০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রয়াত হলেন মেমারী বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ীকা তথা প্রাক্তন কৃষক নেতা বিনয় কোঙার এর স্ত্রী মহারাণী কোঙার।

নূর আহমেদ,মেমারী : প্রয়াত হলেন মেমারী বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়িকা, তথা কৃষক নেতা বিনয় কোঙারের স্ত্রী মহারাণী কোঙার। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। শুক্রবার দুপুরে মেমারীতে নিজস্ব বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বাম আমলে অবিভক্ত বর্ধমানের সিপিআইএম এর প্রাক্তন জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন। ছিলেন মেমারী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ১৯৮২, ১৯৮৭, ১৯৯২ নির্বাচিত তিন বারের বিধায়ক। পাশাপাশি মহিলা সমিতির সর্বভারতীয় নেত্রী ছিলেন। মহারাণী কোঙারের বড় সন্তান সুকান্ত কোঙার বলেন, “রাজনীতির বাইরে মা সর্বতোভাবে আগলে রেখেছিলেন। বাবা কৃষক নেতা বিনয় কোঙার কে ১৯৬২ সালের চীনের দালাল বলে জেলখানায় আটকে রাখা হয়। এরপর ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের দালাল বলে জেলে আটক করা হয়। ৭০এর দশকে বর্ধমানের সাঁইবারির মামলায় তাকে মিথ্যা ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করে সাত বছর তিনি জেলে ছিলেন। ফলে সেই সময় সন্তানদের মানুষ করা লালন পালন করা বেশিরভাগটাই মাকে করতে হয়েছে। বর্ষিয়ান এই বাম নেত্রীর প্রয়ানে শোকাবহ বাম কর্মীরা। শুক্রবার দুপুরে প্রয়াত হওয়ার পর মেমারীর বাসভবনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন অগনিত মানুষ। শনিবার সকালে মেমারীর দলীয় অফিসে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শায়ীত রাখা হবে। এর পর সকলা ৮টায় শোক মিছিল সহযোগে বর্ধমানের জেলা পার্টি অফিসে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দেহ দান করা হবে।

তাড়াতাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রয়াত হলেন মেমারী বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ীকা তথা প্রাক্তন কৃষক নেতা বিনয় কোঙার এর স্ত্রী মহারাণী কোঙার।

আপডেট : ৫ জানুয়ারী ২০২৪, শুক্রবার

নূর আহমেদ,মেমারী : প্রয়াত হলেন মেমারী বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়িকা, তথা কৃষক নেতা বিনয় কোঙারের স্ত্রী মহারাণী কোঙার। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। শুক্রবার দুপুরে মেমারীতে নিজস্ব বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বাম আমলে অবিভক্ত বর্ধমানের সিপিআইএম এর প্রাক্তন জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন। ছিলেন মেমারী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ১৯৮২, ১৯৮৭, ১৯৯২ নির্বাচিত তিন বারের বিধায়ক। পাশাপাশি মহিলা সমিতির সর্বভারতীয় নেত্রী ছিলেন। মহারাণী কোঙারের বড় সন্তান সুকান্ত কোঙার বলেন, “রাজনীতির বাইরে মা সর্বতোভাবে আগলে রেখেছিলেন। বাবা কৃষক নেতা বিনয় কোঙার কে ১৯৬২ সালের চীনের দালাল বলে জেলখানায় আটকে রাখা হয়। এরপর ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের দালাল বলে জেলে আটক করা হয়। ৭০এর দশকে বর্ধমানের সাঁইবারির মামলায় তাকে মিথ্যা ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করে সাত বছর তিনি জেলে ছিলেন। ফলে সেই সময় সন্তানদের মানুষ করা লালন পালন করা বেশিরভাগটাই মাকে করতে হয়েছে। বর্ষিয়ান এই বাম নেত্রীর প্রয়ানে শোকাবহ বাম কর্মীরা। শুক্রবার দুপুরে প্রয়াত হওয়ার পর মেমারীর বাসভবনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন অগনিত মানুষ। শনিবার সকালে মেমারীর দলীয় অফিসে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শায়ীত রাখা হবে। এর পর সকলা ৮টায় শোক মিছিল সহযোগে বর্ধমানের জেলা পার্টি অফিসে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দেহ দান করা হবে।