশে নিয়েই বললেন একাধিক কথা। তবে সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়ে উঠল সৌমিত্রর বলা এক ‘কনফেসন’। কেন লোকসভায় বিষ্ণুপুরের আসন থেকে বিজেপির টিকিটে জিতে গিয়েছিলেন তিনি? তার পিছনে কাজ করেছিল সেই শুভেন্দু-ক্যারিশ্মাই।

 

কথাটা যখন সৌমিত্র বললেন, হঠাত্ একটা স্তব্ধতা, বিস্ময় কর্মীদের চোখেমুখে। সৌমিত্র বললেন, “শুভেন্দুদাকে লোকসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুরে না যেতে বলেছিলাম। দাদা যায়নি। তাই আমি জিতেছি” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, সৌমিত্র আসলে

জনগণের মধ্যে শুভেন্দু-ফ্যাক্টরটা কতটা স্পর্শকাতর, তা বোঝাতেই এই কথা বলেছেন। কাঁথির মাটিতে অধিকারী পরিবার তথা ভূমিপুত্র শুভেন্দু ম্যাজিক আজ আরও একবার দেখছে গোটা বাংলা। ঠিক এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েই সৌমিত্রর এই প্রারম্ভিক ভাষণের রাজনৈতিক তাত্পর্য অপরিসীম হয়ে উঠেছে বিশ্লেষকদের কাছে।

 

মেদিনীপুরের অমিতের সভা থেকেই শুভেন্দু স্পষ্ট করেছিলেন, বিজেপির সঙ্গে তাঁর যোগ বহুদিনের। সেই ২০১৪ সাল। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিজেপি নেতাদের ‘আবদার’ যে তৃণমূলে থাকতেই তিনি মেটাতেন, তা এদিন স্পষ্ট হল সৌমিত্রর কথাতেই।