২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে এনআইএ কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্ট

নিজস্ব সংবাদদাতা : বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে এনআইএ । কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্ট । দুই বিস্ফোরণ মামলার সমস্ত নথি অতিদ্রুত এনআইএ-কে হস্তান্তর করতে হবে, সিআইডি -কে নির্দেশ আদালতের।

২০১৯-এর ২০ সেপ্টেম্বর বীরভূমের লোকপুর থানার গাংপুর গ্রামে প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণে বাবলু মণ্ডলের বাড়ির টিনের চাল উড়ে যায়। ওই বছরেরই ২৯ অগাস্ট সদাইপুর থানার রেঙ্গুনি গ্রামে হাইতুন্নেসা খাতুনের গোয়ালঘরেও দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি ঘটে। দুই বিস্ফোরণ কাণ্ডেরই তদন্ত শুরু করে সিআইডি (CID)। পরে তদন্তভার গ্রহণ করে এনআইএ (NIA)।

তবে রাজ্যের থেকে নথি না পাওয়ার অভিযোগ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এই অভিযোগে বিশেষ আদালতের দ্বারস্থ হয় এনআইএ (NIA)। নথি দেওয়ার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দেয় বিশেষ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের  দ্বারস্থ হয় রাজ্য। সেই মামলাতেই গত ১৮ এপ্রিল এই নির্দেশ দেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিভাস পট্টনায়কের ডিভিশন বেঞ্চ।

এই নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের  পর্যবেক্ষণ, “আইন অনুযায়ী এই ধরনের ঘটনা ঘটলে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা, NIA-কে একটা প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠায়। সেই রিপোর্ট বিবেচনা করে তদন্ত করার বা না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু এই দুই ঘটনার ক্ষেত্রে, সেই রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। যেহেতু রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থার থেকে NIA-র বিস্তৃতী আরও বেশি। সেজন্য ন্যায় বিচারের স্বার্থে, দুই মামলার তদন্তভার NIA-কে দেওয়া হল।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে এনআইএ কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্ট

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২২, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : বীরভূমে জোড়া বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে এনআইএ । কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্ট । দুই বিস্ফোরণ মামলার সমস্ত নথি অতিদ্রুত এনআইএ-কে হস্তান্তর করতে হবে, সিআইডি -কে নির্দেশ আদালতের।

২০১৯-এর ২০ সেপ্টেম্বর বীরভূমের লোকপুর থানার গাংপুর গ্রামে প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণে বাবলু মণ্ডলের বাড়ির টিনের চাল উড়ে যায়। ওই বছরেরই ২৯ অগাস্ট সদাইপুর থানার রেঙ্গুনি গ্রামে হাইতুন্নেসা খাতুনের গোয়ালঘরেও দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি ঘটে। দুই বিস্ফোরণ কাণ্ডেরই তদন্ত শুরু করে সিআইডি (CID)। পরে তদন্তভার গ্রহণ করে এনআইএ (NIA)।

তবে রাজ্যের থেকে নথি না পাওয়ার অভিযোগ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এই অভিযোগে বিশেষ আদালতের দ্বারস্থ হয় এনআইএ (NIA)। নথি দেওয়ার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দেয় বিশেষ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের  দ্বারস্থ হয় রাজ্য। সেই মামলাতেই গত ১৮ এপ্রিল এই নির্দেশ দেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিভাস পট্টনায়কের ডিভিশন বেঞ্চ।

এই নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের  পর্যবেক্ষণ, “আইন অনুযায়ী এই ধরনের ঘটনা ঘটলে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা, NIA-কে একটা প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠায়। সেই রিপোর্ট বিবেচনা করে তদন্ত করার বা না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু এই দুই ঘটনার ক্ষেত্রে, সেই রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। যেহেতু রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থার থেকে NIA-র বিস্তৃতী আরও বেশি। সেজন্য ন্যায় বিচারের স্বার্থে, দুই মামলার তদন্তভার NIA-কে দেওয়া হল।”