২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বীরভূমের জনপ্রিয় মেলাগুলির মধ্যে অন্যতম পাথরচাপুরি মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:- বীরভূমের জনপ্রিয় মেলাগুলির মধ্যে অন্যতম পাথরচাপুরি মেলা। শুধু বীরভূম নয়, দেশ-বিদেশের বহু জায়গা থেকেই মানুষে ভিড় জমান এই মেলায়। কিন্তু গত দু’বছর ধরে করোনা সংক্রমণ মারাত্মক ভাবে ছড়িয়ে পড়ায় থিতিয়ে পড়েছিল এই মেলা। এই বছর সংক্রমণ কম থাকার কারণে ফের আগের ছন্দে ফিরতে চলেছে শতাব্দী প্রাচীন পাথরচাপুরি মেলা।এই মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে মুসলিম সূফী শাহ মেহেবুব, যিনি সাধারণভাবে দাতা সাহেব নামে পরিচিত, তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীকে শ্রদ্ধা জানাতেই। তিনি ১২৯৮ বঙ্গাব্দের ১০ চৈত্র প্রয়াত হন। তাঁকে স্মরণ করতেই এই মেলার আয়োজন। পাথরচাপুরি মেলা আয়োজনের সূচনা করেছিলেন সেকদদার জমিদার খান বাহাদুর। সরকারিভাবে এই মেলার সূচনা হবে ৯ চৈত্র অর্থাৎ ২৪ মার্চ। সাধারণত এই মেলা সরকারিভাবে তিন থেকে চার দিনের জন্য হয়ে থাকে। তারপর চলে ভাঙা মেলা ২ বছর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পেরে খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং মেলা উদ্যোক্তারা । সেই সমস্ত ব্যবসায়ী, যাঁরা বছরভর এই মাজারের উপর নির্ভর করে থাকেন, তাঁরা জানিয়েছেন, ” প্রশাসনিকভাবে যা জানতে পেরেছি তাতে এই বছর খুব সুন্দর ভাবে এই মেলার আয়োজন করা হবে। বহু মানুষ মেলা দেখতে আসবেন। ইতিমধ্যেই মানুষজন আসতে শুরু করে দিয়েছেন এবং দোকানপাট বসতে শুরু করেছে। গত দু’বছর করোনা আর লকডাউনের কারণে মেলার আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এই বছর বড় করে মেলা বসবে, কাজেই বিক্রিবাটা নিয়ে আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।”মেলা কমিটির সদস্যদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছর আরও সাজানো-গোছানো হবে এই মেলা। পাশাপাশি বর্তমান করোনাকালের কথা মাথায় রেখে সমস্ত রকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মেলা কমিটি এবং প্রশাসনিক সহযোগিতায় এই মেলা এই বছর সুশৃংখলভাবে আয়োজিত হবে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বীরভূমের জনপ্রিয় মেলাগুলির মধ্যে অন্যতম পাথরচাপুরি মেলা

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২২, বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- বীরভূমের জনপ্রিয় মেলাগুলির মধ্যে অন্যতম পাথরচাপুরি মেলা। শুধু বীরভূম নয়, দেশ-বিদেশের বহু জায়গা থেকেই মানুষে ভিড় জমান এই মেলায়। কিন্তু গত দু’বছর ধরে করোনা সংক্রমণ মারাত্মক ভাবে ছড়িয়ে পড়ায় থিতিয়ে পড়েছিল এই মেলা। এই বছর সংক্রমণ কম থাকার কারণে ফের আগের ছন্দে ফিরতে চলেছে শতাব্দী প্রাচীন পাথরচাপুরি মেলা।এই মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে মুসলিম সূফী শাহ মেহেবুব, যিনি সাধারণভাবে দাতা সাহেব নামে পরিচিত, তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীকে শ্রদ্ধা জানাতেই। তিনি ১২৯৮ বঙ্গাব্দের ১০ চৈত্র প্রয়াত হন। তাঁকে স্মরণ করতেই এই মেলার আয়োজন। পাথরচাপুরি মেলা আয়োজনের সূচনা করেছিলেন সেকদদার জমিদার খান বাহাদুর। সরকারিভাবে এই মেলার সূচনা হবে ৯ চৈত্র অর্থাৎ ২৪ মার্চ। সাধারণত এই মেলা সরকারিভাবে তিন থেকে চার দিনের জন্য হয়ে থাকে। তারপর চলে ভাঙা মেলা ২ বছর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পেরে খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং মেলা উদ্যোক্তারা । সেই সমস্ত ব্যবসায়ী, যাঁরা বছরভর এই মাজারের উপর নির্ভর করে থাকেন, তাঁরা জানিয়েছেন, ” প্রশাসনিকভাবে যা জানতে পেরেছি তাতে এই বছর খুব সুন্দর ভাবে এই মেলার আয়োজন করা হবে। বহু মানুষ মেলা দেখতে আসবেন। ইতিমধ্যেই মানুষজন আসতে শুরু করে দিয়েছেন এবং দোকানপাট বসতে শুরু করেছে। গত দু’বছর করোনা আর লকডাউনের কারণে মেলার আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এই বছর বড় করে মেলা বসবে, কাজেই বিক্রিবাটা নিয়ে আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।”মেলা কমিটির সদস্যদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছর আরও সাজানো-গোছানো হবে এই মেলা। পাশাপাশি বর্তমান করোনাকালের কথা মাথায় রেখে সমস্ত রকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মেলা কমিটি এবং প্রশাসনিক সহযোগিতায় এই মেলা এই বছর সুশৃংখলভাবে আয়োজিত হবে।