০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

পশ্চিমবঙ্গ ল’ক্লার্ক এসোসিয়েশনের চুঁচুড়া সিভিল ইউনিটের দশম সম্মেলন

আব্দুল গফফার, চুঁচুড়া : আইনকে সঙ্গী করে সর্বস্তরের মানুষের সুবিচার চাই এই লক্ষ্যকে মাথায় রেখে গত ২৭ জানুয়ারি হুগলি জিলা পরিষদ, পুরাতন ভবনের অনুষ্ঠান কক্ষে পশ্চিমবঙ্গ ল’ক্লার্ক অ্যাসোসিয়েশন, চুঁচুড়া সিভিল ইউনিটের দশম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। সম্মেলন শুরুর প্রাক মুহূর্তে পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায় এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ভূপতি মজুমদার-এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। প্রতিনিধিদের নিয়ে চুঁচুড়া ঘড়ির মধ্যে থেকে সম্মেলন মঞ্চ পর্যন্ত একটি পদযাত্রাও অনুষ্ঠিত হয়। এদিন ফিতে কেটে সম্মেলন মঞ্চের দারোদ্ঘাটন করেন সংগঠনের রাজ্য কমিটির সম্পাদকমন্ডলী সদস্য এবং রাজ্য কার্যালয় সম্পাদক খগেন্দ্রনাথ জানা।

এদিন প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে সম্মেলন উপলক্ষ্যে হুগলী চুঁচুড়া পৌরসভার পৌরপ্রধান অমিত রায়, সংগঠনের আইনি উপদেষ্টা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিদ্যুৎ রায় চৌধুরী, আইনজীবী ভাস্কর চ্যাটার্জি, পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর মাতা শ্রাবণী দাস, অ্যাসোসিয়েশনের হুগলি জেলা সম্পাদক সুপ্রভাত মিশ্র প্রমুখ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা বলেন, আইনি পরিষেবা দেওয়ার প্রথম ধাপ হল বিভিন্ন আদালতের ল’ক্লার্কবৃন্দ যাঁরা আইনজীবীর সহায়ক হয়ে কাজ করেন এবং একযোগে বিচারক, আইনজীবী, লক্লার্ক এবং বিচার প্রার্থীদের পারস্পরিক সহায়তায় আদালত চলে। যদিও বর্তমানে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন আদালতে দালালের আনাগোনা বেড়ে গেছে। সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

এসোসিয়েশনের রাজ্য নেতৃবৃন্দ এবং জেলার পাঁচটি আদালতের সিভিল ইউনিটের নেতৃবৃন্দ সহ ব্লক ও পরিবহণ শাখার প্রায় ১২৫ জন প্রতিনিধি এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সর্বস্তরে বাংলা ভাষার মাধ্যমে আইন ব্যবস্থা চালু করা, আদালত প্রশাসনের শূন্য পদে ল’ক্লার্কদের মধ্য থেকে যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ করা এবং ল’ক্লার্কদের ওয়েলফেয়ার ফান্ড চালু করা সহ মোট কুড়ি দফা দাবি নিয়ে আগত প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন। সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে রাজ্য পর্যবেক্ষক-এর উপস্থিতিতে আগামী তিন বছরের জন্য সিভিল ইউনিটের ১৫ জনের একটি নতুন কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির সভাপতি হিসেবে পুনরায় বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়, সম্পাদ ক সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং সন্তু দাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সম্মেলন থেকে যে সকল দাবি উঠে এসেছে সেই দাবি আগামী দিনে যদি পূরণ না হয় তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা সম্পাদক সুপ্রভাত মিশ্র।

তাড়াতাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পশ্চিমবঙ্গ ল’ক্লার্ক এসোসিয়েশনের চুঁচুড়া সিভিল ইউনিটের দশম সম্মেলন

আপডেট : ৩০ জানুয়ারী ২০২৪, মঙ্গলবার

আব্দুল গফফার, চুঁচুড়া : আইনকে সঙ্গী করে সর্বস্তরের মানুষের সুবিচার চাই এই লক্ষ্যকে মাথায় রেখে গত ২৭ জানুয়ারি হুগলি জিলা পরিষদ, পুরাতন ভবনের অনুষ্ঠান কক্ষে পশ্চিমবঙ্গ ল’ক্লার্ক অ্যাসোসিয়েশন, চুঁচুড়া সিভিল ইউনিটের দশম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। সম্মেলন শুরুর প্রাক মুহূর্তে পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায় এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ভূপতি মজুমদার-এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। প্রতিনিধিদের নিয়ে চুঁচুড়া ঘড়ির মধ্যে থেকে সম্মেলন মঞ্চ পর্যন্ত একটি পদযাত্রাও অনুষ্ঠিত হয়। এদিন ফিতে কেটে সম্মেলন মঞ্চের দারোদ্ঘাটন করেন সংগঠনের রাজ্য কমিটির সম্পাদকমন্ডলী সদস্য এবং রাজ্য কার্যালয় সম্পাদক খগেন্দ্রনাথ জানা।

এদিন প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে সম্মেলন উপলক্ষ্যে হুগলী চুঁচুড়া পৌরসভার পৌরপ্রধান অমিত রায়, সংগঠনের আইনি উপদেষ্টা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিদ্যুৎ রায় চৌধুরী, আইনজীবী ভাস্কর চ্যাটার্জি, পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর মাতা শ্রাবণী দাস, অ্যাসোসিয়েশনের হুগলি জেলা সম্পাদক সুপ্রভাত মিশ্র প্রমুখ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা বলেন, আইনি পরিষেবা দেওয়ার প্রথম ধাপ হল বিভিন্ন আদালতের ল’ক্লার্কবৃন্দ যাঁরা আইনজীবীর সহায়ক হয়ে কাজ করেন এবং একযোগে বিচারক, আইনজীবী, লক্লার্ক এবং বিচার প্রার্থীদের পারস্পরিক সহায়তায় আদালত চলে। যদিও বর্তমানে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন আদালতে দালালের আনাগোনা বেড়ে গেছে। সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

এসোসিয়েশনের রাজ্য নেতৃবৃন্দ এবং জেলার পাঁচটি আদালতের সিভিল ইউনিটের নেতৃবৃন্দ সহ ব্লক ও পরিবহণ শাখার প্রায় ১২৫ জন প্রতিনিধি এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সর্বস্তরে বাংলা ভাষার মাধ্যমে আইন ব্যবস্থা চালু করা, আদালত প্রশাসনের শূন্য পদে ল’ক্লার্কদের মধ্য থেকে যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ করা এবং ল’ক্লার্কদের ওয়েলফেয়ার ফান্ড চালু করা সহ মোট কুড়ি দফা দাবি নিয়ে আগত প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন। সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে রাজ্য পর্যবেক্ষক-এর উপস্থিতিতে আগামী তিন বছরের জন্য সিভিল ইউনিটের ১৫ জনের একটি নতুন কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির সভাপতি হিসেবে পুনরায় বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়, সম্পাদ ক সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং সন্তু দাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সম্মেলন থেকে যে সকল দাবি উঠে এসেছে সেই দাবি আগামী দিনে যদি পূরণ না হয় তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা সম্পাদক সুপ্রভাত মিশ্র।