২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

কুখ্যাত মাদক পাচারকারী ওসমান ঢালির ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০১৩ সালের ঘটনা। ২৩ মার্চ, সূত্র মারফত নিশ্চিত খবর এসেছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা দপ্তরে। কলকাতার বুকে হাতবদল হবে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক। সেইমতো ঠাকুরপুকুরের ৩এ বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছে গিয়েছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা দপ্তরের নার্কোটিক্স সেলের টিম। বলাই বাহুল্য, টিমের সবাই ছিলেন সাদা পোশাকে।

দুপুর ২.৩০ নাগাদ অটোরিক্সায় চেপে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় একজন। হাতে বড় ব্যাগ। সোর্স ইশারা করতেই তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেন নার্কোটিক্স সেলের অফিসারেরা। তার জিম্মা থেকে উদ্ধার হয় মোট ৩০ কেজি গাঁজা। যার বাজারদর ২ লক্ষ টাকা।

ওসমান ঢালি দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুখ্যাত মাদক পাচারকারীদের একজন। ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ অপরাধীদের তালিকায় একদম উপরের দিকে ছিল তার নাম। অনেকদিন ধরেই খোঁজ চলছিল।

ওসমানের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে (The Narcotic Drugs and Psychotropic Substances Act) মামলা রুজু হয়। উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ-সহ চার্জশিট যথাসময়েই জমা দেন এই কেসের তদন্তকারী অফিসার নার্কোটিক্স সেলের তৎকালীন সাব ইনস্পেকটর অমিত কুমার চ্যাটার্জি।

সেই কেসেরই রায় বেরিয়েছে। ওসমানের ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় বিচারক। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা। জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের মেয়াদ বাড়বে আরও ১ বছর।

ওসমানের মতো কুখ্যাত অপরাধীর শাস্তি সুনিশ্চিত করা নিঃসন্দেহে নার্কোটিক্স সেলের একটা বড় সাফল্য।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কুখ্যাত মাদক পাচারকারী ওসমান ঢালির ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ

আপডেট : ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০১৩ সালের ঘটনা। ২৩ মার্চ, সূত্র মারফত নিশ্চিত খবর এসেছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা দপ্তরে। কলকাতার বুকে হাতবদল হবে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক। সেইমতো ঠাকুরপুকুরের ৩এ বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছে গিয়েছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা দপ্তরের নার্কোটিক্স সেলের টিম। বলাই বাহুল্য, টিমের সবাই ছিলেন সাদা পোশাকে।

দুপুর ২.৩০ নাগাদ অটোরিক্সায় চেপে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় একজন। হাতে বড় ব্যাগ। সোর্স ইশারা করতেই তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেন নার্কোটিক্স সেলের অফিসারেরা। তার জিম্মা থেকে উদ্ধার হয় মোট ৩০ কেজি গাঁজা। যার বাজারদর ২ লক্ষ টাকা।

ওসমান ঢালি দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুখ্যাত মাদক পাচারকারীদের একজন। ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ অপরাধীদের তালিকায় একদম উপরের দিকে ছিল তার নাম। অনেকদিন ধরেই খোঁজ চলছিল।

ওসমানের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে (The Narcotic Drugs and Psychotropic Substances Act) মামলা রুজু হয়। উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ-সহ চার্জশিট যথাসময়েই জমা দেন এই কেসের তদন্তকারী অফিসার নার্কোটিক্স সেলের তৎকালীন সাব ইনস্পেকটর অমিত কুমার চ্যাটার্জি।

সেই কেসেরই রায় বেরিয়েছে। ওসমানের ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় বিচারক। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা। জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের মেয়াদ বাড়বে আরও ১ বছর।

ওসমানের মতো কুখ্যাত অপরাধীর শাস্তি সুনিশ্চিত করা নিঃসন্দেহে নার্কোটিক্স সেলের একটা বড় সাফল্য।